সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি- জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না হবিগঞ্জে ৪ থানার ওসি বদলী নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান ৪৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চুনারুঘাটে বিজিবি’র অভিযান ভারতীয় গাঁজা ও বিয়ার উদ্ধার সিলেটে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির নতুন কমিটির পরিচিতি সভা সিলেটে-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের ডাবল লাইনের কাজ সমীক্ষা পর্যায়ে- প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ মণিপুরীদের আর্থ-সামজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটের ছড়ারপার থেকে ট্রাকসহ ৪৩ বস্তা ফুসকা উদ্ধার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে উপপ্রধান তথ্য অফিসারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে ৩১৪ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি নিজেও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার স্বপ্ন দেখি। তবে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনে সিলেট মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুটি কাজ করলে পরিচ্ছন্ন নগর গড়া অনেক সহজ হবে। প্রথমত, যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং দ্বিতীয়ত, সিটি কর্পোরেশনের সব ধরনের কর যথাসময়ে পরিশোধ করা। তিনি বলেন, যথাস্থানে ময়লা না ফেললে শুধু শ্রমিক দিয়ে নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়; একইভাবে কর পরিশোধ না করলে উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হবে।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, দেশ-বিদেশে সিলেট একটি সুপরিচিত অঞ্চল। প্রবাসীরা উন্নত ও পরিচ্ছন্ন নগরে বসবাসে অভ্যস্ত। তারাও সিলেটকে একটি উন্নত নগর হিসেবে দেখতে চান। আমরা হয়তো লন্ডনের মতো নগর গড়তে পারব না, তবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে নিজেদের সক্ষমতার মধ্যেই একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব।

সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ব্যবসায়ী নেতা, পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। তারা হকারদের রাস্তা ও ফুটপাতে বসতে না দেওয়া, ড্রেন পরিষ্কারের পর ময়লা দ্রুত অপসারণ, রাস্তা কাটার আগে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিটি দোকানের সামনে ডাস্টবিন স্থাপন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে উৎসাহিত করতে পুরস্কার ঘোষণা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেললে জরিমানার ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।

সভায় বক্তব্য দেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন নূর, সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির লিটন, পরিবেশকর্মী আব্দুল করিম কিম, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের পরিচালক মো. জহির হোসেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, দোকান মালিক সমিতির নিয়াজ মো. আজিজুল করিম এবং প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নুরুল হাসান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. আহমদ নাফীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক

আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি নিজেও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার স্বপ্ন দেখি। তবে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনে সিলেট মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুটি কাজ করলে পরিচ্ছন্ন নগর গড়া অনেক সহজ হবে। প্রথমত, যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং দ্বিতীয়ত, সিটি কর্পোরেশনের সব ধরনের কর যথাসময়ে পরিশোধ করা। তিনি বলেন, যথাস্থানে ময়লা না ফেললে শুধু শ্রমিক দিয়ে নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়; একইভাবে কর পরিশোধ না করলে উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হবে।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, দেশ-বিদেশে সিলেট একটি সুপরিচিত অঞ্চল। প্রবাসীরা উন্নত ও পরিচ্ছন্ন নগরে বসবাসে অভ্যস্ত। তারাও সিলেটকে একটি উন্নত নগর হিসেবে দেখতে চান। আমরা হয়তো লন্ডনের মতো নগর গড়তে পারব না, তবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে নিজেদের সক্ষমতার মধ্যেই একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব।

সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ব্যবসায়ী নেতা, পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। তারা হকারদের রাস্তা ও ফুটপাতে বসতে না দেওয়া, ড্রেন পরিষ্কারের পর ময়লা দ্রুত অপসারণ, রাস্তা কাটার আগে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিটি দোকানের সামনে ডাস্টবিন স্থাপন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে উৎসাহিত করতে পুরস্কার ঘোষণা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেললে জরিমানার ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।

সভায় বক্তব্য দেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন নূর, সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির লিটন, পরিবেশকর্মী আব্দুল করিম কিম, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের পরিচালক মো. জহির হোসেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, দোকান মালিক সমিতির নিয়াজ মো. আজিজুল করিম এবং প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নুরুল হাসান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. আহমদ নাফীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।