সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ তালিকার শীর্ষে জাফলং,পর্যটনকেন্দ্র থেকে অবাধে পাথরলুট ও পরিবেশ ধ্বংসের কারণে প্রকৃতির বিনাশ- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক

উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিতেমাঠে সিসিক প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

টেকসই উন্নয়নে মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার : বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে গিয়ে উন্নয়ন কাজের গুণগত মান যাচাই করছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করার কথা জানিয়ে তিনি নিয়মিত সরেজমিনে উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান যাচাই করেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, “কাজের গুণগত মান পরীক্ষার জন্যই আমি মাঠে এসেছি। টেন্ডার ডকুমেন্টে যে স্পেসিফিকেশন দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে যাচাই করছি। উন্নয়ন কাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”

তিনি বলেন, মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়কটি ১৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের লেভেল অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজন হলে ড্রেনের ওপর দিয়েও যানবাহন চলাচল করতে পারে। সড়ক ও ড্রেন নির্মাণে ব্যবহৃত রড ও ঢালাইয়ের উপকরণ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের ছিল এলাকাবাসীর। তাদের কথা দিয়েছিলাম, বর্ষা মৌসুম শেষ হলে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে অনেকগুলো কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং বেশ কিছু কাজ শুরু হয়েছে। বাকি কাজগুলোও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নিয়মিত তদারকি করছেন। এর পাশাপাশি আমি নিজেও বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে সরেজমিনে গিয়ে কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান যাচাই করছি। জনগণের অর্থে যে উন্নয়ন হচ্ছে, তার সুফল যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

পরিদর্শনকালে সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিতেমাঠে সিসিক প্রশাসক

আপডেট সময় : ১২:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকসই উন্নয়নে মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার : বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে গিয়ে উন্নয়ন কাজের গুণগত মান যাচাই করছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করার কথা জানিয়ে তিনি নিয়মিত সরেজমিনে উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান যাচাই করেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, “কাজের গুণগত মান পরীক্ষার জন্যই আমি মাঠে এসেছি। টেন্ডার ডকুমেন্টে যে স্পেসিফিকেশন দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে যাচাই করছি। উন্নয়ন কাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”

তিনি বলেন, মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়কটি ১৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের লেভেল অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজন হলে ড্রেনের ওপর দিয়েও যানবাহন চলাচল করতে পারে। সড়ক ও ড্রেন নির্মাণে ব্যবহৃত রড ও ঢালাইয়ের উপকরণ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের ছিল এলাকাবাসীর। তাদের কথা দিয়েছিলাম, বর্ষা মৌসুম শেষ হলে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে অনেকগুলো কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং বেশ কিছু কাজ শুরু হয়েছে। বাকি কাজগুলোও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নিয়মিত তদারকি করছেন। এর পাশাপাশি আমি নিজেও বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে সরেজমিনে গিয়ে কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান যাচাই করছি। জনগণের অর্থে যে উন্নয়ন হচ্ছে, তার সুফল যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

পরিদর্শনকালে সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।