সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক

দাম বাড়ল পেঁয়াজের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হলেও দাম কমছে না। আমদানিকারকরা অতিরিক্ত দামে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারদের পেঁয়াজ বিক্রি করছে। এ কারণে পাইকাররা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছেও বেশি দামে বিক্রি করছে।

আমদানিকারকরা কোনো কারণ ছাড়াই পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে নগরীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় এবং আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকার বেশি দামে। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। পেঁয়াজের আড়তদার কামরুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও আমদানিকারকরা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে আড়তদারদের বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে।

সবজির বাজার দর

চট্টগ্রামের কাঁচা বাজারগুলোতে কম দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ২০-২৫ টাকা, বাঁধাকপি ও ফুলকপি ২৫, শিম ৩০-৪০, বরবটি ৬০, মুলা ২০, শসা ৩৫-৪০ ও কচুর লতি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলার হালি ৩০, শালগম ৪০, গাজর ৩০, প্রতি কেজি পেঁপে ২৫-৩০, ঝিঙে-ধুন্দুল ৭০, টমেটো ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায় ও পাইকারিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি কেজি পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২২০, চাষের শিং ৫০০ থেকে ৫৫০, আকারভেদে চাষের পাঙাশ ১৮০-২২০, ১ কেজি ওজনের রুই ২৫০-২৮০, বড় রুই ৩৫০-৪৫০। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। আর আকারভেদে প্রতি কেজি কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০, কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০, ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ ও চিতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দাম বাড়ল পেঁয়াজের

আপডেট সময় : ০৪:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হলেও দাম কমছে না। আমদানিকারকরা অতিরিক্ত দামে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারদের পেঁয়াজ বিক্রি করছে। এ কারণে পাইকাররা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছেও বেশি দামে বিক্রি করছে।

আমদানিকারকরা কোনো কারণ ছাড়াই পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে নগরীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় এবং আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকার বেশি দামে। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। পেঁয়াজের আড়তদার কামরুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও আমদানিকারকরা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে আড়তদারদের বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে।

সবজির বাজার দর

চট্টগ্রামের কাঁচা বাজারগুলোতে কম দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ২০-২৫ টাকা, বাঁধাকপি ও ফুলকপি ২৫, শিম ৩০-৪০, বরবটি ৬০, মুলা ২০, শসা ৩৫-৪০ ও কচুর লতি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলার হালি ৩০, শালগম ৪০, গাজর ৩০, প্রতি কেজি পেঁপে ২৫-৩০, ঝিঙে-ধুন্দুল ৭০, টমেটো ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায় ও পাইকারিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি কেজি পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২২০, চাষের শিং ৫০০ থেকে ৫৫০, আকারভেদে চাষের পাঙাশ ১৮০-২২০, ১ কেজি ওজনের রুই ২৫০-২৮০, বড় রুই ৩৫০-৪৫০। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। আর আকারভেদে প্রতি কেজি কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০, কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০, ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ ও চিতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।