সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক

দেশে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি চাই না- মিজানুর রহমান আজহারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫ ৯২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, দেশে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি চাই না। এ দেশে কোনো দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজিও আমরা চাই না। শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাতে সিলেট এমসি কলেজ মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে বয়ান পেশ কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, আমরা দেখেছি ক্ষমতার যখন পালা বদল হয় তখন এক সরকার যায়, আরেক সরকার আসে। তখন আমরা দুর্নীতির ফিরিস্তি জানতে পারি, তার আগে কিন্তু জানতে পারি না। প্রতিটি দলের ভেতরে আমরা এই বাজে স্বভাবটা দেখেছি। তাই এখন আমাদের শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। এটাই সুন্দর সময়, নতুন প্রভাতের বাংলাদেশ, নতুন ভোরের বাংলাদেশে। এ সময় আমরা যেন কাদা ছোড়াছুড়ি না করি।

রাজনৈতিক দল প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা বলেন, আমাদের শপথ নেওয়ার সময় এসেছে। নিবন্ধিত প্রতিটি দলের শপথ নেওয়া উচিত। আমরা আর কোনো দিন চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করবো না। সব সময় দেশের পক্ষে থাকবো।

যশোরের মাহফিলের একটি বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এই কথাগুলো ছিল খুবই সাধারণ। যে কথাগুলো আমরা জেনারেললি বলি সেগুলোকে জেনারেললি নেবেন। এই জাতীয় বার্তা যখন আমরা দেই, তখন যদি বলেন রাজনীতিতে আসেন, পারলে দল করে দেখান। আমি একজন মুফাসসিরে কোরআন এর বাইরে আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন বাংলাদেশি নাগরিক। আমার দেশের যে কোনো সমস্যা ও অসঙ্গতি নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার রয়েছে।

মাহফিলের শেষ দিনের পৃথক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আনজুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের সভাপতি প্রফেসর মাওলানা সৈয়দ একরামুল হক ও আল্লামা ইসহাক আল মাদানী।  

শেষ দিনে ড. মিজানুর রহমান আজহারী ছাড়াও তাফসীর পেশ করেন আল্লামা ইসহাক আল মাদানী, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, মুফতি মাওলানা আমীর হামজা, শায়খ হাফিজ মাওলানা আবু সাঈদ, অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী, মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, শায়েখ আজমল মসরুর, মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবাদী ও মাওলানা হাসানুল বান্না বিন শরিফ আব্দুল কাদির।মাহফিলে প্রস্তাবনা পেশ করেন মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ আব্দুল হাই হারুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি চাই না- মিজানুর রহমান আজহারী

আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, দেশে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি চাই না। এ দেশে কোনো দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজিও আমরা চাই না। শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাতে সিলেট এমসি কলেজ মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে বয়ান পেশ কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, আমরা দেখেছি ক্ষমতার যখন পালা বদল হয় তখন এক সরকার যায়, আরেক সরকার আসে। তখন আমরা দুর্নীতির ফিরিস্তি জানতে পারি, তার আগে কিন্তু জানতে পারি না। প্রতিটি দলের ভেতরে আমরা এই বাজে স্বভাবটা দেখেছি। তাই এখন আমাদের শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। এটাই সুন্দর সময়, নতুন প্রভাতের বাংলাদেশ, নতুন ভোরের বাংলাদেশে। এ সময় আমরা যেন কাদা ছোড়াছুড়ি না করি।

রাজনৈতিক দল প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা বলেন, আমাদের শপথ নেওয়ার সময় এসেছে। নিবন্ধিত প্রতিটি দলের শপথ নেওয়া উচিত। আমরা আর কোনো দিন চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করবো না। সব সময় দেশের পক্ষে থাকবো।

যশোরের মাহফিলের একটি বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এই কথাগুলো ছিল খুবই সাধারণ। যে কথাগুলো আমরা জেনারেললি বলি সেগুলোকে জেনারেললি নেবেন। এই জাতীয় বার্তা যখন আমরা দেই, তখন যদি বলেন রাজনীতিতে আসেন, পারলে দল করে দেখান। আমি একজন মুফাসসিরে কোরআন এর বাইরে আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন বাংলাদেশি নাগরিক। আমার দেশের যে কোনো সমস্যা ও অসঙ্গতি নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার রয়েছে।

মাহফিলের শেষ দিনের পৃথক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আনজুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের সভাপতি প্রফেসর মাওলানা সৈয়দ একরামুল হক ও আল্লামা ইসহাক আল মাদানী।  

শেষ দিনে ড. মিজানুর রহমান আজহারী ছাড়াও তাফসীর পেশ করেন আল্লামা ইসহাক আল মাদানী, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, মুফতি মাওলানা আমীর হামজা, শায়খ হাফিজ মাওলানা আবু সাঈদ, অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী, মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, শায়েখ আজমল মসরুর, মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবাদী ও মাওলানা হাসানুল বান্না বিন শরিফ আব্দুল কাদির।মাহফিলে প্রস্তাবনা পেশ করেন মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ আব্দুল হাই হারুন।