সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গ্যাসের তীব্র সংকট : লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিলেটের সাবেক দুই ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ময়লার স্তুপে পাওয়া খণ্ডিত পায়ের পাতা নিয়ে আতঙ্ক সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ

গাজা আজ ক্ষুধার শহর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

এক মুঠো ভাত আর এক টুকরো মাংসের আশায় লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন কয়েকশ মানুষ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

তীব্র খাদ্য সংকটে ধুঁকছে গাজা উপত্যকা। অবরোধ আর নিষেধাজ্ঞায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা। তীব্র শীতে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার আশায় রয়েছেন হাজারো মানুষ। জাতিসংঘ বলছে, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনার আগে উপত্যকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বদলায়নি পরিস্থিতি। উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় ত্রান সহায়তা। গাজায় মানবিক সহায়তা বাড়ানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কমেনি মানুষের কষ্ট। সীমান্ত খোলা থাকার কথা শোনা গেলেও মাঠের চিত্র একেবারেই বিপরীত। এ পরিস্থিতিতে চরম খাদ্য সংকটে গাজার বাসিন্দারা।

যুদ্ধ বিদ্ধস্ত উপত্যকায় খাবারের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছে গাজাবাসী। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) উপত্যকার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় খাবার নিতে ভিড় করেন বাসিন্দা। এক মুঠো ভাত আর এক টুকরো মাংসের আশায় লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন কয়েকশ মানুষ। সকাল থেকে কয়েক কিলোমিটার পায়ে হেটে খাবারের সন্ধানে আসেন অনেকে।

জাতিসংঘ প্রতিনিধি বলছেন, গাজার জন্য সবচেয়ে জরুরি কাজ জটিলতা কমিয়ে উপত্যকায় ত্রান প্রবেশের পথ খুলে দেওয়া। মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও পুনর্গঠন একসঙ্গে চালাতে হবে।

পশ্চিম তীরেও অবস্থা গুরুতর। গেল এক বছরে তিনটি শরণার্থী শিবির ধ্বংস করেছে ইসরাইল। অভিযানের নামে দমন-পীড়ন, হত্যার ঘটনা চলছেই। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক ত্রাণ সংস্থা বলেছে, তীব্র অভাব ও গৃহহীন হয়ে পড়ছে মানুষ।

এদিকে গাজাকে নতুন করে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিউ গাজা’। ভূখণ্ডটিকে একেবারে নতুনভাবে পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে এতে। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ‘নিউ গাজা’ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘বোর্ড অব পিসে’র ঘোষণা দেওয়া হয়। এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এরপর স্লাইড শোতে দেখানো হয় ভূমধ্যসাগরের তীরজুড়ে সারি সারি উঁচু ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা। এতে রাফাহ এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্প থাকবে বলেও জানানো হয়। একটি মানচিত্রে দেখানো হয়, গাজার প্রায় ২১ লাখ মানুষের জন্য ধাপে ধাপে নতুন আবাসিক এলাকা, কৃষিজমি ও শিল্পাঞ্চল তৈরি করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজা আজ ক্ষুধার শহর

আপডেট সময় : ০২:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

এক মুঠো ভাত আর এক টুকরো মাংসের আশায় লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন কয়েকশ মানুষ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

তীব্র খাদ্য সংকটে ধুঁকছে গাজা উপত্যকা। অবরোধ আর নিষেধাজ্ঞায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা। তীব্র শীতে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার আশায় রয়েছেন হাজারো মানুষ। জাতিসংঘ বলছে, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনার আগে উপত্যকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বদলায়নি পরিস্থিতি। উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় ত্রান সহায়তা। গাজায় মানবিক সহায়তা বাড়ানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কমেনি মানুষের কষ্ট। সীমান্ত খোলা থাকার কথা শোনা গেলেও মাঠের চিত্র একেবারেই বিপরীত। এ পরিস্থিতিতে চরম খাদ্য সংকটে গাজার বাসিন্দারা।

যুদ্ধ বিদ্ধস্ত উপত্যকায় খাবারের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছে গাজাবাসী। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) উপত্যকার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় খাবার নিতে ভিড় করেন বাসিন্দা। এক মুঠো ভাত আর এক টুকরো মাংসের আশায় লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন কয়েকশ মানুষ। সকাল থেকে কয়েক কিলোমিটার পায়ে হেটে খাবারের সন্ধানে আসেন অনেকে।

জাতিসংঘ প্রতিনিধি বলছেন, গাজার জন্য সবচেয়ে জরুরি কাজ জটিলতা কমিয়ে উপত্যকায় ত্রান প্রবেশের পথ খুলে দেওয়া। মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও পুনর্গঠন একসঙ্গে চালাতে হবে।

পশ্চিম তীরেও অবস্থা গুরুতর। গেল এক বছরে তিনটি শরণার্থী শিবির ধ্বংস করেছে ইসরাইল। অভিযানের নামে দমন-পীড়ন, হত্যার ঘটনা চলছেই। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক ত্রাণ সংস্থা বলেছে, তীব্র অভাব ও গৃহহীন হয়ে পড়ছে মানুষ।

এদিকে গাজাকে নতুন করে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিউ গাজা’। ভূখণ্ডটিকে একেবারে নতুনভাবে পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে এতে। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ‘নিউ গাজা’ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘বোর্ড অব পিসে’র ঘোষণা দেওয়া হয়। এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এরপর স্লাইড শোতে দেখানো হয় ভূমধ্যসাগরের তীরজুড়ে সারি সারি উঁচু ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা। এতে রাফাহ এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্প থাকবে বলেও জানানো হয়। একটি মানচিত্রে দেখানো হয়, গাজার প্রায় ২১ লাখ মানুষের জন্য ধাপে ধাপে নতুন আবাসিক এলাকা, কৃষিজমি ও শিল্পাঞ্চল তৈরি করা হবে।