সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ২২ বাংলাদেশি বন্দিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া কোম্পানীগঞ্জ অপরাধীদের পুলিশের কঠোর বার্তা সিলেটে খুললো সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের শরীরে হাম রোগ শনাক্ত সিলেট ডিসি সারওয়ারের ‘পাথরকাণ্ডে’ শুরু, ‘ডেগকাণ্ডে’ সমাপ্তি সিলেট শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৪ দিনে সাড়ে ১৭ লাখ টাকাসহ সোনা জমা ট্রাফিক সপ্তাহ-২০২৬ এর সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সিলেট মহানগরীর সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ডিসি সারওয়ারকে পদায়ন করল সরকার সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে সিলেটের দুই মাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নতুন দানবাক্স স্থাপন ও পূর্বের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা

গাজায় অনাহারে ১০ লাখ নারী ও শিশু: জাতিসংঘ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু অনাহারে আছে।  কেননা, অঞ্চলটিতে মানবকি সংকট আরও খারাপ হচ্ছে।  সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  খবর সংবাদ সংস্থা মেহের’র। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় দশ লাখ নারী ও কন্যাশিশু অনাহারে রয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি অগ্রহণযোগ্য এবং এর অবসান হওয়া উচিত।

প্রেস টিভি অনুসারে, জাতিসংঘ সব নারী ও কন্যাশিশুদের জীবন রক্ষাকারী সাহায্য পৌঁছে দেওয়া, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং সকল বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

এর আগে গত রোববার গাজায় আরও সাহায্য প্রবেশের জন্য বিমান হামলায় আংশিক বিরতি ঘোষণা করে ইসরাইল।  ব্যাপক অনাহার এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক নিন্দার পর এ পদক্ষেপ নেয় তেল আবিব। 

তবে, মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে,  উপকূলীয় ছিটমহলে প্রবেশকারী সাহায্য অত্যন্ত অপর্যাপ্ত।  পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ না হলে অনাহারে মৃত্যু আরও বাড়বে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাগুলো। 

বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) নিশ্চিত করেছে,  গাজার কিছু অংশে, বিশেষ করে গাজা শহরে দুর্ভিক্ষের সীমা অতিক্রম করেছে। এটি এই পরিস্থিতিকে অবরুদ্ধ উপত্যকার ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে আইপিসি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর গাজায় ৭৪টি অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর মধ্যে ৬৩টিই ঘটেছে শুধুমাত্র জুলাই মাসে, যার মধ্যে ৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচ বছরের কম বয়সি ২৪ জন শিশু রয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, অনাহারজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ৯৩টিই শিশু।

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ‘অনাহার’কে বন্ধ করার জন্য ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। 

গাজায় একদিনে ১১৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইল

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে ১১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।  আহত হয়েছেন আরও  ৮৬৬ জন।  এর মধ্য দিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ হাজার ৮৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৩ আগস্ট) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  খবর সংবাদ সংস্থা আনাদোলু’র। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ৬০ হাজার ৮৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ১১৯টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৮৬৬ জন। যার ফলে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ২৯০টি মৃতদেহ যাচাই করে নিবন্ধন করার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে না পারায় এখনও অনেক ভুক্তভোগী ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়েছেন। 

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫১১ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।  এর মধ্য দিয়ে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১ হাজার ৪৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে।  আর গত ২৭ মে থেকে আহত হয়েছেন আরও ১০ হাজার ৫৭৮ জন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যোদ্ধারা।  এদিন ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।

হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। 

কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। পুনরায় শুরু করা এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৩৫০ নিহত এবং ৩৭ হাজার ৫৪৭ জন আহত হয়েছেন। 

এছাড়া গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।  পাশাপাশি উপত্যকাটিতে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও রয়েছে ইসরাইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজায় অনাহারে ১০ লাখ নারী ও শিশু: জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু অনাহারে আছে।  কেননা, অঞ্চলটিতে মানবকি সংকট আরও খারাপ হচ্ছে।  সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  খবর সংবাদ সংস্থা মেহের’র। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় দশ লাখ নারী ও কন্যাশিশু অনাহারে রয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি অগ্রহণযোগ্য এবং এর অবসান হওয়া উচিত।

প্রেস টিভি অনুসারে, জাতিসংঘ সব নারী ও কন্যাশিশুদের জীবন রক্ষাকারী সাহায্য পৌঁছে দেওয়া, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং সকল বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

এর আগে গত রোববার গাজায় আরও সাহায্য প্রবেশের জন্য বিমান হামলায় আংশিক বিরতি ঘোষণা করে ইসরাইল।  ব্যাপক অনাহার এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক নিন্দার পর এ পদক্ষেপ নেয় তেল আবিব। 

তবে, মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে,  উপকূলীয় ছিটমহলে প্রবেশকারী সাহায্য অত্যন্ত অপর্যাপ্ত।  পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ না হলে অনাহারে মৃত্যু আরও বাড়বে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাগুলো। 

বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) নিশ্চিত করেছে,  গাজার কিছু অংশে, বিশেষ করে গাজা শহরে দুর্ভিক্ষের সীমা অতিক্রম করেছে। এটি এই পরিস্থিতিকে অবরুদ্ধ উপত্যকার ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে আইপিসি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর গাজায় ৭৪টি অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর মধ্যে ৬৩টিই ঘটেছে শুধুমাত্র জুলাই মাসে, যার মধ্যে ৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচ বছরের কম বয়সি ২৪ জন শিশু রয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, অনাহারজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ৯৩টিই শিশু।

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ‘অনাহার’কে বন্ধ করার জন্য ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। 

গাজায় একদিনে ১১৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইল

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে ১১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।  আহত হয়েছেন আরও  ৮৬৬ জন।  এর মধ্য দিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ হাজার ৮৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৩ আগস্ট) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  খবর সংবাদ সংস্থা আনাদোলু’র। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ৬০ হাজার ৮৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ১১৯টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৮৬৬ জন। যার ফলে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ২৯০টি মৃতদেহ যাচাই করে নিবন্ধন করার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে না পারায় এখনও অনেক ভুক্তভোগী ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়েছেন। 

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫১১ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।  এর মধ্য দিয়ে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১ হাজার ৪৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে।  আর গত ২৭ মে থেকে আহত হয়েছেন আরও ১০ হাজার ৫৭৮ জন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যোদ্ধারা।  এদিন ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।

হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। 

কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। পুনরায় শুরু করা এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৩৫০ নিহত এবং ৩৭ হাজার ৫৪৭ জন আহত হয়েছেন। 

এছাড়া গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।  পাশাপাশি উপত্যকাটিতে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও রয়েছে ইসরাইল।