সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ

সিলেটে ঈদ ঘিরে বাড়ছে মুরগির দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

রমজানের শুরুতে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কম থাকলেও ঈদ সামনে রেখে সবধরনের মুরগির দাম বাড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি বেশকিছু সবজির দামও বেড়ে চলেছে। এছাড়া আগে থেকে বাড়তি থাকা সবজির দামও কমেনি।শনিবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনা শনিবার বাজারে সবধরনের মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া গরুর ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২১০-২২৫ টাকা, কক মুরগি ২৮০-২৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম ১১০-১১৫ টাকা, সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। এক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫-২৫ টাকা, কক মুরগির দাম বেড়েছে ২৫ টাকা ও লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে ১০ টাকা। দেশি মুরগি ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া ফার্মের মুরগির লাল ও সাদা ডিমের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।

মুরগির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে নগরীর বন্দরবাজারের এক ব্রয়লার ব্যবসায়ী বলেন, ঈদ আসছে তাই দাম বেড়েছে। কয়েক দিন পরে আরও বাড়তে পারে। চাহিদা বেশি থাকায় সরবরাহ কিছুটা কমেছে। তবে সাধারণত এ রকম সময়ে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। আমরা পাইকারী দরে ক্রয় করে সামান্য লাভে বিক্রি করি।

কেবল মুরগির দামই নয়, একইসঙ্গে বেড়েছে বেশকিছু সবজির দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব সবজির দাম প্রতি কেজিতে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি টক টমেটো ২০-৩০ টাকা, দেশি গাজর ৩০-৪০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৬০-৭০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৭০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৬০-৭০টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ১০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৪০-১৬০ টাকা, পটোল ৬০-৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৭০-৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুরমুখী ১২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৬০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০-৫০ টাকা ও ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৮০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি বিক্রি হয় ৩০-৪০ টাকা করে। এ ছাড়া প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকায়।

এক্ষেত্রে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে শিমের দাম ১০ টাকা, সাদা গোল বেগুনের দাম ১০ টাকা, কালো গোল বেগুনের দাম ১০ টাকা, পেঁপের দাম ১০ টাকা, মূলার দাম ১০ টাকা, ঝিঙার দাম ২০ টাকা ও কচুরমুখীর দাম ২০ টাকা বেড়েছে। প্রতিটি চালকুমড়ার দাম বেড়েছে ১০ টাকা, ফুলকপির দাম বেড়েছে ১০ টাকা এবং বাঁধাকপির দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

এদিকে অন্যদিনের মতো বাজারে মুদিপণ্যের দাম অপরিবর্তিত ছিল। বাজারে খোলা চিনির দাম প্রতি কেজিতে কমেছে পাঁচ টাকা করে। বাজারে প্রতি কেজি ছোট মসুর ডাল ১৩৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১১০ টাকা, বুটের ডাল ১২০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৯০ টাকা, ডাবলি ৬০ টাকা, ছোলা ১০৫ টাকা, কাজু বাদাম ১ হাজার ৬৫০ টাকা, পেস্তা বাদাম ২ হাজার ৭০০ টাকা, কাঠ বাদাম ১ হাজার ২২০ টাকা, কিশমিশ ৬০০-৭০০ টাকা, দারুচিনি ৫২০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ১ হাজার ৩০০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১ হাজার ৬০০ টাকা, জিরা ৬০০ টাকা, প্যাকেট পোলাও চাল ১৫০ টাকা এবং খোলা পোলাও চাল মানভেদে ১১০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৫ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৫৭ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১২০ টাকা, খোলা চিনি ১১৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৫০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১১৫ টাকা ও খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ঈদ ঘিরে বাড়ছে মুরগির দাম

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

রমজানের শুরুতে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কম থাকলেও ঈদ সামনে রেখে সবধরনের মুরগির দাম বাড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি বেশকিছু সবজির দামও বেড়ে চলেছে। এছাড়া আগে থেকে বাড়তি থাকা সবজির দামও কমেনি।শনিবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনা শনিবার বাজারে সবধরনের মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া গরুর ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২১০-২২৫ টাকা, কক মুরগি ২৮০-২৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম ১১০-১১৫ টাকা, সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। এক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫-২৫ টাকা, কক মুরগির দাম বেড়েছে ২৫ টাকা ও লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে ১০ টাকা। দেশি মুরগি ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া ফার্মের মুরগির লাল ও সাদা ডিমের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।

মুরগির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে নগরীর বন্দরবাজারের এক ব্রয়লার ব্যবসায়ী বলেন, ঈদ আসছে তাই দাম বেড়েছে। কয়েক দিন পরে আরও বাড়তে পারে। চাহিদা বেশি থাকায় সরবরাহ কিছুটা কমেছে। তবে সাধারণত এ রকম সময়ে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। আমরা পাইকারী দরে ক্রয় করে সামান্য লাভে বিক্রি করি।

কেবল মুরগির দামই নয়, একইসঙ্গে বেড়েছে বেশকিছু সবজির দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব সবজির দাম প্রতি কেজিতে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি টক টমেটো ২০-৩০ টাকা, দেশি গাজর ৩০-৪০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৬০-৭০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৭০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৬০-৭০টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ১০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৪০-১৬০ টাকা, পটোল ৬০-৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৭০-৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুরমুখী ১২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৬০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০-৫০ টাকা ও ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৮০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি বিক্রি হয় ৩০-৪০ টাকা করে। এ ছাড়া প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকায়।

এক্ষেত্রে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে শিমের দাম ১০ টাকা, সাদা গোল বেগুনের দাম ১০ টাকা, কালো গোল বেগুনের দাম ১০ টাকা, পেঁপের দাম ১০ টাকা, মূলার দাম ১০ টাকা, ঝিঙার দাম ২০ টাকা ও কচুরমুখীর দাম ২০ টাকা বেড়েছে। প্রতিটি চালকুমড়ার দাম বেড়েছে ১০ টাকা, ফুলকপির দাম বেড়েছে ১০ টাকা এবং বাঁধাকপির দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

এদিকে অন্যদিনের মতো বাজারে মুদিপণ্যের দাম অপরিবর্তিত ছিল। বাজারে খোলা চিনির দাম প্রতি কেজিতে কমেছে পাঁচ টাকা করে। বাজারে প্রতি কেজি ছোট মসুর ডাল ১৩৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১১০ টাকা, বুটের ডাল ১২০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৯০ টাকা, ডাবলি ৬০ টাকা, ছোলা ১০৫ টাকা, কাজু বাদাম ১ হাজার ৬৫০ টাকা, পেস্তা বাদাম ২ হাজার ৭০০ টাকা, কাঠ বাদাম ১ হাজার ২২০ টাকা, কিশমিশ ৬০০-৭০০ টাকা, দারুচিনি ৫২০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ১ হাজার ৩০০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১ হাজার ৬০০ টাকা, জিরা ৬০০ টাকা, প্যাকেট পোলাও চাল ১৫০ টাকা এবং খোলা পোলাও চাল মানভেদে ১১০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৫ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৫৭ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১২০ টাকা, খোলা চিনি ১১৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৫০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১১৫ টাকা ও খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।