সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।