সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ তালিকার শীর্ষে জাফলং,পর্যটনকেন্দ্র থেকে অবাধে পাথরলুট ও পরিবেশ ধ্বংসের কারণে প্রকৃতির বিনাশ- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক

সুনামগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে ‘সুড়ঙ্গ’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে জমকালো আয়োজনে হয়েছিল ‘সুড়ঙ্গ’র মহরত। চরকি ও আলফা আই স্টুডিওজের এই সিনেমা দিয়েই বড় পর্দায় আসছেন আফরান নিশো। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই শুটিং শুরু করেন রায়হান রাফী। সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় দিন দশেক শুটিং করে ফিরে আসে টিম। এবার শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। এই পর্বের জন্য নির্মাতা-শিল্পী-কলাকুশলীরা উড়াল দিয়েছেন চট্টগ্রামে।

প্রেক্ষাগৃহের জন্য নির্মীয়মান এই সিনেমায় নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তমা মির্জা। ওটিটি, টিভি, ইউটিউব—নানা মাধ্যমের বিভিন্ন কনটেন্টের জন্য বহুবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন নিশো। তবে বড় পর্দার জন্য এই প্রথম।

সুড়ঙ্গ’ সিনেমার শুটিংয়ে নিশোছবি।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে বলেন,অবশ্যই অন্য রকম একটা অনুভূতি কাজ করছে।এটা আমার প্রথম সিনেমা। সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় আমরা সবাই মিলে প্রায় ১০ দিন শুট করেছি। সবার থাকা-খাওয়ার খুব কষ্ট ছিল। আমাদের সবার অনেক পরিশ্রম হলেও ভিজ্যুয়ালি বা পারফরম্যান্সে দর্শক উপভোগ্য,রুচিশীল,মার্জিত কিছু দেখতে পাবেন।’চরিত্রটি কতটা চ্যালেঞ্জিং?এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,পরিচালক রাফীর সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। আমি সব সময় চেষ্টা করি,পরিচালকের সঙ্গে আরাম করে কাজ করতে। এ জন্য আমরা অনেক আলোচনা করে জেনে-বুঝে কাজটা করেছি।নিশো জানান, ‘এখনো দুই পর্যায়ের শুটিং বাকি আছে।যে পরিশ্রম করছি, সেটা দর্শক আমাদের কাজে দেখতে পাবেন।

ওটিটিতে আলোচিত অভিনেত্রীদের একজন এখন তমা মির্জা।সুড়ঙ্গর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক বছর পর এ রকম কষ্ট করে শুটিং করেছি। শুধু আমি নই,পুরো টিম শুটিংটা করতে গিয়ে অনেক কষ্ট করেছে। তারপরও শান্তির জায়গা একটাই যে আমরা যতটুকু শুট করেছি, তাতে কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি। যা–ই হোক না কেন,দিন শেষে কাজটা যে ভালো হচ্ছে,এটাই আমাদের পাওয়া।নিশোর সঙ্গে কাজ করে কেমন লেগেছে, জানতে চাইলে তমা মির্জা বলেন,এই সিনেমায় আমার চরিত্রটা একটু ট্রিকি। পরিচালক রাফীর সঙ্গে আমার আগে বেশ কিছু কাজ হয়েছে। তিনি খুবই হেল্পফুল। নিশো ভাইয়ের সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। তিনি আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন,তিনি আমার কাজটাকে আরও সহজ করে দিয়েছেন।

পরিচালক রায়হান রাফী বলেন,সুড়ঙ্গ” সিনেমার প্রথম কিস্তির শুটিং শেষ করেছি।এই কিস্তিতে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল লোকেশন। একদম ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শুট। সেখানে বছরের অর্ধেক সময় পানি থাকে, বাকি সময় মাটি। সেখানে সেট বানানো শুট করা পুরো ব্যাপারটাই ছিল কষ্টের। প্রায় ২০০ জনের টিম নিয়ে সেখানে কাজ করাটা আমার জন্য বিশাল এক চ্যালেঞ্জ। এখন আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের শুটিং শুরু করব।এবারের শুটিং আমাদের জন্য আরও কঠিন হবে।

