সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নতুন চুল গজাতে ৪ ভেষজের ব্যবহার ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে রিট ফিফার নতুন নিয়মে আর্জেন্টিনাসহ সুবিধা পাচ্ছে যারা মেসির দুটি কীর্তিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি সাত মাসে সাড়ে ৫ কোটি গাছ লাগাবে সরকার বাহুবলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ওসির প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন হবিগঞ্জ শহরে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগ জনজীবন মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এমপি ফয়সলের প্রচেষ্টায় ১০০ শয্যায় উন্নীত সিলেটসহ ৪ বিভাগে বন্যার পূর্বাভাস বন্ধ পাটকলে ১০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

সিলেটসহ ৪ বিভাগে বন্যার পূর্বাভাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে টানা তিন দিন বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। 

আগামী রবিবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত আট বিভাগেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টির প্রভাবে সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য এ বন্যা তিন দিনের বেশি স্থায়ী হবে না। আগামী শনিবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ইতোমধ্যে দেশের দক্ষিণ–পূর্ব, উত্তর–পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, “নিম্নচাপ এখন না থাকলেও এর প্রভাব কিছুটা রয়েছে। এখন যে বৃষ্টি হচ্ছে, তা বর্ষা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টি। বায়ুতাপের তারতম্যের কারণে বাতাস বইছে বেশি। বৃষ্টিও ঝরছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আগামী চার দিন সীমান্তসংলগ্ন ভারতীয় উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।”

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামের আম বাগানে ২৭৭ মিলিমিটার। এ ছাড়াও বান্দরবানে ২১০ মিলিমিটার, কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ২৩০ মিলিমিটার, ময়মনসিংহে ১৭৫ মিলিমিটার, মৌলভীবাজারে ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, “আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তর-পূর্ব, পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, ফেনী, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতি প্রায় তিন দিন থাকতে পারে। শনিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের সাঙ্গু নদ, কক্সবাজারের মাতামুহুরী নদী, হবিগঞ্জের খোয়াই নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর পানি আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটসহ ৪ বিভাগে বন্যার পূর্বাভাস

আপডেট সময় : ০২:২৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে টানা তিন দিন বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। 

আগামী রবিবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত আট বিভাগেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টির প্রভাবে সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য এ বন্যা তিন দিনের বেশি স্থায়ী হবে না। আগামী শনিবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ইতোমধ্যে দেশের দক্ষিণ–পূর্ব, উত্তর–পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, “নিম্নচাপ এখন না থাকলেও এর প্রভাব কিছুটা রয়েছে। এখন যে বৃষ্টি হচ্ছে, তা বর্ষা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টি। বায়ুতাপের তারতম্যের কারণে বাতাস বইছে বেশি। বৃষ্টিও ঝরছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আগামী চার দিন সীমান্তসংলগ্ন ভারতীয় উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।”

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামের আম বাগানে ২৭৭ মিলিমিটার। এ ছাড়াও বান্দরবানে ২১০ মিলিমিটার, কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ২৩০ মিলিমিটার, ময়মনসিংহে ১৭৫ মিলিমিটার, মৌলভীবাজারে ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, “আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তর-পূর্ব, পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, ফেনী, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতি প্রায় তিন দিন থাকতে পারে। শনিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের সাঙ্গু নদ, কক্সবাজারের মাতামুহুরী নদী, হবিগঞ্জের খোয়াই নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর পানি আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।