সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ সিলেট ফায়ার সার্ভিসকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট জৈন্তাপুরে নৌকাপ্রতি ২ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সিলেটে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন নবনিয়োগপ্রাপ্ত ১৬ কর্মকর্তা সিলেটের ৩ কর্মকর্তা বদলি, একই সঙ্গে পদায়ন নয়াবাজার মণিপুরী পাড়ায় মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ

‘আমার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে’সবুজ-শ্যামলিমা এদেশের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ হামজা চৌধুরী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

শৈশবে তিনি বহুবার পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন মায়ের দেশ বাংলাদেশে। তবে গত ১৭ মার্চের আসাটা একদম অন্যরকম ছিল। দিনটা হামজা চৌধুরীর হৃদয়ের ক্যানভাসে রঙিন এক ছবি হয়ে থাকবে আমৃত্যু। ইংল্যান্ড থেকে সেদিন তিনি এসেছিলেন বাংলাদেশকে নিজের দেশ বানাতে। বয়সভিত্তিক ফুটবলে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা লেস্টার সিটির এই তারকা মিডফিল্ডারকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে যুক্ত করে দক্ষিণ এশিয়ায় রীতিমতো আলোড়ন তুলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এরই মধ্যে লাল-সবুজ জার্সিতে ভারত, ভুটান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন হামজা। জাদুকরী ফুটবলে নজর কেড়েছেন প্রতিটি ম্যাচেই। বাংলাদেশের ফুটবলের নবজাগরণের মধ্যমণি হামজা এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনেরই সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা। লেস্টার সিটির হয়ে নতুন মৌসুম শুরুর আগে সোমবার রাতে ক্লাবের অ্যাপে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধতার কথা জানালেন হামজা। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে থাকলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে।

ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচের আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে গত ১৭ মার্চ বাংলাদেশে পা রেখে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন হামজা। বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে যে অফুরন্ত ভালোবাসা ও আতিথেয়তা পেয়েছেন, তাতে অভিভূত, মোহিত হামজা সেদিনের স্মৃতি রোমন্থন করে বলেছেন, ‘জাতীয় দলে যোগ গিতে প্রথম যখন বাংলাদেশে যাই, তখন আমি নিজের গ্রামে গিয়েছিলাম। আমার শৈশবের বড় একটা অংশ জুড়ে ছিল সেই গ্রাম। সেখানে গিয়ে যে ভালোবাসা ও অভ্যর্থনা পেয়েছি, তা অবিশ্বাস্য। এই মাত্রার ভালোবাসা স্বাভাবিক কিছু নয়।’

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেই তারকাখ্যাতি পেয়েছেন হামজা। ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলায় সেদেশেও তিনি জনপ্রিয়। তবে ফুটবলপ্রেমীদের ভালোবাসার মানদণ্ডে ইংল্যান্ডের চেয়ে বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে রাখছেন হামজা, ‘ফুটবলার হিসাবে যুক্তরাজ্যে সবার কাছে ভালোবাসা ও বাড়তি মনোযোগ পাই। কিন্তু বাংলাদেশের ভালোবাসা একদম অন্যরকম। বাংলাদেশে পাওয়া আন্তরিকতার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা চলে না। এই উন্মাদনাকে অনেকে কিছুটা ভীতিকর বলতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে এ এক অসাধারণ অনুভূতি। সত্যি বলছি, আমার হৃদয়ের বড় একটা অংশ বাংলাদেশে পড়ে আছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘আমার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে’সবুজ-শ্যামলিমা এদেশের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ হামজা চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

শৈশবে তিনি বহুবার পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন মায়ের দেশ বাংলাদেশে। তবে গত ১৭ মার্চের আসাটা একদম অন্যরকম ছিল। দিনটা হামজা চৌধুরীর হৃদয়ের ক্যানভাসে রঙিন এক ছবি হয়ে থাকবে আমৃত্যু। ইংল্যান্ড থেকে সেদিন তিনি এসেছিলেন বাংলাদেশকে নিজের দেশ বানাতে। বয়সভিত্তিক ফুটবলে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা লেস্টার সিটির এই তারকা মিডফিল্ডারকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে যুক্ত করে দক্ষিণ এশিয়ায় রীতিমতো আলোড়ন তুলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এরই মধ্যে লাল-সবুজ জার্সিতে ভারত, ভুটান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন হামজা। জাদুকরী ফুটবলে নজর কেড়েছেন প্রতিটি ম্যাচেই। বাংলাদেশের ফুটবলের নবজাগরণের মধ্যমণি হামজা এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনেরই সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা। লেস্টার সিটির হয়ে নতুন মৌসুম শুরুর আগে সোমবার রাতে ক্লাবের অ্যাপে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধতার কথা জানালেন হামজা। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে থাকলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে।

ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচের আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে গত ১৭ মার্চ বাংলাদেশে পা রেখে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন হামজা। বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে যে অফুরন্ত ভালোবাসা ও আতিথেয়তা পেয়েছেন, তাতে অভিভূত, মোহিত হামজা সেদিনের স্মৃতি রোমন্থন করে বলেছেন, ‘জাতীয় দলে যোগ গিতে প্রথম যখন বাংলাদেশে যাই, তখন আমি নিজের গ্রামে গিয়েছিলাম। আমার শৈশবের বড় একটা অংশ জুড়ে ছিল সেই গ্রাম। সেখানে গিয়ে যে ভালোবাসা ও অভ্যর্থনা পেয়েছি, তা অবিশ্বাস্য। এই মাত্রার ভালোবাসা স্বাভাবিক কিছু নয়।’

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেই তারকাখ্যাতি পেয়েছেন হামজা। ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলায় সেদেশেও তিনি জনপ্রিয়। তবে ফুটবলপ্রেমীদের ভালোবাসার মানদণ্ডে ইংল্যান্ডের চেয়ে বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে রাখছেন হামজা, ‘ফুটবলার হিসাবে যুক্তরাজ্যে সবার কাছে ভালোবাসা ও বাড়তি মনোযোগ পাই। কিন্তু বাংলাদেশের ভালোবাসা একদম অন্যরকম। বাংলাদেশে পাওয়া আন্তরিকতার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা চলে না। এই উন্মাদনাকে অনেকে কিছুটা ভীতিকর বলতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে এ এক অসাধারণ অনুভূতি। সত্যি বলছি, আমার হৃদয়ের বড় একটা অংশ বাংলাদেশে পড়ে আছে।’