সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ সিলেটে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ১, সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপ,দুটি আবাসিক হোটেল সিলগালা সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাইপণ্য জব্দ,আটক ১

কার্ড ছাপানোর পরও বিয়ে ভেঙেছিল সালমানের, এখন কোথায় সেই পাত্রী?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫১ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক :

কেবল সিনেমার পর্দায় নয়; তার ব্যক্তিগত জীবনও অনেক বার খবরের শিরোনাম হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করে তিনি দর্শকের হৃদয় জয় করেন। তবে পর্দার বাইরে তার সম্পর্কগুলোও তার চলচ্চিত্রের মতোই আলোচিত হয়েছে। এই অভিনেত্রী আর কেউ নন, সংগীতা বিজলানি।

সংগীতার জীবনের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় ছিল সালমান খানের সঙ্গে তার সম্পর্ক। ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে তাদের পথ মিলিত হয় এবং তারা বলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটিতে পরিণত হন। বিয়ের প্রস্তুতির গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এমনকি সেই সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তাদের বিয়ের কার্ডও তৈরি হয়েছিল। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তারা বন্ধনে জড়াননি, সেটা আজও বড় রহস্য। বিচ্ছেদের পরও তারা উষ্ণ বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন। সালমান পরবর্তী সময়ে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিয়ে হয়নি।

সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর সংগীতার প্রেম হয় সাবেক ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের সঙ্গে। ১৯৯৬ সালে আজহারউদ্দিনের প্রথম বিবাহবিচ্ছেদের পর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম দিকে জীবন শান্তিপূর্ণ ছিল; সংগীতা চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গিয়ে পরিবারকে সময় দেন।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল দেখা দেয় এবং ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবন যাপনের পর ২০১০ সালে তারা বিচ্ছেদ ঘটান।

৬৫ বছর বয়সি সংগীতা বিজলানি এখন নিজের জীবনকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলেছেন। তিনি ফিটনেস, যোগব্যায়াম, আধ্যাত্মিকতা আর ভ্রমণে মনোনিবেশ করেছেন। মিডিয়ায় নতুন সম্পর্কের গুজব থাকলেও তিনি সব সময় বলেন যে, তার জীবন নিজের মতো করে সুখী ও পূর্ণ। সালমান খান পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী। প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায় তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কার্ড ছাপানোর পরও বিয়ে ভেঙেছিল সালমানের, এখন কোথায় সেই পাত্রী?

আপডেট সময় : ০৫:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক :

কেবল সিনেমার পর্দায় নয়; তার ব্যক্তিগত জীবনও অনেক বার খবরের শিরোনাম হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করে তিনি দর্শকের হৃদয় জয় করেন। তবে পর্দার বাইরে তার সম্পর্কগুলোও তার চলচ্চিত্রের মতোই আলোচিত হয়েছে। এই অভিনেত্রী আর কেউ নন, সংগীতা বিজলানি।

সংগীতার জীবনের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় ছিল সালমান খানের সঙ্গে তার সম্পর্ক। ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে তাদের পথ মিলিত হয় এবং তারা বলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটিতে পরিণত হন। বিয়ের প্রস্তুতির গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এমনকি সেই সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তাদের বিয়ের কার্ডও তৈরি হয়েছিল। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তারা বন্ধনে জড়াননি, সেটা আজও বড় রহস্য। বিচ্ছেদের পরও তারা উষ্ণ বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন। সালমান পরবর্তী সময়ে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিয়ে হয়নি।

সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর সংগীতার প্রেম হয় সাবেক ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের সঙ্গে। ১৯৯৬ সালে আজহারউদ্দিনের প্রথম বিবাহবিচ্ছেদের পর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম দিকে জীবন শান্তিপূর্ণ ছিল; সংগীতা চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গিয়ে পরিবারকে সময় দেন।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল দেখা দেয় এবং ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবন যাপনের পর ২০১০ সালে তারা বিচ্ছেদ ঘটান।

৬৫ বছর বয়সি সংগীতা বিজলানি এখন নিজের জীবনকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলেছেন। তিনি ফিটনেস, যোগব্যায়াম, আধ্যাত্মিকতা আর ভ্রমণে মনোনিবেশ করেছেন। মিডিয়ায় নতুন সম্পর্কের গুজব থাকলেও তিনি সব সময় বলেন যে, তার জীবন নিজের মতো করে সুখী ও পূর্ণ। সালমান খান পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী। প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায় তাদের।