সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হযরত আলী ও ইবু এর নেতৃত্বে চোরাকারবারীদের ভুঙ্গার ব্যবসা চাংগা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

ক্রাইম প্রতিবেধক :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট সীমান্তে বিজিবি’র -লাইনম্যান হযরত আলী ও ইবু । তাদের নেতৃত্বেই চলছে অবৈধ পথে চোরাকারবারীদের রমরমা ভুঙ্গার ব্যবসা।

চোরাকারবারীদের গডফাদার কে এই হযরত আলী ও ইবু? কোন কিছুর তুয়াক্ষা না করে নিজেরা ভুঙ্গার ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং তাদের নেতৃত্বেঅন্যদের দিয়ে ভুঙ্গার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।জাফলং জিরো পয়েন্ট ১২৭৩ পিলার হইতে /১২৭৩:এস ৫ পাইপ পিলার দিয়ে ‌ সুযোগ-সুবিধা ভালো থাকায় জাফলং জিরো পয়েন্ট হতে ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুযোগে, ভারত থেকে মাল নিয়ে আসছে দুই মুকুটের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় হযরত আলী এবং ইবু বিজিবিকে ম্যনেজ করে দিনে-রাতে প্রকাশ্যে নিজেরা অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আবার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। ফলে অহরহ ভারত থেকে নেশা জাতীয় মদ, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, পান-সুপারি, জিরা, এলাচি, ডালচিনি, লং‌, গুলমরিচ অবৈধভাবে এসে বাংলাদেশ আসছে।

স্থানীয় সুত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জৈনক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,জাফলং জিরো পয়েন্টে হযরত আলী ও ইবুর নিজেদের দোকান রয়েছে।সেই সুবাদে নিজেদের ভালো থাকায় নিজেরাও ব্যবসা করেন ও ভুঙ্গার ব্যাবসার নেতৃত্ব দিয়ে, চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করেন।

এ ব্যপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভুঙ্গা ব্যবসায়ী জানান , “আমরা বিজিবির লাইন ম্যান হযরত আলী ও ইবু কে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছি দীর্ঘ দিন ধরে, এজন্য আমরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাকি তাদেরকে।অনুসন্ধানে জানা যায়, জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে সকল প্রকার মালামাল পাচার করার সুযোগ সুবিধা ভালো এবং নৌপথে‌ খুবই সহজ‌ ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এসে পৌঁছে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের নিজ নিজ গোডাউনে ।

জিরো পয়েন্ট মসজিদ এর উত্তর দিকে মার্কেটের মধ্যে প্রতিটি গোডাউনে রয়েছে হাজার হাজার বস্তা চিনি, চা পাতা, কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। গোদামে জমাকৃত এই অবৈধ পণ্য সুবিধা মতো মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ডি আই ও নৌপথে পাচার করা হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডারের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এই অবৈধভাবে ভুঙ্গার ব্যবসার সাথে যারা জাড়িত রয়েছে তাদের নাম তালিকা করে ভুঙ্গা ব্যাবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে,।