’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুনামগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে ‘সুড়ঙ্গ’

আপডেট সময় : ১০:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে জমকালো আয়োজনে হয়েছিল ‘সুড়ঙ্গ’র মহরত। চরকি ও আলফা আই স্টুডিওজের এই সিনেমা দিয়েই বড় পর্দায় আসছেন আফরান নিশো। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই শুটিং শুরু করেন রায়হান রাফী। সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় দিন দশেক শুটিং করে ফিরে আসে টিম। এবার শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। এই পর্বের জন্য নির্মাতা-শিল্পী-কলাকুশলীরা উড়াল দিয়েছেন চট্টগ্রামে।

প্রেক্ষাগৃহের জন্য নির্মীয়মান এই সিনেমায় নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তমা মির্জা। ওটিটি, টিভি, ইউটিউব—নানা মাধ্যমের বিভিন্ন কনটেন্টের জন্য বহুবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন নিশো। তবে বড় পর্দার জন্য এই প্রথম।

সুড়ঙ্গ’ সিনেমার শুটিংয়ে নিশোছবি।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে বলেন,অবশ্যই অন্য রকম একটা অনুভূতি কাজ করছে।এটা আমার প্রথম সিনেমা। সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় আমরা সবাই মিলে প্রায় ১০ দিন শুট করেছি। সবার থাকা-খাওয়ার খুব কষ্ট ছিল। আমাদের সবার অনেক পরিশ্রম হলেও ভিজ্যুয়ালি বা পারফরম্যান্সে দর্শক উপভোগ্য,রুচিশীল,মার্জিত কিছু দেখতে পাবেন।’চরিত্রটি কতটা চ্যালেঞ্জিং?এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,পরিচালক রাফীর সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। আমি সব সময় চেষ্টা করি,পরিচালকের সঙ্গে আরাম করে কাজ করতে। এ জন্য আমরা অনেক আলোচনা করে জেনে-বুঝে কাজটা করেছি।নিশো জানান, ‘এখনো দুই পর্যায়ের শুটিং বাকি আছে।যে পরিশ্রম করছি, সেটা দর্শক আমাদের কাজে দেখতে পাবেন।

ওটিটিতে আলোচিত অভিনেত্রীদের একজন এখন তমা মির্জা।সুড়ঙ্গর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক বছর পর এ রকম কষ্ট করে শুটিং করেছি। শুধু আমি নই,পুরো টিম শুটিংটা করতে গিয়ে অনেক কষ্ট করেছে। তারপরও শান্তির জায়গা একটাই যে আমরা যতটুকু শুট করেছি, তাতে কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি। যা–ই হোক না কেন,দিন শেষে কাজটা যে ভালো হচ্ছে,এটাই আমাদের পাওয়া।নিশোর সঙ্গে কাজ করে কেমন লেগেছে, জানতে চাইলে তমা মির্জা বলেন,এই সিনেমায় আমার চরিত্রটা একটু ট্রিকি। পরিচালক রাফীর সঙ্গে আমার আগে বেশ কিছু কাজ হয়েছে। তিনি খুবই হেল্পফুল। নিশো ভাইয়ের সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। তিনি আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন,তিনি আমার কাজটাকে আরও সহজ করে দিয়েছেন।

পরিচালক রায়হান রাফী বলেন,সুড়ঙ্গ” সিনেমার প্রথম কিস্তির শুটিং শেষ করেছি।এই কিস্তিতে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল লোকেশন। একদম ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শুট। সেখানে বছরের অর্ধেক সময় পানি থাকে, বাকি সময় মাটি। সেখানে সেট বানানো শুট করা পুরো ব্যাপারটাই ছিল কষ্টের। প্রায় ২০০ জনের টিম নিয়ে সেখানে কাজ করাটা আমার জন্য বিশাল এক চ্যালেঞ্জ। এখন আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের শুটিং শুরু করব।এবারের শুটিং আমাদের জন্য আরও কঠিন হবে।

’