সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক সিলেট জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশনের সেমিনারে- বাণিজ্যমন্ত্রী

পেনশন ভোগান্তি বন্ধে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

পেনশন ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

রাজস্বখাতে নিয়মিত করা কর্মচারীদের পেনশন ভোগান্তি, প্রশাসনিক জটিলতা ও আর্থিক হয়রানি বন্ধে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

দাবি আদায়ে আগামী ২৩ অক্টোবর অর্থ উপদেষ্টার কাছে, ২৭ অক্টোবর আইন উপদেষ্টার কাছে এবং ৩০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি। এরপরও দাবি আদায় না হলে আগামী ২ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন, ৯ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সুধী সমাবেশ ও ১৭ নভেম্বর দাবি আদায়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অর্থ বিভাগের জারি করা দুই চিঠির কারণে শত শত কর্মচারীর পেনশন ও আনুতোষিকের টাকা অমানবিক ও অন্যায়ভাবে কেটে নেওয়া হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী অধিকাংশ কর্মচারী চাকরির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী নিয়মিত করা কর্মচারীর বেতন, ছুটি, পেনশন ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রকল্পে যোগদানের তারিখ থেকে চাকরিকাল গণনা হয়ে আসছে। বর্তমানে অর্থ বিভাগের বিতর্কিত দুই চিঠি কর্মচারীদের পেশাগত জীবন ও অবসর জীবনকে অশান্ত ও হুমকির মুখে ফেলেছে। দিন দিন বৈষম্য ও জটিলতা আরও ঘনীভূত করে তুলছে।

মো. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, যে দুই চিঠির বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছিল, সে চিঠি আদালত কর্তৃক ২০১২ সালে বাতিল করা হলেও বিষয়টি আজও নিষ্পত্তি হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধিতে আনুষঙ্গিক সুবিধাদি বলতে কী কী বোঝানো হয়েছে তার ব্যাখ্যা আজও দেওয়া হয়নি। এমনকি আপিল বিভাগ, রিভিউ, ফারদার রিভিউয়ের সব ধাপ সম্পন্ন হলেও অবৈধ ও অকার্যকর ঘোষিত অর্থ বিভাগের চিঠি দুটি আজও বহাল রয়েছে। এর ফলে সারাদেশে হিসাবরক্ষণ অফিসগুলো শত শত অবসর ও পেনশনমুখী কর্মচারীদের পেনশন ভোগান্তি ও হয়রানি করে চলেছে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পেনশন ভোগান্তি বন্ধে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ০১:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

পেনশন ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

রাজস্বখাতে নিয়মিত করা কর্মচারীদের পেনশন ভোগান্তি, প্রশাসনিক জটিলতা ও আর্থিক হয়রানি বন্ধে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

দাবি আদায়ে আগামী ২৩ অক্টোবর অর্থ উপদেষ্টার কাছে, ২৭ অক্টোবর আইন উপদেষ্টার কাছে এবং ৩০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি। এরপরও দাবি আদায় না হলে আগামী ২ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন, ৯ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সুধী সমাবেশ ও ১৭ নভেম্বর দাবি আদায়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অর্থ বিভাগের জারি করা দুই চিঠির কারণে শত শত কর্মচারীর পেনশন ও আনুতোষিকের টাকা অমানবিক ও অন্যায়ভাবে কেটে নেওয়া হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী অধিকাংশ কর্মচারী চাকরির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী নিয়মিত করা কর্মচারীর বেতন, ছুটি, পেনশন ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রকল্পে যোগদানের তারিখ থেকে চাকরিকাল গণনা হয়ে আসছে। বর্তমানে অর্থ বিভাগের বিতর্কিত দুই চিঠি কর্মচারীদের পেশাগত জীবন ও অবসর জীবনকে অশান্ত ও হুমকির মুখে ফেলেছে। দিন দিন বৈষম্য ও জটিলতা আরও ঘনীভূত করে তুলছে।

মো. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, যে দুই চিঠির বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছিল, সে চিঠি আদালত কর্তৃক ২০১২ সালে বাতিল করা হলেও বিষয়টি আজও নিষ্পত্তি হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধিতে আনুষঙ্গিক সুবিধাদি বলতে কী কী বোঝানো হয়েছে তার ব্যাখ্যা আজও দেওয়া হয়নি। এমনকি আপিল বিভাগ, রিভিউ, ফারদার রিভিউয়ের সব ধাপ সম্পন্ন হলেও অবৈধ ও অকার্যকর ঘোষিত অর্থ বিভাগের চিঠি দুটি আজও বহাল রয়েছে। এর ফলে সারাদেশে হিসাবরক্ষণ অফিসগুলো শত শত অবসর ও পেনশনমুখী কর্মচারীদের পেনশন ভোগান্তি ও হয়রানি করে চলেছে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।