সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ সিলেটে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ১, সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপ,দুটি আবাসিক হোটেল সিলগালা সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাইপণ্য জব্দ,আটক ১

বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না, তাড়াহুড়োর কী ছিল: মোদিকে মমতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংশোধিত ওয়াকফ বিল পাস নিয়ে উত্তপ্ত এখন গোটা ভারত। মুসলামনের বিরুদ্ধে মোদি সরকারের অধীনে পাস হওয়া এই আইনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাংলাদেশেও। এই অবস্থায় ওয়াকফ ইস্যুতে বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে মুসলিমদের ধৈর্য ধারণ এবং ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে মোদির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জিমদের সম্মেলনের বক্তৃতার অনেকটা অংশ জুড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ছিলেন অমিত শাহ। সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির ঘটনাতে শাহকে দায়ী করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো এবং বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতার আক্রমণ থেকে এদিন বাঁচতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী মোদি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে ওয়াকফ সংশোধনী বিল কেন তাড়াহুড়ো করে পাস করা হলো সেই প্রশ্ন তার। মোদির উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না? এত তাড়াহুড়োর কী ছিল? পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য। আপনি ইউনূসের সঙ্গে গোপনে মিটিং করছেন, চুক্তি করছেন। করেছেন করুন। তাতে দেশের ভাল হলে আমার কিছু বলার নেই।’

অমিত শাহকে উদ্দেশ করে মমতা বলেন, ‘আপনি কোনও দিন প্রধানমন্ত্রী হবেন না। মোদিজির প্রধানমন্ত্রীত্ব গেলে আপনার কী হবে? আপনাকে তো হামাগুড়ি দিতে হবে।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘আমি মোদিজিকে অনুরোধ করছি, ওই লোকটাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। একটা লোকের হাতে সব এজেন্সি। যেমন পারছে ব্যবহার করছে।’

সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে মমতার অনুরোধ, ‘এক বছর ধৈর্য ধরুন। দিল্লিতে অনেক পরিবর্তন হবে। নতুন সরকার হলে আশা করি হামাগুড়িবাবু ঢুকবেন না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না, তাড়াহুড়োর কী ছিল: মোদিকে মমতা

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংশোধিত ওয়াকফ বিল পাস নিয়ে উত্তপ্ত এখন গোটা ভারত। মুসলামনের বিরুদ্ধে মোদি সরকারের অধীনে পাস হওয়া এই আইনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাংলাদেশেও। এই অবস্থায় ওয়াকফ ইস্যুতে বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে মুসলিমদের ধৈর্য ধারণ এবং ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে মোদির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জিমদের সম্মেলনের বক্তৃতার অনেকটা অংশ জুড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ছিলেন অমিত শাহ। সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির ঘটনাতে শাহকে দায়ী করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো এবং বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতার আক্রমণ থেকে এদিন বাঁচতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী মোদি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে ওয়াকফ সংশোধনী বিল কেন তাড়াহুড়ো করে পাস করা হলো সেই প্রশ্ন তার। মোদির উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না? এত তাড়াহুড়োর কী ছিল? পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য। আপনি ইউনূসের সঙ্গে গোপনে মিটিং করছেন, চুক্তি করছেন। করেছেন করুন। তাতে দেশের ভাল হলে আমার কিছু বলার নেই।’

অমিত শাহকে উদ্দেশ করে মমতা বলেন, ‘আপনি কোনও দিন প্রধানমন্ত্রী হবেন না। মোদিজির প্রধানমন্ত্রীত্ব গেলে আপনার কী হবে? আপনাকে তো হামাগুড়ি দিতে হবে।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘আমি মোদিজিকে অনুরোধ করছি, ওই লোকটাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। একটা লোকের হাতে সব এজেন্সি। যেমন পারছে ব্যবহার করছে।’

সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে মমতার অনুরোধ, ‘এক বছর ধৈর্য ধরুন। দিল্লিতে অনেক পরিবর্তন হবে। নতুন সরকার হলে আশা করি হামাগুড়িবাবু ঢুকবেন না।’