সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ তালিকার শীর্ষে জাফলং,পর্যটনকেন্দ্র থেকে অবাধে পাথরলুট ও পরিবেশ ধ্বংসের কারণে প্রকৃতির বিনাশ- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক

কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় ৬ জনের ফাঁসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

নাটোর প্রতিনিধি,

নাটোরের সিংড়ায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাটোর জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ আদেশ দেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. সাব্বির আহমেদ,মো. রেজাউনুল ওরফে রাব্বী,মো.নাজমুল হক,মো. রাজিবুল হাসান, মো. রিপন ও মো. শহিদুল ইসলাম।যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা হলেন মো. মনিরুল ইসলাম,মো.খায়রুল ইসলাম,আতাউল ইসলাম, মো. রেজাউল করিম।জরিমানার পুরো টাকা সেই কলেজছাত্রীকে দেওয়ার জন্য নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। মামলাসূত্রে জানা গেছে,২০১২ সালে ওই মেয়ে রাজশাহীর একটি সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত।২০১২ সালের ১৯ অক্টোবর কলেজে জরুরি কাজের কথা বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।এ সময় পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মো.সাব্বির আহমেদ তাকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে সিংড়া পেট্রোবাংলা এলাকায় অবস্থিত একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখান থেকে অন্য আসামিসহ দুটি ভ্যান গাড়িতে করে বেড়ানোর কথা বলে উপজেলার কলম মির্জাপুর গ্রামের দিকে নিয়ে যায়। 

পরে সবাই মিলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলম মির্জাপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পাশে নিয়ে দফায় দফায় গণধর্ষণ করে। পরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় এবং পুলিশ ও তার পরিবারকে খবর দেয়।এ বিষয়ে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে ১১ জনের নামে মামলা করলে আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে নাসির নামে একজনকে খালাস এবং অপর ১০ জনকে দণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় মো. সাব্বির আহমেদ, রাজিবুল হাসান খালাসপ্রাপ্ত নাসির পলাতক ছিলেন।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট নাজমুল হক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।উভয় আইনজীবী রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় ৬ জনের ফাঁসি

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩

নাটোর প্রতিনিধি,

নাটোরের সিংড়ায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাটোর জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ আদেশ দেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. সাব্বির আহমেদ,মো. রেজাউনুল ওরফে রাব্বী,মো.নাজমুল হক,মো. রাজিবুল হাসান, মো. রিপন ও মো. শহিদুল ইসলাম।যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা হলেন মো. মনিরুল ইসলাম,মো.খায়রুল ইসলাম,আতাউল ইসলাম, মো. রেজাউল করিম।জরিমানার পুরো টাকা সেই কলেজছাত্রীকে দেওয়ার জন্য নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। মামলাসূত্রে জানা গেছে,২০১২ সালে ওই মেয়ে রাজশাহীর একটি সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত।২০১২ সালের ১৯ অক্টোবর কলেজে জরুরি কাজের কথা বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।এ সময় পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মো.সাব্বির আহমেদ তাকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে সিংড়া পেট্রোবাংলা এলাকায় অবস্থিত একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখান থেকে অন্য আসামিসহ দুটি ভ্যান গাড়িতে করে বেড়ানোর কথা বলে উপজেলার কলম মির্জাপুর গ্রামের দিকে নিয়ে যায়। 

পরে সবাই মিলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলম মির্জাপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পাশে নিয়ে দফায় দফায় গণধর্ষণ করে। পরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় এবং পুলিশ ও তার পরিবারকে খবর দেয়।এ বিষয়ে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে ১১ জনের নামে মামলা করলে আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে নাসির নামে একজনকে খালাস এবং অপর ১০ জনকে দণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় মো. সাব্বির আহমেদ, রাজিবুল হাসান খালাসপ্রাপ্ত নাসির পলাতক ছিলেন।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট নাজমুল হক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।উভয় আইনজীবী রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।