সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় মডেল-বিভাগীয় কমিশনার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের সাজা ‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী ত্রিতরঙ্গের বাদল সাঁঝের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘শ্রাবনের মেঘগুলো’ সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই সিলেটি সিলেট আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৫১ জন সিলেট রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মহোদয় ৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন

‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন হলে বাস্তবে রূপ নেবে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’ – সিসিক প্রশাসক,,

সিলেট নগরীর পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ সভায় সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন ও মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সরকার মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জলাবদ্ধতা, যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’-এর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। তিনি জানান, সম্প্রসারিত এলাকাসহ পুরো সিলেট নগরীকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব নগরীতে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে সিলেট নগরীতে জলাবদ্ধতা না হওয়ার পেছনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন বড় ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জলাশয় সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সড়ক, ড্রেনেজ, জলাশয় সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আমরা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি টেকসই ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে চাই।’

সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জগলুল, মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রিষি, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ তানভীর আহমদ মোল্লাসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট নগরীর পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ সভায় সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন ও মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সরকার মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জলাবদ্ধতা, যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’-এর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। তিনি জানান, সম্প্রসারিত এলাকাসহ পুরো সিলেট নগরীকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব নগরীতে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে সিলেট নগরীতে জলাবদ্ধতা না হওয়ার পেছনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন বড় ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জলাশয় সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সড়ক, ড্রেনেজ, জলাশয় সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আমরা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি টেকসই ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে চাই।’

সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জগলুল, মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রিষি, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ তানভীর আহমদ মোল্লাসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন হলে বাস্তবে রূপ নেবে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’ – সিসিক প্রশাসক,,

সিলেট নগরীর পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ সভায় সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন ও মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সরকার মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জলাবদ্ধতা, যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’-এর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। তিনি জানান, সম্প্রসারিত এলাকাসহ পুরো সিলেট নগরীকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব নগরীতে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে সিলেট নগরীতে জলাবদ্ধতা না হওয়ার পেছনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন বড় ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জলাশয় সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সড়ক, ড্রেনেজ, জলাশয় সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আমরা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি টেকসই ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে চাই।’

সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জগলুল, মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রিষি, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ তানভীর আহমদ মোল্লাসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট নগরীর পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ সভায় সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন ও মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সরকার মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জলাবদ্ধতা, যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট’-এর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। তিনি জানান, সম্প্রসারিত এলাকাসহ পুরো সিলেট নগরীকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব নগরীতে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে সিলেট নগরীতে জলাবদ্ধতা না হওয়ার পেছনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন বড় ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জলাশয় সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সড়ক, ড্রেনেজ, জলাশয় সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আমরা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি টেকসই ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে চাই।’

সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জগলুল, মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রিষি, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ তানভীর আহমদ মোল্লাসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।