সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু,নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :   

সিলেটে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকালে নগরীর বিনোদিনী নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় সিসিক প্রশাসক ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন এবং অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, শিশুর সুস্থ বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তাই কোনো শিশু যেন এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এ বছর মোট ৭৬ হাজার ৩৯০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন উদ্বোধনকালে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে দেশে নিয়মিতভাবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়ে থাকে। সাধারণত বছরে দুইবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

তিনি জানান, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিসিক এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কোনো শিশু নির্ধারিত দিনে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরবর্তী এক সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে তা গ্রহণ করতে পারবে।

ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের ৪২টি ওয়ার্ডে ৮৪ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে মোট ৩৬৮টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ২৫৯টি অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ৮৩টি ভিটামিন ‘এ’ অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ২৫টি অতিরিক্ত কেন্দ্র। এ কার্যক্রমে মোট ৭৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ১১৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬৮ হাজার ২৭৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৭৬ হাজার ৩৩০ জন সাধারণ শিশু এবং ৬০ জন প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু,নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

আপডেট সময় : ১২:২৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :   

সিলেটে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকালে নগরীর বিনোদিনী নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় সিসিক প্রশাসক ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন এবং অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, শিশুর সুস্থ বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তাই কোনো শিশু যেন এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এ বছর মোট ৭৬ হাজার ৩৯০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন উদ্বোধনকালে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে দেশে নিয়মিতভাবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়ে থাকে। সাধারণত বছরে দুইবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

তিনি জানান, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিসিক এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কোনো শিশু নির্ধারিত দিনে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরবর্তী এক সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে তা গ্রহণ করতে পারবে।

ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের ৪২টি ওয়ার্ডে ৮৪ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে মোট ৩৬৮টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ২৫৯টি অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ৮৩টি ভিটামিন ‘এ’ অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ২৫টি অতিরিক্ত কেন্দ্র। এ কার্যক্রমে মোট ৭৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ১১৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬৮ হাজার ২৭৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৭৬ হাজার ৩৩০ জন সাধারণ শিশু এবং ৬০ জন প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে।