সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী রাত ১টার মধ্যে ১৪ অঞ্চলে ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সিলেটে হাম রোগে আক্রান্ত প্রাণ গেল ৮৪ শিশুর, হাসপাতালে ভর্তি ২৬৫ সিলেটে পর্যটন কেন্দ্র জাফলং পর্যন্ত চলবে ট্রেন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের ফল উৎসবে- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী সিলেটে প্রথম দিনে বিভাগের চার জেলায় কেন্দ্রে অনুপস্থিত ১১২৭ সিলেটের সাদাপাথরে গোসল করতে নেমে এক পর্যটক নিখোঁজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা মূল্যায়ন সভায় সিসিক প্রশাসক‘জনভোগান্তি কমাতে উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে’-(সিসিক) প্রশাসক নাগরিক সেবায় বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই- সিসিক প্রশাসক সিলেট রেঞ্জ এর অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) আরআরএফ, সিলেট পরিদর্শন

এখনো অশান্ত মণিপুর, টহলে সে না বা হি নী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

এখনো অশান্ত মণিপুর, টহলে সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতের অশান্ত মণিপুর রাজ্যে এখানো সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ফের বহু আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে মণিপুরে। দক্ষিণ মণিপুরের পার্বত্য জেলা চুড়াচাঁদপুর, থৌবাল এবং ইম্ফল জেলার পূর্ব সীমানায় তল্লাশি অভিযানের পর ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুটি পৃথক অভিযান চালিয়েছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল। 

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, প্রথম অভিযানে চুড়াচাঁদপুরের থাংজিং ব্রিজের ওপরের ঘন জঙ্গল থেকে তারা দুটি ম্যাগাজিন, একটি সিঙ্গল ব্যারেল রাইফেল, দুটি ৯ এমএম পিস্তল, দুটি দেশি রকেট, একটি দূরপাল্লার মর্টার, দুটি মাঝারি পাল্লার মর্টার এবং চারটি বোমা উদ্ধার করেছে। আর এক দফা অভিযানে থৌবাল এবং ইম্ফলের পূর্ব সীমানার চাংবি গ্রাম থেকে দুটি কার্বাইন মেশিনগান, দুটি পিস্তল, একটি সিঙ্গেল ব্যারেল বন্দুক এবং নয়টি হ্যান্ড গ্রেনেডসহ আরও নানা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সমস্ত অস্ত্র হস্তান্তর করা হয়েছে মণিপুর পুলিশের কাছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কংপোকপি এবং পশ্চিম ইম্ফলের দুটি জায়গায় ড্রোন হামলাকে কেন্দ্র করে মণিপুরের মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর মাঝে শুক্রবারই পূর্ব ইম্ফলে বড় নাশকতার ছক বানচাল করেছে সেনাবাহিনী। বংজাং ও ইথাম গ্রামের পাহাড়ি রাস্তায় পুঁতে রাখা সাতটি আইইডির সন্ধান পেয়ে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

বিস্ফোরকগুলোর মোট ওজন প্রায় সাড়ে ২৮ কেজি! তবে এর মধ্যেই মণিপুরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক বিতর্ক। মোদি সরকারের তৃতীয় শাসনকালের ১০০ দিন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, মণিপুরের পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ পদত্যাগ করছেন না। বরং আলোচনা চলছে কুকি ও মেইতেই দুই পক্ষের সঙ্গেই।

উল্টাদিকে মণিপুর কংগ্রেসের দাবি, রাজ্যে সহিংসতা, অশান্তি চলছেই। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে আলোচনা চলার কোনো প্রমাণই নেই। কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতি কে দেবব্রত সিংহ বলেছেন, অমিত শাহের কথায় কোনো সত্যতা নেই। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে শান্তি ফেরাতে বাস্তবে আলোচনা হওয়ারও কোনো প্রমাণ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এখনো অশান্ত মণিপুর, টহলে সে না বা হি নী

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এখনো অশান্ত মণিপুর, টহলে সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতের অশান্ত মণিপুর রাজ্যে এখানো সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ফের বহু আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে মণিপুরে। দক্ষিণ মণিপুরের পার্বত্য জেলা চুড়াচাঁদপুর, থৌবাল এবং ইম্ফল জেলার পূর্ব সীমানায় তল্লাশি অভিযানের পর ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুটি পৃথক অভিযান চালিয়েছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল। 

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, প্রথম অভিযানে চুড়াচাঁদপুরের থাংজিং ব্রিজের ওপরের ঘন জঙ্গল থেকে তারা দুটি ম্যাগাজিন, একটি সিঙ্গল ব্যারেল রাইফেল, দুটি ৯ এমএম পিস্তল, দুটি দেশি রকেট, একটি দূরপাল্লার মর্টার, দুটি মাঝারি পাল্লার মর্টার এবং চারটি বোমা উদ্ধার করেছে। আর এক দফা অভিযানে থৌবাল এবং ইম্ফলের পূর্ব সীমানার চাংবি গ্রাম থেকে দুটি কার্বাইন মেশিনগান, দুটি পিস্তল, একটি সিঙ্গেল ব্যারেল বন্দুক এবং নয়টি হ্যান্ড গ্রেনেডসহ আরও নানা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সমস্ত অস্ত্র হস্তান্তর করা হয়েছে মণিপুর পুলিশের কাছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কংপোকপি এবং পশ্চিম ইম্ফলের দুটি জায়গায় ড্রোন হামলাকে কেন্দ্র করে মণিপুরের মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর মাঝে শুক্রবারই পূর্ব ইম্ফলে বড় নাশকতার ছক বানচাল করেছে সেনাবাহিনী। বংজাং ও ইথাম গ্রামের পাহাড়ি রাস্তায় পুঁতে রাখা সাতটি আইইডির সন্ধান পেয়ে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

বিস্ফোরকগুলোর মোট ওজন প্রায় সাড়ে ২৮ কেজি! তবে এর মধ্যেই মণিপুরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক বিতর্ক। মোদি সরকারের তৃতীয় শাসনকালের ১০০ দিন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, মণিপুরের পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ পদত্যাগ করছেন না। বরং আলোচনা চলছে কুকি ও মেইতেই দুই পক্ষের সঙ্গেই।

উল্টাদিকে মণিপুর কংগ্রেসের দাবি, রাজ্যে সহিংসতা, অশান্তি চলছেই। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে আলোচনা চলার কোনো প্রমাণই নেই। কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতি কে দেবব্রত সিংহ বলেছেন, অমিত শাহের কথায় কোনো সত্যতা নেই। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে শান্তি ফেরাতে বাস্তবে আলোচনা হওয়ারও কোনো প্রমাণ নেই।