সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১১২ সিলেটে বেড়েছে মৃত্যু, ৫ দিনে ১১ সিলেটের আধুনিক স্টেডিয়াম পরিদর্শনে সিউক চেয়ারম্যান সিলেটে জকিগঞ্জে মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভিযোগ ছাড়াই লাশ হস্তান্তর এসএমপি নির্মাণাধীন অফিসার মেস ও নির্মাণাধীন সদর দপ্তর, হিসাব শাখা এবং ড্রোন কার্যক্রম পরিদর্শন শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৬ উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্টিত সিলেটে ২৫০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল তিন মাসের মধ্যে চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার-স্বাস্থ্যমন্ত্রী যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে- সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কুড়িগ্রামে জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

৪০,এর পর সন্তান নিলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

মানুষের জীবনের লক্ষ্য পড়াশোনা, আর্থিক অবস্থাসহ নানা ধরনের ব্যক্তিগত বিষয়ের ওপরে সন্তান নেওয়ার আদর্শ সময় নির্ভর করে।সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্তটা একান্তই তার আর তার সঙ্গীর।একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি শুক্রাণু তৈরি হয়।একটি মেয়েশিশু জন্মের সময়ে নির্দিষ্টসংখ্যক ডিম্বাণুগুলো নিয়ে জন্মে। প্রতি মাসের মাসিক চক্রে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ব হয়,এর সঙ্গে আরও কিছু ডিম্বাণু এই প্রক্রিয়ায় পরিপক্ব হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে যায়।ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে।

জন্মের পর নারীদের শরীরে নতুন কোনো ডিম্বাণু তৈরি হয় না। তাই বয়স বেড়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে প্রজনন ক্ষমতা কমতে থাকে। একটি মেয়েশিশুর জন্মের সময় প্রথম দিকে ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু পরিমাণ থাকে ১০ থেকে ২০ লাখ। ধীরে ধীরে সেই শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা মাসিকের সময় হয়, তখন মেয়েদের ডিম্বাণুর পরিমাণ হয় ৪০ হাজার।মেয়েরা এখন নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কিছুটা দেরিতে বিয়ে করছে। তবে প্রথম সন্তানটি ২৫ বছর বয়সের আগে নিলে ভালো।৩০ বছর পেরিয়ে গেলে প্রজননক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। ৩৫ বছর পর ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে যায় বেশি।যদি মায়ের বয়স বেশি হয়ে যায় 

যদি প্রথম সন্তান জন্মদান করে ৩২-এ পড়ে, তা হলে জন্মগত ত্রুটিযুক্ত এবং ডাউন সিনড্রোম বেশি হয়।৩২ বছর বয়স থেকেই উর্বরতা কমতে শুরু করে।৩৭ বছর বয়সে গিয়ে তা আরও কমতে শুরু করে।বেশি বয়সে গর্ভধারণের কারণে উচ্চরক্তচাপ ও গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের মতো ঝুঁকি বাড়তে শুরু করে।৪০ বছরের বেশি বয়স্কদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। নানা ধরনের জটিলতা তখন তৈরি হয়।

ডা.আয়শা আক্তার(সহকারী পরিচালক)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৪০,এর পর সন্তান নিলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি 

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

মানুষের জীবনের লক্ষ্য পড়াশোনা, আর্থিক অবস্থাসহ নানা ধরনের ব্যক্তিগত বিষয়ের ওপরে সন্তান নেওয়ার আদর্শ সময় নির্ভর করে।সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্তটা একান্তই তার আর তার সঙ্গীর।একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি শুক্রাণু তৈরি হয়।একটি মেয়েশিশু জন্মের সময়ে নির্দিষ্টসংখ্যক ডিম্বাণুগুলো নিয়ে জন্মে। প্রতি মাসের মাসিক চক্রে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ব হয়,এর সঙ্গে আরও কিছু ডিম্বাণু এই প্রক্রিয়ায় পরিপক্ব হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে যায়।ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে।

জন্মের পর নারীদের শরীরে নতুন কোনো ডিম্বাণু তৈরি হয় না। তাই বয়স বেড়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে প্রজনন ক্ষমতা কমতে থাকে। একটি মেয়েশিশুর জন্মের সময় প্রথম দিকে ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু পরিমাণ থাকে ১০ থেকে ২০ লাখ। ধীরে ধীরে সেই শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা মাসিকের সময় হয়, তখন মেয়েদের ডিম্বাণুর পরিমাণ হয় ৪০ হাজার।মেয়েরা এখন নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কিছুটা দেরিতে বিয়ে করছে। তবে প্রথম সন্তানটি ২৫ বছর বয়সের আগে নিলে ভালো।৩০ বছর পেরিয়ে গেলে প্রজননক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। ৩৫ বছর পর ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে যায় বেশি।যদি মায়ের বয়স বেশি হয়ে যায় 

যদি প্রথম সন্তান জন্মদান করে ৩২-এ পড়ে, তা হলে জন্মগত ত্রুটিযুক্ত এবং ডাউন সিনড্রোম বেশি হয়।৩২ বছর বয়স থেকেই উর্বরতা কমতে শুরু করে।৩৭ বছর বয়সে গিয়ে তা আরও কমতে শুরু করে।বেশি বয়সে গর্ভধারণের কারণে উচ্চরক্তচাপ ও গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের মতো ঝুঁকি বাড়তে শুরু করে।৪০ বছরের বেশি বয়স্কদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। নানা ধরনের জটিলতা তখন তৈরি হয়।

ডা.আয়শা আক্তার(সহকারী পরিচালক)