সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গ্যাসের তীব্র সংকট : লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিলেটের সাবেক দুই ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ময়লার স্তুপে পাওয়া খণ্ডিত পায়ের পাতা নিয়ে আতঙ্ক সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ

গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

গাজা উপত্যকায় বর্তমানে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ সমর্থিত সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেইজ ক্লাসিফিকেশন বা আইপিসি।

তাদের এক পর্যালোচনায় সতর্কতা উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, অসংখ্য প্রমাণে দেখা যাচ্ছে যে ব্যাপক অনাহার, অপুষ্টি ও বিভিন্ন রোগ থেকে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর হার বাড়ছে।

সর্বশেষ তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ অংশ দুর্ভিক্ষের সীমায় পৌঁছেছে এবং গাজা সিটিতে মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দিয়েছে। 

আইপিসি হলো দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি চিহ্নিত করার জন্য জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, সাহায্য গোষ্ঠী এবং সরকারগুলোর একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ।

গত মে মাসে আইপিসি বলেছিল যে গাজার প্রায় ২১ লাখ ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের ‘গুরুতর ঝুঁকিতে’ রয়েছে এবং ‘চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার’ মুখোমুখি হয়েছে।

আইপিসি জানিয়েছে, তাদের এই সতর্কতা গাজায় দুর্ভিক্ষের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করছে না। বরং তারা সময় ক্ষেপণ না করে এ বিষয়ে আরও বিশ্লেষণ করবে।

সম্প্রতি গাজায় খাদ্য সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে ইসরাইল উপত্যকাটিতে পুরোপুরি অবরোধ আরোপ করে, যা মে মাসে আংশিক তুলে নেওয়া হলেও এখনও সীমিত পরিমাণে ত্রাণ ঢুকছে। জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর সতর্কতা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সাহায্য ঢুকতে পারছে না।

মঙ্গলবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে আরও ৮০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।  এছাড়া ইসরাইলি অবরোধের ফলে অনাহারে উপত্যকাটিতে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এদের মধ্যে দুজন শিশু। 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর অপুষ্টিজনিত কারণে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭ জনে, যাদের মধ্যে ৮৮ জনই শিশু।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

গাজা উপত্যকায় বর্তমানে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ সমর্থিত সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেইজ ক্লাসিফিকেশন বা আইপিসি।

তাদের এক পর্যালোচনায় সতর্কতা উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, অসংখ্য প্রমাণে দেখা যাচ্ছে যে ব্যাপক অনাহার, অপুষ্টি ও বিভিন্ন রোগ থেকে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর হার বাড়ছে।

সর্বশেষ তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ অংশ দুর্ভিক্ষের সীমায় পৌঁছেছে এবং গাজা সিটিতে মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দিয়েছে। 

আইপিসি হলো দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি চিহ্নিত করার জন্য জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, সাহায্য গোষ্ঠী এবং সরকারগুলোর একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ।

গত মে মাসে আইপিসি বলেছিল যে গাজার প্রায় ২১ লাখ ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের ‘গুরুতর ঝুঁকিতে’ রয়েছে এবং ‘চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার’ মুখোমুখি হয়েছে।

আইপিসি জানিয়েছে, তাদের এই সতর্কতা গাজায় দুর্ভিক্ষের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করছে না। বরং তারা সময় ক্ষেপণ না করে এ বিষয়ে আরও বিশ্লেষণ করবে।

সম্প্রতি গাজায় খাদ্য সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে ইসরাইল উপত্যকাটিতে পুরোপুরি অবরোধ আরোপ করে, যা মে মাসে আংশিক তুলে নেওয়া হলেও এখনও সীমিত পরিমাণে ত্রাণ ঢুকছে। জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর সতর্কতা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সাহায্য ঢুকতে পারছে না।

মঙ্গলবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে আরও ৮০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।  এছাড়া ইসরাইলি অবরোধের ফলে অনাহারে উপত্যকাটিতে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এদের মধ্যে দুজন শিশু। 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর অপুষ্টিজনিত কারণে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭ জনে, যাদের মধ্যে ৮৮ জনই শিশু।