সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান টুকের বাজারে সড়ক-ড্রেনেজ ও মসজিদ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকসুন্দর নগর গড়তে প্রতিটি ওয়ার্ডে হবে পরিকল্পিত উন্নয়ন নতুন রূপে আবারও খুলছে জালালাবাদ পার্ক রায়ের গ্রামে মন্দিরের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় মাইনর ক্রিকেট লীগে সিলেটের জার্সি উন্মোচন সিলেট থেকে আরও প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনা হবে—সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ২৪৮১ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মাধবপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে হুমকি-ভাঙচুরের অভিযোগ সিলেটে শুরু ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ সিলেটে শুরু ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ সিলেট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)‘র অভিযানে ১২০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ০২ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি সভায় সিসিক প্রশাসক

নতুন রূপে আবারও খুলছে জালালাবাদ পার্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’ হবে নগরবাসীর বিনোদন ও শরীরচর্চার নতুন ঠিকানা: সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

আবারও খুলছে সিলেট নগরীর জালালাবাদ পার্ক। তবে এবার নতুন রূপে ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’ নামে যাত্রা শুরু করবে পার্কটি। নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। বয়স্কদের স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা এবং শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পার্কের সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হবে, যাতে বাইরে থেকেও পার্কের ভেতরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিনে পার্কটি পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় তিনি পার্কটি দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, আমরা এই পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করছি। তবে তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে। শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করে পার্কটি সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি পার্কটিকে দৃষ্টিনন্দন করা হবে, যাতে নগরবাসী এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন। নতুন নামকরণ করা হবে ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’।

তিনি বলেন, পার্কের গেট ও সীমানাপ্রাচীর এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এখানে একটি পার্ক রয়েছে। তাই সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হবে, যাতে বাইরে থেকে পার্কের ভেতরের সৌন্দর্য দেখা যায়। একই সঙ্গে পার্কের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। সিসিকের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবে এবং তারা পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। খুব দ্রুত পার্কের সংস্কারকাজ শুরু হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সাগরদিঘীর পাড়ে সিসিকের উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ যান এবং সুন্দর সময় কাটান। জালালাবাদ সিটি পার্কের সংস্কারকাজ শেষ হলে নগরবাসীকে এখানে এসেও অবসর সময় কাটানো এবং শরীরচর্চা করার আহ্বান জানানো হবে।

তিনি বলেন, সিলেট নগরীতে নগরবাসীর হাঁটাচলার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। মুক্ত বাতাসে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগও সীমিত। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরোনো কারাগারের জায়গাতেও পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিসিকের নিজস্ব মালিকানাধীন জালালাবাদ পার্ক ছাড়া পার্ক করার মতো আর তেমন জায়গা নেই। তাই এই পার্কটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, জালালাবাদ সিটি পার্কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অবস্থিত। এর কাছেই রয়েছে সার্কিট হাউস, ক্বিনব্রিজ, সুরমা নদী ও আলী আমজদের ঘড়ি। ফলে পার্কটি সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নগরবাসীর পাশাপাশি সিলেটে আসা পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এটি হবে সিলেটের সাংস্কৃতিক হাব।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী (পানি) এনামুল হক তাপাদারসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নতুন রূপে আবারও খুলছে জালালাবাদ পার্ক

আপডেট সময় : ০৪:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’ হবে নগরবাসীর বিনোদন ও শরীরচর্চার নতুন ঠিকানা: সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

আবারও খুলছে সিলেট নগরীর জালালাবাদ পার্ক। তবে এবার নতুন রূপে ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’ নামে যাত্রা শুরু করবে পার্কটি। নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। বয়স্কদের স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা এবং শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পার্কের সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হবে, যাতে বাইরে থেকেও পার্কের ভেতরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিনে পার্কটি পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় তিনি পার্কটি দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, আমরা এই পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করছি। তবে তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে। শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করে পার্কটি সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি পার্কটিকে দৃষ্টিনন্দন করা হবে, যাতে নগরবাসী এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন। নতুন নামকরণ করা হবে ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’।

তিনি বলেন, পার্কের গেট ও সীমানাপ্রাচীর এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এখানে একটি পার্ক রয়েছে। তাই সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হবে, যাতে বাইরে থেকে পার্কের ভেতরের সৌন্দর্য দেখা যায়। একই সঙ্গে পার্কের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। সিসিকের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবে এবং তারা পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। খুব দ্রুত পার্কের সংস্কারকাজ শুরু হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সাগরদিঘীর পাড়ে সিসিকের উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ যান এবং সুন্দর সময় কাটান। জালালাবাদ সিটি পার্কের সংস্কারকাজ শেষ হলে নগরবাসীকে এখানে এসেও অবসর সময় কাটানো এবং শরীরচর্চা করার আহ্বান জানানো হবে।

তিনি বলেন, সিলেট নগরীতে নগরবাসীর হাঁটাচলার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। মুক্ত বাতাসে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগও সীমিত। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরোনো কারাগারের জায়গাতেও পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিসিকের নিজস্ব মালিকানাধীন জালালাবাদ পার্ক ছাড়া পার্ক করার মতো আর তেমন জায়গা নেই। তাই এই পার্কটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, জালালাবাদ সিটি পার্কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অবস্থিত। এর কাছেই রয়েছে সার্কিট হাউস, ক্বিনব্রিজ, সুরমা নদী ও আলী আমজদের ঘড়ি। ফলে পার্কটি সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নগরবাসীর পাশাপাশি সিলেটে আসা পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এটি হবে সিলেটের সাংস্কৃতিক হাব।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী (পানি) এনামুল হক তাপাদারসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।