সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান বঙ্গবন্ধুর ৫১ তম শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সিলেট শাহজালাল (রহ.) মাজারের তৃতীয় দফায় দানবাক্স খুলে টাকা গণনা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথরে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গ্যাসের তীব্র সংকট : লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিলেটের সাবেক দুই ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ময়লার স্তুপে পাওয়া খণ্ডিত পায়ের পাতা নিয়ে আতঙ্ক সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন

সিলেট শাহজালাল (রহ.) মাজারের তৃতীয় দফায় দানবাক্স খুলে টাকা গণনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা চলছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় গণনার কাজ। এনিয়ে তৃতীয় দফায় দানবাক্স খুলে টাকা গণনা হচ্ছে।

এর আগে ২২ জুন ও ১১ জুলাই প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে দানবাক্স ও দানের ডেগগুলোর সিলগালা খোলার কার্যক্রম শুরু হয়। ৩টি ডেগ ও ৩টি বড় দানবাক্স খোলার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় টাকা গণনা। অন্তত ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী মিলে টাকা গুনছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, আগের দুইবারের চেয়ে এবার দানবাক্সে বেশি টাকা পড়েছে। ১ মাস ৪ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে প্রচুর পরিমান টাকা মিলেছে। তবে টাকা গোনা শেষ হতে হতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তাঁর নির্দেশে ১৮ জুন ডেগে সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হলে স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দেয়।

বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটিকে ‘রুটিন বদলি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

নতুন দানবাক্স স্থাপনের চার দিন পর ২২ জুন প্রথম দফায় তা খুলে গণনা করা হয়। এতে নগদ ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। 

প্রথম গণনার ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। তখন পাওয়া যায় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এ সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।

এবার দ্বিতীয় দফার গণনার ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছে। গণনা শেষে এবার কত টাকা পাওয়া যায়, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট শাহজালাল (রহ.) মাজারের তৃতীয় দফায় দানবাক্স খুলে টাকা গণনা

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা চলছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় গণনার কাজ। এনিয়ে তৃতীয় দফায় দানবাক্স খুলে টাকা গণনা হচ্ছে।

এর আগে ২২ জুন ও ১১ জুলাই প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে দানবাক্স ও দানের ডেগগুলোর সিলগালা খোলার কার্যক্রম শুরু হয়। ৩টি ডেগ ও ৩টি বড় দানবাক্স খোলার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় টাকা গণনা। অন্তত ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী মিলে টাকা গুনছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, আগের দুইবারের চেয়ে এবার দানবাক্সে বেশি টাকা পড়েছে। ১ মাস ৪ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে প্রচুর পরিমান টাকা মিলেছে। তবে টাকা গোনা শেষ হতে হতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তাঁর নির্দেশে ১৮ জুন ডেগে সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হলে স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দেয়।

বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটিকে ‘রুটিন বদলি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

নতুন দানবাক্স স্থাপনের চার দিন পর ২২ জুন প্রথম দফায় তা খুলে গণনা করা হয়। এতে নগদ ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। 

প্রথম গণনার ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। তখন পাওয়া যায় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এ সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।

এবার দ্বিতীয় দফার গণনার ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছে। গণনা শেষে এবার কত টাকা পাওয়া যায়, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।