সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

পুলিশশূন্য বড়লেখা থানা, নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেদক বড়লেখা,মৌলভীবাজার :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা এখনও পুলিশশূন্য। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এতে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই অবস্থায় সেনাবাহিনী থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। এর আগে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি আনছার সদস্যরা থানা পাহারা দিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সোমবার শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা। ওইদিন বিকেলের দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা থানা ঘেরাও করে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এসময় বিএনপি-জামায়াতের নেতারা বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিবৃত্ত করেন। হামলার ভয়ে পুলিশ একপর্যায়ে থানা ছেড়ে আত্মগোপন করেন। এরপর থেকে বিএনপি-জামায়াতের নেতকর্মীদের পাশাপাশি আনছার সদস্যরা অরক্ষিত থানা পাহারা দেন।

এদিকে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নবাগত আইজিপির নির্দেশনার একদিন পরও পুলিশ সদস্যরা থানায় ফিরেনি। এতে থানা অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে সেনাবাহিনী থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, থানার প্রধান ফটক বন্ধ রয়েছে। থানার ভেতরে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। এসময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বড়লেখা থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আখতারুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনী থানার আগ্নেয়াস্ত্রগুলো হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশ সদস্যরা থানায় এখনও যোগদান করেনি। ফলে অরক্ষিত থানার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী। এছাড়া শহরের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেও সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী শুক্রবার রাত সোয়া সাতটায় জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এখনও পাননি। তিনি থানা এলাকায় নিরাপদে রয়েছেন। নির্দেশনা পেলে কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুলিশশূন্য বড়লেখা থানা, নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪

প্রতিবেদক বড়লেখা,মৌলভীবাজার :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা এখনও পুলিশশূন্য। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এতে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই অবস্থায় সেনাবাহিনী থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। এর আগে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি আনছার সদস্যরা থানা পাহারা দিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সোমবার শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা। ওইদিন বিকেলের দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা থানা ঘেরাও করে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এসময় বিএনপি-জামায়াতের নেতারা বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিবৃত্ত করেন। হামলার ভয়ে পুলিশ একপর্যায়ে থানা ছেড়ে আত্মগোপন করেন। এরপর থেকে বিএনপি-জামায়াতের নেতকর্মীদের পাশাপাশি আনছার সদস্যরা অরক্ষিত থানা পাহারা দেন।

এদিকে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নবাগত আইজিপির নির্দেশনার একদিন পরও পুলিশ সদস্যরা থানায় ফিরেনি। এতে থানা অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে সেনাবাহিনী থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, থানার প্রধান ফটক বন্ধ রয়েছে। থানার ভেতরে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। এসময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বড়লেখা থানা কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আখতারুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনী থানার আগ্নেয়াস্ত্রগুলো হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশ সদস্যরা থানায় এখনও যোগদান করেনি। ফলে অরক্ষিত থানার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী। এছাড়া শহরের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেও সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী শুক্রবার রাত সোয়া সাতটায় জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এখনও পাননি। তিনি থানা এলাকায় নিরাপদে রয়েছেন। নির্দেশনা পেলে কর্মস্থলে যোগদান করবেন।