সিলেটে-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের ডাবল লাইনের কাজ সমীক্ষা পর্যায়ে- প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
- আপডেট সময় : ০৩:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
রেলকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পণ্য পরিবহনের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি।
তিনি জানান সিলেটে ডাবল ব্রডগেজ ও ডুয়েল গেজ লাইনের কাজ বর্তমানে সমীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি ইঞ্জিন বিকল হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রেল চলাচলে বিপর্যয় ঘটে। এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। তবে রেল ব্যবস্থার পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে সিলেট রেলস্টেশন, রেলওয়ের ক্যারেজ ডিপো ও ওয়াশপিট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই রেল খাত লাভজনক হওয়ার পেছনে পণ্য পরিবহন বড় ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে অনেক দেশ ভর্তুকি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশেও রেলকে লাভজনক করতে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, মানুষের রেলের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। যাত্রীরা রেলে ভ্রমণ করতে চান। তাই বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।
সিলেট-কক্সবাজার রেললাইন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও সিলেটকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে সিলেট অঞ্চলে অতিরিক্ত কোচ ও লোকোমোটিভ সরবরাহের নির্দেশ ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
রেলের বেদখল জমির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে হাবিবুর রশিদ বলেন, রেলের যেসব জমি দখল হয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করতে সরকার কাজ করছে। যেই সরকারি সম্পত্তি দখল করে থাকুক না কেন, তাকে উচ্ছেদ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া। যদিও লোকোমোটিভ, কোচ ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী সিলেট রেলস্টেশন ঘুরে দেখেন এবং ভিআইপি ও সাধারণ কামরা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি স্টেশনের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে সিলেট জেলার পুলিশ সুপার, সিলেট রেলস্টেশন ম্যানেজারসহ রেল ও সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাগন।


























