সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

আজমিরীগঞ্জে লাইসেন্স ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি চলছে অবাদে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :

পেট্রোল ও অকটেনের মতো দাহ্য পদার্থ  খোলা  বাজারে  বেচাকেনা ঝুঁকিপূর্ন। যে কোন  সময় ঘটতে পারে  অগ্নিকাণ্ড। কিন্তু  আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়  এ সব জ্বালানি বিধিনিষেধর তোয়াক্কা  না করে  ব্যাবহৃত এল পি গ্যাস।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার  বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, মুদি দোকান, এমনকি  রাস্তার পাশে ছোট  দোকানে  এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বেচাকেনা চলছে। অনেক দোকানে মোটরসাইকেলের অকটেন, পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব দাহ্য পদার্থের ব্যবসা অবাধে চলছে, ফায়ার লাইসেন্স ছাড়া চলছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি। দোকানে নেই কোনো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।এসব জ্বালানি বিক্রিতে জড়িত নন এমন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিনি পিক-আপের মাধ্যমে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে যায় দোকানে দোকানে। পিক-আপ থেকে ছুড়ে ছুড়ে নামানো হয় সিলিন্ডার। এতে যে কোনো সময় বিস্টেম্ফারণ ঘটতে পারে। লাভজনক হওয়ায় পেট্রোল-অকটেনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানির ব্যবসা ক্রমে বেড়েই চলেছে। জানা যায়, এ ধরনের ব্যবসায় বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-এর দ্য এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪-এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে লাইসেন্স ছাড়া কোন ক্ষেত্রে এলপিজি গ্যাস মজুত করা যাবে, তা উল্লেখ আছে। একই বিধির ৭১ নম্বর ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি রাখতে হবে।সচেতন মহলের আলোচনায় জানা যায় ‘গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে লাইসেন্স প্রয়োজন, কিছু কিছু ব্যাবসায়ীর বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স থাকলে ও  বেশির ভাগ ব্যাসায়ীর লাইসেন্স নেই।

এই বিষয় নিয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম রেজাউল করিম এর সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি বলেন, লাইসেন্স বিহীন ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার  ও পেট্রোল বিক্রি  বে আইনি, উপজেলার প্রতিটি বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার  মাধ্যমে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজমিরীগঞ্জে লাইসেন্স ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি চলছে অবাদে

আপডেট সময় : ০২:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :

পেট্রোল ও অকটেনের মতো দাহ্য পদার্থ  খোলা  বাজারে  বেচাকেনা ঝুঁকিপূর্ন। যে কোন  সময় ঘটতে পারে  অগ্নিকাণ্ড। কিন্তু  আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়  এ সব জ্বালানি বিধিনিষেধর তোয়াক্কা  না করে  ব্যাবহৃত এল পি গ্যাস।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার  বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, মুদি দোকান, এমনকি  রাস্তার পাশে ছোট  দোকানে  এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বেচাকেনা চলছে। অনেক দোকানে মোটরসাইকেলের অকটেন, পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব দাহ্য পদার্থের ব্যবসা অবাধে চলছে, ফায়ার লাইসেন্স ছাড়া চলছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি। দোকানে নেই কোনো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।এসব জ্বালানি বিক্রিতে জড়িত নন এমন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিনি পিক-আপের মাধ্যমে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে যায় দোকানে দোকানে। পিক-আপ থেকে ছুড়ে ছুড়ে নামানো হয় সিলিন্ডার। এতে যে কোনো সময় বিস্টেম্ফারণ ঘটতে পারে। লাভজনক হওয়ায় পেট্রোল-অকটেনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানির ব্যবসা ক্রমে বেড়েই চলেছে। জানা যায়, এ ধরনের ব্যবসায় বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-এর দ্য এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪-এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে লাইসেন্স ছাড়া কোন ক্ষেত্রে এলপিজি গ্যাস মজুত করা যাবে, তা উল্লেখ আছে। একই বিধির ৭১ নম্বর ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি রাখতে হবে।সচেতন মহলের আলোচনায় জানা যায় ‘গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে লাইসেন্স প্রয়োজন, কিছু কিছু ব্যাবসায়ীর বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স থাকলে ও  বেশির ভাগ ব্যাসায়ীর লাইসেন্স নেই।

এই বিষয় নিয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম রেজাউল করিম এর সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি বলেন, লাইসেন্স বিহীন ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার  ও পেট্রোল বিক্রি  বে আইনি, উপজেলার প্রতিটি বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার  মাধ্যমে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।