সুনামগঞ্জ সদরে মাটি কাটায় ইউ/পি চেয়ারম্যান নুরুল হককে ৭০ হাজার টাকা অর্থদন্ড
- আপডেট সময় : ০৪:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
রুহুল আমীন তালুকদার,সিলেট :
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি’র বহিস্কৃত নেতা নুরুল হক (৫৫) আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে একই ইউনিয়নের বুড়িস্থল সাকিনের আব্দুল আওয়ালের এক্সেভেটর ও আলমপুর সাকিনের আঙ্গুর মিয়ার দু’টি ট্রাক্টর ভাড়া নিয়ে মাটির ব্যবসার লক্ষে প্রতিবছর অবৈধ ভাবে কৃষি জমির টপ সয়েল ( জমির মাটির উপরের অংশ) গভীর গর্ত করে কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্হাপনা আইনে ৭০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
৯জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বেলা ২টায় উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর (জগন্নাথপুর) এলাকায় সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোঃ ইসমাইল রহমান তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার জালালপুর সাকিনের- মৃৃত সুনু মিয়ার ছেলে, ডাঃ সেলিম আহমদের অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার(ভূমি) এ’এলাকায় তদন্তে যান। স্থানীয়রা জানান,এসময় তিনি দেখতে পান এক্সেভেটর দিয়ে অবৈধ ভাবে কৃষি জমির টপ সয়েল(জমির মাটির উপরের অংশ) গভীর গর্ত করে কেটে ট্রাক্টর ও ড্রাম ট্রাক দিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছে নুরুল হক(চেয়ারম্যান)’র সহচররা। তাৎক্ষণিক তিনি সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মাটি কাটার ব্যবহৃত একটি এক্সেভেটর, ও দুটি বড় ট্রাক্টর জব্দ করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারা মতে দুর্নীতির দ্বায়ে একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি’র বহিস্কৃত নেতা নুরুল হক’কে ৭০ হাজাত টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এ’বিষয়ে জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইসমাইল রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের জন্য বার বার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অতপরঃ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড.মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,কৃষি জমির সুরক্ষা ও অনাবাদি জমি আবাদের বিষয়ে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সে মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার(ভূমি)’র বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষি জমির টপ সয়েল কর্তনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।




























