ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে। 

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। 

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে। 

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে। 

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। 

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে। 

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে। 

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। 

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে। 

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে। 

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। 

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে। 

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।