সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

সিলেটের এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার রায় ১৪ জুলাই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে দেশব্যাপী আলোচিত তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আগামী ১৪ জুলাই আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলো। আগামী ১৪ জুলাই রায় প্রদানের মাধ্যমে এই লোমহর্ষক ঘটনার বিচারিক নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বর্তমানে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামিরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর গোয়েন্দা তৎপরতায় তিন দিনের মধ্যে সকল আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র‍্যাব। আসামিরা পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।

মামলাটি গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুততম বিচারে জনস্বার্থে স্থানান্তরিত হয়। বিচারকালীন সময়ে গৃহবধূ, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার রায় ১৪ জুলাই

আপডেট সময় : ০২:১৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে দেশব্যাপী আলোচিত তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আগামী ১৪ জুলাই আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলো। আগামী ১৪ জুলাই রায় প্রদানের মাধ্যমে এই লোমহর্ষক ঘটনার বিচারিক নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বর্তমানে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামিরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর গোয়েন্দা তৎপরতায় তিন দিনের মধ্যে সকল আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র‍্যাব। আসামিরা পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।

মামলাটি গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুততম বিচারে জনস্বার্থে স্থানান্তরিত হয়। বিচারকালীন সময়ে গৃহবধূ, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।