সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।