সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’ ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি হবিগঞ্জ আজমিরীগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড সিলেটে হাম ও রুবেলা রোগে ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪ সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব ও নগরবাসীর নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সকল অফিসার ও ফোর্সদের আহ্বান-পুলিশ কমিশনার সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০৭তম পবিত্র উরুস উপলক্ষে মাজার পরিদর্শন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং

ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)।

মঙ্গলবার (৫ মে) এফইএবির সভাপতি আজহারুল হক আজাদের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।  

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আসন্ন ঈদ সামনে রেখে শপিংমলের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)।

মঙ্গলবার (৫ মে) এফইএবির সভাপতি আজহারুল হক আজাদের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।  

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আসন্ন ঈদ সামনে রেখে শপিংমলের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে তারা।