সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৯ সিলেটে ৩ ফার্মেসিতে অভিযান, অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা সিলেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করতে চাই: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট ট্রিপল মার্ডার বাবুলকে ২ দিনের রিমান্ডে সিলেট নগর ভবনে জাসাস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেট মদীনা মার্কেট এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সবার সহযোগিতায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়তে চাই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সিলেট কারাগার পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব – মনজুর মোর্শেদ স্ব স্ব ধর্ম পালনে কোনো বাধা নেই,, এটাই বাংলাদেশ- কয়েস লোদী

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

চার্জার ও মুঠোফোনের আলোয় খুলেছে কিছু দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা,

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের তিন নম্বর গেট এলাকার কিছু দোকানে কেনাবেচা শুরু হয়েছে।তবে মার্কেটের অধিকাংশ গেট বন্ধ থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি খুবই কম।ব্যবসায়ীরা বলছেন,গেটগুলো খুলে দিলে ক্রেতারা আসতে পারবেন,বেচাকেনা হবে।আজ মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা গেছে, মার্কেটের পূর্ব দিকের কিছু দোকান খুলেছেন ব্যবসায়ীরা।তবে বিদ্যুতের সংযোগ নেই।বিক্রেতারা চার্জার লাইট ও মুঠোফোনের আলো দিয়ে দোকান চালু করেছেন। অধিকাংশ দোকানে ক্রেতা নেই বললেই চলে।

মার্কেটের পশ্চিম পাশের তিন নম্বর গেট এলাকায় আলো–বাতাস থাকায় সেখানে লাইট না থাকলেও দোকান খুলে কেনাবেচা শুরু করতে পারছেন ব্যবসায়ীরা।এ ছাড়া মার্কেটের কিছু দোকানে জেনারেটর চালিয়ে একটি বৈদ্যুতিক পাখা ও বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে মালিক সমিতি।মার্কেটের নিচতলার আশীর্বাদ বস্ত্রবিতানের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,এই সময় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি হয়।গতকাল ১ হাজার ৮০০ টাকা বিক্রি করেছিলাম।মার্কেটে তিন নম্বর গেট বন্ধ থাকার ক্রেতারা আসতে পারছেন না।মার্কেটের দ্বিতীয় তলার কালার ক্লথ দোকানের বিক্রয়কর্মী নূর মোহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন,দোকান খুলেছি, তবে কেনাবেচা সেভাবে শুরু হয়নি।

কেনাবেচা করতে পারলে মালিক বেতন ও বোনাস দিত।পরিবার নিয়ে ঈদ করতে পারতাম। কেনাবেচার যে অবস্থা,মালিকের কাছে বেতন চাইতে নিজের কাছে খারাপ লাগছে।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিউ সুপার মার্কেট পরিদর্শনে যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তদন্ত কমিটি।কমিটির সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টা মার্কেটটি ঘুরে দেখেন।পরিদর্শনে এসে তদন্ত কমিটির সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও মার্কেটের বিদ্যুৎ লাইনগুলো খতিয়ে দেখেন।এ সময় তাঁরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য বলেন,তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মার্কেটের বিদ্যুৎ লাইনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা চালু হবে।তবে ঈদের আগে সেটা হচ্ছে না।তিনি বলেন, তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের ভেতরে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। আজকে শেষ কর্মদিবস। তদন্ত শেষ হয়নি,তাই প্রতিবেদন ঈদের পরে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট

আপডেট সময় : ০৩:০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

চার্জার ও মুঠোফোনের আলোয় খুলেছে কিছু দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা,

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের তিন নম্বর গেট এলাকার কিছু দোকানে কেনাবেচা শুরু হয়েছে।তবে মার্কেটের অধিকাংশ গেট বন্ধ থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি খুবই কম।ব্যবসায়ীরা বলছেন,গেটগুলো খুলে দিলে ক্রেতারা আসতে পারবেন,বেচাকেনা হবে।আজ মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা গেছে, মার্কেটের পূর্ব দিকের কিছু দোকান খুলেছেন ব্যবসায়ীরা।তবে বিদ্যুতের সংযোগ নেই।বিক্রেতারা চার্জার লাইট ও মুঠোফোনের আলো দিয়ে দোকান চালু করেছেন। অধিকাংশ দোকানে ক্রেতা নেই বললেই চলে।

মার্কেটের পশ্চিম পাশের তিন নম্বর গেট এলাকায় আলো–বাতাস থাকায় সেখানে লাইট না থাকলেও দোকান খুলে কেনাবেচা শুরু করতে পারছেন ব্যবসায়ীরা।এ ছাড়া মার্কেটের কিছু দোকানে জেনারেটর চালিয়ে একটি বৈদ্যুতিক পাখা ও বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে মালিক সমিতি।মার্কেটের নিচতলার আশীর্বাদ বস্ত্রবিতানের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,এই সময় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি হয়।গতকাল ১ হাজার ৮০০ টাকা বিক্রি করেছিলাম।মার্কেটে তিন নম্বর গেট বন্ধ থাকার ক্রেতারা আসতে পারছেন না।মার্কেটের দ্বিতীয় তলার কালার ক্লথ দোকানের বিক্রয়কর্মী নূর মোহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন,দোকান খুলেছি, তবে কেনাবেচা সেভাবে শুরু হয়নি।

কেনাবেচা করতে পারলে মালিক বেতন ও বোনাস দিত।পরিবার নিয়ে ঈদ করতে পারতাম। কেনাবেচার যে অবস্থা,মালিকের কাছে বেতন চাইতে নিজের কাছে খারাপ লাগছে।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিউ সুপার মার্কেট পরিদর্শনে যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তদন্ত কমিটি।কমিটির সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টা মার্কেটটি ঘুরে দেখেন।পরিদর্শনে এসে তদন্ত কমিটির সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও মার্কেটের বিদ্যুৎ লাইনগুলো খতিয়ে দেখেন।এ সময় তাঁরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য বলেন,তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মার্কেটের বিদ্যুৎ লাইনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা চালু হবে।তবে ঈদের আগে সেটা হচ্ছে না।তিনি বলেন, তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের ভেতরে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। আজকে শেষ কর্মদিবস। তদন্ত শেষ হয়নি,তাই প্রতিবেদন ঈদের পরে দেওয়া হবে।