সিলেটে হামের উপসর্গে ১ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১ জন
- আপডেট সময় : ১১:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৩ জনে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া শিশুটির নাম মুনতাহা। তার বয়স ছিল ৮ মাস। সে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাসিন্দা মনসু আলীর সন্তান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শিশুটি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১১৪ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৪৫ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪২ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে একজন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৮ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৬ জন এবং জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি রয়েছেন ৩২৫ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৩১ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৯ জন এবং রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৬ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৩ জনসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সিলেট জেলায় সন্দেহজনক হাম ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে ৫৫ জন, হবিগঞ্জে ১৮ জন, মৌলভীবাজারে ১৩ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে সিলেটে ৪ জন, হবিগঞ্জে ৪ জন, মৌলভীবাজারে ১ জন এবং সুনামগঞ্জে ১ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫ জন এবং সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৪৩ জন।























