সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ট্রাফিক সপ্তাহ-২০২৬ এর সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সিলেট মহানগরীর সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ডিসি সারওয়ারকে পদায়ন করল সরকার সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে সিলেটের দুই মাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নতুন দানবাক্স স্থাপন ও পূর্বের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা সিলেটে ভারতের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র, সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা 

ওমর সানীর ক্যারিয়ার ধ্বংসের ৩টি কারণ জানালেন পরিচালক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ৬৫ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক :

অভিনেতা ওমর সানী ঢালিউড সুপারস্টার হয়েও ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যায়। পরিচালক ও অভিনেতা রবিউল ইসলাম রাজ বলেছেন, আজ অভিনেতা ওমর সানীর তিনটি ভুলের কারণে ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে।

ওমর সানীর সঙ্গে শওকত জামিল পরিচালিত ‘চালবাজ’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন রবিউল ইসলাম রাজ। মনোয়ার খোকন পরিচালিত ‘গরিবের রানী’ সিনেমাতেও কাজ করেন তিনি।

এ ছাড়া ওমর সানী অভিনীত পিএ কাজল পরিচালিত ‘বাঁচাও দেশ’ সিনেমায় খলচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সেই জনপ্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে এবার তিন ভুলে ক্যারিয়ার ধ্বংসের কথা জানালেন পরিচালক।

যে তিনটি কারণ হলো— আমজাদ হোসেনের সঙ্গে বেয়াদবি, আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারা এবং মৌসুমীকে বিয়ে করা।

রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, ‘অভিনেতা, লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন ব্যতিক্রমধর্মী একজন নির্মাতা ছিলেন। ১৯৯৩ সালের শেষের দিকে একজন সন্ত্রাসী সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানের দিনে আমজাদ হোসেনের সঙ্গে একটি ছোট্ট বেয়াদবি করেন ওমর সানী। সে কারণে দুদিন শুটিং করার পরে তাকে বাদ দেওয়া হয়।’

দ্বিতীয় ঘটনা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, নায়িকা মৌসুমী প্রযোজিত এবং মনোয়ার খোকন পরিচালিত গরিবের রানী সিনেমায় আহমেদ আলী মণ্ডল ছিলেন প্রধান সহকারী পরিচালক। আর সেই সিনেমায় নায়ক ছিলেন ওমর সানী। শুটিং চলছিল নারায়ণগঞ্জের পাগলা পপুলার স্টুডিওতে। সেখানেই নায়ক ওমর সানী আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারেন। তিনি বলেন, যে কারণে সহকারী পরিচালক সমিতি (সিডাব) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল—নায়ক ওমর সানী যেসব সিনেমায় কাজ করবে, সেই সিনেমায় কোনো সহকারী পরিচালক কাজ করবে না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ নির্মাতা বলেন, তখন পরিচালক সমিতির নেতৃত্বে ওমর সানীকে উঁচু একটি ঘোড়ার ওপর উঠিয়ে এফডিসির মধ্যে সবার সামনে হাতজোড় করে মাফ চাওয়ান এবং সমাধান করে দেন।

রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, আর তৃতীয় কারণ হচ্ছে—১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট নায়ক ওমর সানী নায়িকা মৌসুমীকে বিয়ে করেন। এতে বহু সিনেমা ব্যবসায়িক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  যে কারণে প্রযোজক ও পরিচালকদের মন খারাপ হয়ে যায় নায়ক ওমর সানীর ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওমর সানীর ক্যারিয়ার ধ্বংসের ৩টি কারণ জানালেন পরিচালক

আপডেট সময় : ০১:২৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক :

অভিনেতা ওমর সানী ঢালিউড সুপারস্টার হয়েও ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যায়। পরিচালক ও অভিনেতা রবিউল ইসলাম রাজ বলেছেন, আজ অভিনেতা ওমর সানীর তিনটি ভুলের কারণে ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে।

ওমর সানীর সঙ্গে শওকত জামিল পরিচালিত ‘চালবাজ’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন রবিউল ইসলাম রাজ। মনোয়ার খোকন পরিচালিত ‘গরিবের রানী’ সিনেমাতেও কাজ করেন তিনি।

এ ছাড়া ওমর সানী অভিনীত পিএ কাজল পরিচালিত ‘বাঁচাও দেশ’ সিনেমায় খলচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সেই জনপ্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে এবার তিন ভুলে ক্যারিয়ার ধ্বংসের কথা জানালেন পরিচালক।

যে তিনটি কারণ হলো— আমজাদ হোসেনের সঙ্গে বেয়াদবি, আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারা এবং মৌসুমীকে বিয়ে করা।

রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, ‘অভিনেতা, লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন ব্যতিক্রমধর্মী একজন নির্মাতা ছিলেন। ১৯৯৩ সালের শেষের দিকে একজন সন্ত্রাসী সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানের দিনে আমজাদ হোসেনের সঙ্গে একটি ছোট্ট বেয়াদবি করেন ওমর সানী। সে কারণে দুদিন শুটিং করার পরে তাকে বাদ দেওয়া হয়।’

দ্বিতীয় ঘটনা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, নায়িকা মৌসুমী প্রযোজিত এবং মনোয়ার খোকন পরিচালিত গরিবের রানী সিনেমায় আহমেদ আলী মণ্ডল ছিলেন প্রধান সহকারী পরিচালক। আর সেই সিনেমায় নায়ক ছিলেন ওমর সানী। শুটিং চলছিল নারায়ণগঞ্জের পাগলা পপুলার স্টুডিওতে। সেখানেই নায়ক ওমর সানী আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারেন। তিনি বলেন, যে কারণে সহকারী পরিচালক সমিতি (সিডাব) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল—নায়ক ওমর সানী যেসব সিনেমায় কাজ করবে, সেই সিনেমায় কোনো সহকারী পরিচালক কাজ করবে না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ নির্মাতা বলেন, তখন পরিচালক সমিতির নেতৃত্বে ওমর সানীকে উঁচু একটি ঘোড়ার ওপর উঠিয়ে এফডিসির মধ্যে সবার সামনে হাতজোড় করে মাফ চাওয়ান এবং সমাধান করে দেন।

রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, আর তৃতীয় কারণ হচ্ছে—১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট নায়ক ওমর সানী নায়িকা মৌসুমীকে বিয়ে করেন। এতে বহু সিনেমা ব্যবসায়িক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  যে কারণে প্রযোজক ও পরিচালকদের মন খারাপ হয়ে যায় নায়ক ওমর সানীর ওপর।