সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান স্মরণসভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট চেম্বারের প্রশাসকের সাথে ভারত থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদের সহযোগী জয়নাল গ্রেপ্তার সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, অধ্যক্ষ শিক্ষক আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৭ হাজার কেজি ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ সিলেটে দুই বেকারিতে অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটে অনিয়ম-অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫৩৬ মামলায় জরিমানা ২৪ লাখ সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সিলেটে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক সিলেট থেকে শুরু ‘রবি বোলারহান্ট’-এর ট্রায়াল শুরু

সিলেটে নারীকে বিয়ে করে পুলিশের এ.এস.আই’র ‘প্রতারণা’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪ ২০২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নেহার বেগম (৩০) নামে সিলেটের এক নারীকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়া এবং স্ত্রী যৌতুক না দেওয়ায় প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এ.এস.আই-এর বিরুদ্ধে। মো. আবু নাঈম নামের ওই পুলিশ সদস্য চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলি মডেল থানায় কর্মরত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার জয়নগর গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।

তার বিরুদ্ধে নেহার বেগম সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের ও কর্ণফুলি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ মার্চ আড়াই লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে এ.এস.আই আবু নাঈমের সঙ্গে চট্টগ্রামে কাজি অফিসে বিয়ে হয় নেহার বেগমের। বিয়ের আগে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। আবু নাঈমের একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি সহজ-সরল নেহারকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর নেহার জানতে পারেন- নাঈমের তালাকপ্রাপ্ত প্রথম স্ত্রী- সিলেটের লামাকাজি এলাকার বাসিন্দা পাখি বেগম নামের নারীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া তার আরও দুজন স্ত্রী রয়েছেন দুই জায়গায়। এর মধ্যে শিরিন আক্তার নামের স্ত্রী আবু নাঈমের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

নেহার বেগম মামলায় উল্লেখ করেন- বিয়ের পর বিভিন্ন সময় যৌতুক চেয়ে চেয়ে আড়াই লাখ টাকা তার কাছ থেকে নিয়ে নেন এ.এস.আই আবু নাঈম। পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা দাবি করলে তিনি দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন স্বামী। নির্যাতনের সময় নেহারকে নাঈম বলেন- টাকা না দিলে তিনি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিনে। এরপর কর্মস্থলে গিয়ে তিনি আর নেহারের কোনো খোঁজ নেননি। ফোন বন্ধ পেয়ে একপর্যায়ে নেহার তার কর্মস্থলে গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কয়েকবার চেষ্টার পর তার সাক্ষাৎ পেলেও স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন। পরে বাধ্য হয়ে নেহার বেগম থানায় অভিযোগ ও আদালতে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এ.এস.আই আবু নাঈমের দুটি মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে দুটোই বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে নারীকে বিয়ে করে পুলিশের এ.এস.আই’র ‘প্রতারণা’

আপডেট সময় : ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নেহার বেগম (৩০) নামে সিলেটের এক নারীকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়া এবং স্ত্রী যৌতুক না দেওয়ায় প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এ.এস.আই-এর বিরুদ্ধে। মো. আবু নাঈম নামের ওই পুলিশ সদস্য চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলি মডেল থানায় কর্মরত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার জয়নগর গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।

তার বিরুদ্ধে নেহার বেগম সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের ও কর্ণফুলি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ মার্চ আড়াই লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে এ.এস.আই আবু নাঈমের সঙ্গে চট্টগ্রামে কাজি অফিসে বিয়ে হয় নেহার বেগমের। বিয়ের আগে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। আবু নাঈমের একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি সহজ-সরল নেহারকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর নেহার জানতে পারেন- নাঈমের তালাকপ্রাপ্ত প্রথম স্ত্রী- সিলেটের লামাকাজি এলাকার বাসিন্দা পাখি বেগম নামের নারীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া তার আরও দুজন স্ত্রী রয়েছেন দুই জায়গায়। এর মধ্যে শিরিন আক্তার নামের স্ত্রী আবু নাঈমের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

নেহার বেগম মামলায় উল্লেখ করেন- বিয়ের পর বিভিন্ন সময় যৌতুক চেয়ে চেয়ে আড়াই লাখ টাকা তার কাছ থেকে নিয়ে নেন এ.এস.আই আবু নাঈম। পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা দাবি করলে তিনি দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন স্বামী। নির্যাতনের সময় নেহারকে নাঈম বলেন- টাকা না দিলে তিনি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিনে। এরপর কর্মস্থলে গিয়ে তিনি আর নেহারের কোনো খোঁজ নেননি। ফোন বন্ধ পেয়ে একপর্যায়ে নেহার তার কর্মস্থলে গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কয়েকবার চেষ্টার পর তার সাক্ষাৎ পেলেও স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন। পরে বাধ্য হয়ে নেহার বেগম থানায় অভিযোগ ও আদালতে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এ.এস.আই আবু নাঈমের দুটি মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে দুটোই বন্ধ পাওয়া যায়।