সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ডিসি সারওয়ারকে পদায়ন করল সরকার সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে সিলেটের দুই মাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নতুন দানবাক্স স্থাপন ও পূর্বের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা সিলেটে ভারতের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র, সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন

সিলেটে ভারতের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র, সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সীমান্তের ওপারে ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশে সিলেটে দেখা দিয়েছে বন্যার আশংকা। ইতোমধ্যে ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র। যার ফলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে রবিবার (২১ জুন) একটি আদেশ জারি করেন কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া।

ওই আদেশে বলা হয়, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাধীন সাদাপাথর পর্যটন স্পটটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পরবর্তীতে উক্ত পর্যটন স্পটটি খুলে দেওয়া হবে।

কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, ‘ভারতে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢলে সাদাপাথর তলিয়ে গেছে। স্রোতও খুব বেশি। তাই সাময়িকভাবে পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’


এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর বেশিরভাগ পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট বিভাগের সারি, গোয়াইন, লোভাছড়া, ধলাই নদীর পানিও সমান তালে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডও সতর্কতা দিয়ে বলছে, আগামী তিন দিন পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ভারতের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র, সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সীমান্তের ওপারে ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশে সিলেটে দেখা দিয়েছে বন্যার আশংকা। ইতোমধ্যে ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র। যার ফলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে রবিবার (২১ জুন) একটি আদেশ জারি করেন কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া।

ওই আদেশে বলা হয়, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাধীন সাদাপাথর পর্যটন স্পটটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পরবর্তীতে উক্ত পর্যটন স্পটটি খুলে দেওয়া হবে।

কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, ‘ভারতে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢলে সাদাপাথর তলিয়ে গেছে। স্রোতও খুব বেশি। তাই সাময়িকভাবে পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’


এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর বেশিরভাগ পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট বিভাগের সারি, গোয়াইন, লোভাছড়া, ধলাই নদীর পানিও সমান তালে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডও সতর্কতা দিয়ে বলছে, আগামী তিন দিন পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।