সংবাদ শিরোনাম ::

টার্গেট ছিলেন মিসবাহ, খুন হলেন সুজন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

 মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারে ভাড়াটে খুনিরা মিসবাহ নামের এক নিরাপত্তারক্ষীকে খুন করতে গিয়ে ভুলে আইনজীবী সুজন মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা এক মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ এই তথ্য জানান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার এম, কে, এইচ, জাহাঙ্গীর হোসেন (পিপিএম-সেবা)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নজির মিয়া (২৫), মো. আরিফ মিয়া (২৭), হোসাইন আহমদ সোহান (১৯), লক্ষন নাইডু (২৩) এবং আব্দুর রহিম (১৯)।

প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়, নজির মিয়ার সাথে প্রতিবেশি মিসবাহর পূর্বশত্রুতা ছিল। এর জেরেই মিসবাহকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সেজন্য মিসবাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে আরেক আসামি লক্ষনের মাধ্যমে লোক ভাড়া করে নজির। ৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মিসবাহ ভেবে ভিডিও কল ও পরে পাঠানো ছবির সাথে সুজন মিয়ার মিল পাওয়ায় হত্যা নির্দেশ দেয় নজির। পরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সুজন মিয়া (৩২) নিহত হন।

এ ঘটনার পর নিহতের ভাই এনামুল হক সুমন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই বিভিন্ন সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেফতার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টার্গেট ছিলেন মিসবাহ, খুন হলেন সুজন

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারে ভাড়াটে খুনিরা মিসবাহ নামের এক নিরাপত্তারক্ষীকে খুন করতে গিয়ে ভুলে আইনজীবী সুজন মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা এক মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ এই তথ্য জানান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার এম, কে, এইচ, জাহাঙ্গীর হোসেন (পিপিএম-সেবা)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নজির মিয়া (২৫), মো. আরিফ মিয়া (২৭), হোসাইন আহমদ সোহান (১৯), লক্ষন নাইডু (২৩) এবং আব্দুর রহিম (১৯)।

প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়, নজির মিয়ার সাথে প্রতিবেশি মিসবাহর পূর্বশত্রুতা ছিল। এর জেরেই মিসবাহকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সেজন্য মিসবাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে আরেক আসামি লক্ষনের মাধ্যমে লোক ভাড়া করে নজির। ৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মিসবাহ ভেবে ভিডিও কল ও পরে পাঠানো ছবির সাথে সুজন মিয়ার মিল পাওয়ায় হত্যা নির্দেশ দেয় নজির। পরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সুজন মিয়া (৩২) নিহত হন।

এ ঘটনার পর নিহতের ভাই এনামুল হক সুমন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই বিভিন্ন সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেফতার করে।