ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান যেসব কারণে এই গরমে দই খাওয়া জরুরি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী তেল ছাড়াই ১২০ কিমি. গেল রতনের ‘বাইক’ এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া হবিগঞ্জ মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৫ সিলেট জৈন্তাপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, আটক ১ হবিগঞ্জ বনবিভাগের অভিযানে পাচার করা আকাশমনি কাঠ জব্দ সিলেট রবিবার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এখনো ব্যাংক হিসাব নম্বর ও ব্যাংকের নাম জমা দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন শর্ত অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব নম্বর ও ব্যাংকের নাম দিতে হয় ইসিতে।

জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল গত ৩১ জুলাই নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ২০২৪ পঞ্জিকাবর্ষের আয়-ব্যয়ের যে হিসাব জমা দেয়। তাতে দেখা গেছে, এ নিবন্ধন ফিরে পাওয়া দলটি অভ্যুত্থানের বছরে আয় আর ব্যয়ের হিসাবে সব দলকে ছাড়িয়ে গেছে।

জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর নিয়ে জানতে চাইলে গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছিলেন, সম্প্রতি দলটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন দিয়েছে। তাতে দলটির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর নির্দিষ্ট করে উল্লেখ নেই।

পাশাপাশি নিবন্ধন ফরমে শর্তে বলা রয়েছে- দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর লাগবে। জামায়াতের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর না থাকার বিষয়টি ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে কমিশনে এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে বলেন, অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি আমাদের দলের অর্থ বিভাগ দেখভাল করেছে। অ্যাকাউন্ট নম্বর না থাকার ব্যাপারে খোঁজ নেব।

বৃহস্পতিবার বিকালে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দলের সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

২০২৪ সালে ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা আয়ের বিপরীতে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা ব্যয় দেখিয়েছে জামায়াত।

দলটি বলছে, কর্মীদের চাঁদা থেকেই তারা আয় করেছে সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। আর কর্মীদের বেতন-ভাতা দিতে গিয়েই তাদের সবচেয়ে বেশি, সাড়ে ৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আয়ের এই অংক বিএনপির প্রায় দ্বিগুণ, জাতীয় পার্টির প্রায় ১১গুণ বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এখনো ব্যাংক হিসাব নম্বর ও ব্যাংকের নাম জমা দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন শর্ত অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব নম্বর ও ব্যাংকের নাম দিতে হয় ইসিতে।

জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল গত ৩১ জুলাই নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ২০২৪ পঞ্জিকাবর্ষের আয়-ব্যয়ের যে হিসাব জমা দেয়। তাতে দেখা গেছে, এ নিবন্ধন ফিরে পাওয়া দলটি অভ্যুত্থানের বছরে আয় আর ব্যয়ের হিসাবে সব দলকে ছাড়িয়ে গেছে।

জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর নিয়ে জানতে চাইলে গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছিলেন, সম্প্রতি দলটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন দিয়েছে। তাতে দলটির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর নির্দিষ্ট করে উল্লেখ নেই।

পাশাপাশি নিবন্ধন ফরমে শর্তে বলা রয়েছে- দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর লাগবে। জামায়াতের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর না থাকার বিষয়টি ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে কমিশনে এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে বলেন, অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি আমাদের দলের অর্থ বিভাগ দেখভাল করেছে। অ্যাকাউন্ট নম্বর না থাকার ব্যাপারে খোঁজ নেব।

বৃহস্পতিবার বিকালে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দলের সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

২০২৪ সালে ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা আয়ের বিপরীতে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা ব্যয় দেখিয়েছে জামায়াত।

দলটি বলছে, কর্মীদের চাঁদা থেকেই তারা আয় করেছে সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। আর কর্মীদের বেতন-ভাতা দিতে গিয়েই তাদের সবচেয়ে বেশি, সাড়ে ৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আয়ের এই অংক বিএনপির প্রায় দ্বিগুণ, জাতীয় পার্টির প্রায় ১১গুণ বেশি।