সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গ্যাসের তীব্র সংকট : লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিলেটের সাবেক দুই ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ময়লার স্তুপে পাওয়া খণ্ডিত পায়ের পাতা নিয়ে আতঙ্ক সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ

যে দেশে মানুষের চেয়ে বিড়াল বেশি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ভূমধ্যসাগরের পূর্ব কোণের ছোট্ট দ্বীপদেশ সাইপ্রাস। দেশটির মোট জনসংখ্যা ১০ লাখের কিছু বেশি। ইউরোপীয় ইউনিয়নটি এক অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছে।  দেশটিতে এখন মানুষপ্রতি একটি বিড়াল।  খবর এপি’র। 

যদিও কেউ কেউ দাবি করেন, আদতে বিড়ালের সংখ্যা মানুষের চেয়েও বেশি।

মধুর এ যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে সাইপ্রাসে সরকারিভাবে বিড়ালের জন্মহার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু আছে। কিন্তু এরপরও বিড়ালের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। তাই দাবি উঠেছে, বিড়ালের প্রজননক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করতে বর্তমান প্রকল্প যথেষ্ট নয়।

গত মাসের শেষের দিকে সাইপ্রাসের পার্লামেন্টের পরিবেশবিষয়ক কমিটি থেকেই এই দাবি তোলা হয়। পরিবেশ কমিশনার অ্যান্টোনিয়া থিওদোসিওউ বলেন, এটা (বর্তমান) ভালো প্রকল্প, কিন্তু এর আরও বিস্তার ঘটানো দরকার।

বর্তমান প্রকল্পে বছরে মাত্র দুই হাজার বিড়ালকে স্টেরিলাইজেশন বা প্রজনন অক্ষম করা হয়। এ জন্য বাজেটে বরাদ্দ মাত্র এক লাখ ইউরো।

সাইপ্রাসে বিড়াল ও মানুষের সংখ্যাগত অনুপাত ঠিক কত, তার আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে পরিবেশ কমিশনার থিওদোসিওউ বলেন, সাইপ্রাসকে এখন সবাই মানুষের চেয়ে বেশি বিড়াল থাকা দেশ হিসেবে চেনে।

পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, তাতে বিড়ালকে প্রজনন অক্ষম করার প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ বাড়াতেই হবে। কিন্তু শুধু অর্থ বরাদ্দ বাড়িয়ে বিড়াল সমস্যার সমাধান কি সম্ভব?

সাইপ্রাসের মানুষ বিড়ালপ্রেমী। বিড়ালের প্রতি তাদের ভালোবাসার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এ কারণে দেশটিতে সড়কের পাশে বিড়ালের খাবারভর্তি পাত্র আর সেগুলোর জন্য ছোট ছোট ঘর দেখা যায়।

সাইপ্রাসের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তির একটি হচ্ছে পর্যটন। প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক বিড়াল দেখতে দেশটিতে আসেন। তাই বিড়ালের জন্মহার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যে দেশে মানুষের চেয়ে বিড়াল বেশি

আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ভূমধ্যসাগরের পূর্ব কোণের ছোট্ট দ্বীপদেশ সাইপ্রাস। দেশটির মোট জনসংখ্যা ১০ লাখের কিছু বেশি। ইউরোপীয় ইউনিয়নটি এক অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছে।  দেশটিতে এখন মানুষপ্রতি একটি বিড়াল।  খবর এপি’র। 

যদিও কেউ কেউ দাবি করেন, আদতে বিড়ালের সংখ্যা মানুষের চেয়েও বেশি।

মধুর এ যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে সাইপ্রাসে সরকারিভাবে বিড়ালের জন্মহার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু আছে। কিন্তু এরপরও বিড়ালের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। তাই দাবি উঠেছে, বিড়ালের প্রজননক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করতে বর্তমান প্রকল্প যথেষ্ট নয়।

গত মাসের শেষের দিকে সাইপ্রাসের পার্লামেন্টের পরিবেশবিষয়ক কমিটি থেকেই এই দাবি তোলা হয়। পরিবেশ কমিশনার অ্যান্টোনিয়া থিওদোসিওউ বলেন, এটা (বর্তমান) ভালো প্রকল্প, কিন্তু এর আরও বিস্তার ঘটানো দরকার।

বর্তমান প্রকল্পে বছরে মাত্র দুই হাজার বিড়ালকে স্টেরিলাইজেশন বা প্রজনন অক্ষম করা হয়। এ জন্য বাজেটে বরাদ্দ মাত্র এক লাখ ইউরো।

সাইপ্রাসে বিড়াল ও মানুষের সংখ্যাগত অনুপাত ঠিক কত, তার আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে পরিবেশ কমিশনার থিওদোসিওউ বলেন, সাইপ্রাসকে এখন সবাই মানুষের চেয়ে বেশি বিড়াল থাকা দেশ হিসেবে চেনে।

পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, তাতে বিড়ালকে প্রজনন অক্ষম করার প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ বাড়াতেই হবে। কিন্তু শুধু অর্থ বরাদ্দ বাড়িয়ে বিড়াল সমস্যার সমাধান কি সম্ভব?

সাইপ্রাসের মানুষ বিড়ালপ্রেমী। বিড়ালের প্রতি তাদের ভালোবাসার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এ কারণে দেশটিতে সড়কের পাশে বিড়ালের খাবারভর্তি পাত্র আর সেগুলোর জন্য ছোট ছোট ঘর দেখা যায়।

সাইপ্রাসের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তির একটি হচ্ছে পর্যটন। প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক বিড়াল দেখতে দেশটিতে আসেন। তাই বিড়ালের জন্মহার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।