সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ পুলিশের পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য ভারতীয় ঔষধসহ গ্রেফতার ২ সিলেটে গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন, ৩০ নৌকা শিক্ষার্থীরা রাতে ঘরের বাইরে আড্ডা দিলেই গ্রেপ্তার করবে পুলিশ পোশাক শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান মন্ত্রী আরিফুলের সিলেটে ৩৩ লাখ টাকার বুঙ্গার মাল জব্দ সিলেটে টিকার আওতায় ৩৭২৩ বেওয়ারিশ কুকুর মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে বিশ্ব সুফী সংস্থার আলোচনা সভা ও হবিগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫

সিলেটে টিকার আওতায় ৩৭২৩ বেওয়ারিশ কুকুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : 

বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ও জলাতঙ্কের আতঙ্ক থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) জলাতঙ্কের টিকাদান কর্মসূচি।

গত ১২ অক্টোবর সিসিক ও সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। উদ্বোধনের পর থেকে নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডজুড়ে ধাপে ধাপে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ৩ হাজার ৭২৩টি বেওয়ারিশ ও মালিকানাধীন কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়। 

সিসিক সূত্র জানায়, টিকাদান কার্যক্রম শেষে প্রতিটি কুকুরকে গোলাপি রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—কোনো এলাকা বা কুকুর যাতে টিকাদানের আওতার বাইরে থেকে না যায়, তা সহজে শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য কার্যক্রমেও এ পরিসংখ্যান কাজে লাগানো।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘নগরীর যেখানে-সেখানে উচ্ছিষ্ট বা পরিত্যক্ত খাবার ফেলা রাখা হয়, বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণের ঠিক আগের মুহূর্তে খাবারের খোঁজে সেখানে বেওয়ারিশ কুকুরের আনাগোনা বেশি দেখা যায়। বাসাবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও তাদের বিচরণ লক্ষ করা যায়। এসব বিষয় মাথায় রেখেই জনস্বার্থ ও নাগরিক নিরাপত্তার সুবিধার্থে আমরা গণ-টিকাদানের এই বিশেষ উদ্যোগ নিই। কুকুর নিধন কোনো সমাধান নয়; বরং টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ দূর করে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো টিকাপ্রাপ্ত কুকুর যদি কাউকে কামড়ায় বা আঁচড় দেয়, তাহলেও আতঙ্কিত না হয়ে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশন সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং এতে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।’

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী। এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় সিলেট নগরবাসীর জলাতঙ্কের ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে টিকার আওতায় ৩৭২৩ বেওয়ারিশ কুকুর

আপডেট সময় : ১১:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : 

বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ও জলাতঙ্কের আতঙ্ক থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) জলাতঙ্কের টিকাদান কর্মসূচি।

গত ১২ অক্টোবর সিসিক ও সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। উদ্বোধনের পর থেকে নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডজুড়ে ধাপে ধাপে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ৩ হাজার ৭২৩টি বেওয়ারিশ ও মালিকানাধীন কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়। 

সিসিক সূত্র জানায়, টিকাদান কার্যক্রম শেষে প্রতিটি কুকুরকে গোলাপি রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—কোনো এলাকা বা কুকুর যাতে টিকাদানের আওতার বাইরে থেকে না যায়, তা সহজে শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য কার্যক্রমেও এ পরিসংখ্যান কাজে লাগানো।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘নগরীর যেখানে-সেখানে উচ্ছিষ্ট বা পরিত্যক্ত খাবার ফেলা রাখা হয়, বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণের ঠিক আগের মুহূর্তে খাবারের খোঁজে সেখানে বেওয়ারিশ কুকুরের আনাগোনা বেশি দেখা যায়। বাসাবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও তাদের বিচরণ লক্ষ করা যায়। এসব বিষয় মাথায় রেখেই জনস্বার্থ ও নাগরিক নিরাপত্তার সুবিধার্থে আমরা গণ-টিকাদানের এই বিশেষ উদ্যোগ নিই। কুকুর নিধন কোনো সমাধান নয়; বরং টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ দূর করে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো টিকাপ্রাপ্ত কুকুর যদি কাউকে কামড়ায় বা আঁচড় দেয়, তাহলেও আতঙ্কিত না হয়ে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশন সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং এতে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।’

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী। এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় সিলেট নগরবাসীর জলাতঙ্কের ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে।