সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩ সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ সিলেট জেলা ডিবি ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত এসএমপি ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে অবৈধ ভারতীয় কম্বল উদ্ধার সিলেটে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০২৬ উদযাপিত

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।