সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার- শিক্ষামন্ত্রী লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত

প্রতিশোধের কথা জানালেন সাঈদীর ছেলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মেজো ছেলে শামীম বিন সাঈদী বলেছেন, ‘কোরআনের পাখিকে জেলখানা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলো হার্ট অ্যাটাকের কথা বলে। হার্ট অ্যাটাকের রোগী হুইলচেয়ারে চলে নাকি স্ট্রেচারে শুয়ে থাকে? সেদিন তিনি এত সুন্দর মিষ্টি মধুর হাসি দিলেন— এর আগে কি কখনো এত সুন্দর হাসি দেখেছেন তার? আমি দেখিনি। আপনারা দেখেছেন কি না জানি না ‘

চট্টগ্রামের মীরসরাই সোবাহানিয়া দরবার শরিফের ১১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক আজিমুশশান ওয়াজ মাহফিলে বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শামীম বিন সাঈদী বলেন, ‘তিনি (দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) যাওয়ার আগে সারা পৃথিবীর মানুষকে এত সুন্দরভাবে সালাম দিয়ে বিদায় নিয়ে গেলেন।

কারো কপালে এ রকম সৌভাগ্য হয় না। কেউ একজন জিজ্ঞেস করেছেন- আপনার কি কষ্ট হচ্ছে? কেমন আছেন? তিনি সাথে সাথে বললেন— আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন। আপনারা দেখছেন না ভিডিওতে? ওই যে হাসি দেখছেন, এটা কি শুধু হাসি! এটা শুধু হাসি না; ওই হাসির মাঝে প্রতিবাদ আছে। ১৩ বছর নয়, ২৬ বছর নয়, ৩০ বছর বন্দি করে রাখলেও আল্লামা সাঈদীর মাথা নত হতে জানে না।

তার চলে যাওয়া অস্বাভাবিক ছিল। কারণ তাকে হাসপাতালে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। কোরআনের রাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই প্রতিশোধ নেব ইনশাল্লাহ।’

তিনি আরো বলেন, ‘৫ মে আলেম-ওলামাদের শাপলা চত্বরে নিয়ে লাইট অফ করে দিয়ে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আলেম-ওলামাদের রক্ত বৃথা যাবে না। এই বাংলার মাটিতে ইসলামের পতাকা, কালেমার পতাকা উড্ডীন হবেই হবে। ইনশাল্লাহ। সেদিন দূরে নয়, যে স্বপ্ন দেখেছেন আল্লামা সাঈদী, সেই স্বপ্ন ইনশাল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। আল্লাহ আমাদেরকে দেখাবেন। তিনি দেখতে পারেন নাই। কিন্তু আল্লাহ আপনাদের দেখাবেন।’

সোবহানীয়া জামেয়া-ই-নাছেরিয়া ট্রাস্ট ময়দানে অনুষ্ঠিত মাহফিল বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসিরীনের সহসভাপতি ও সোবহানীয়া কমপ্লেক্সে, মীরসরাইয়ের পীর সাহেব (শাহ আল্লামা) আবদুল মোমেন নাছেরীর সভাপতিত্বে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এইচ এজেন্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল আলীম, ধর্মীয় আলোচক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো.  রোকন উদ-দ্দৌলা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বায়তুল মোয়াজ্জম জামে মসজিদের খতিব প্রফেসর ড. মো. সফিউদ্দিন মাদানী।

এ সময় প্রধান মুফাসসির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলাহুল উম্মাহ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা আবু হানীফ নেছারী। প্রধান ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নায়েবে আমির, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির শাইখুল হাদীস আল্লামা মহিউদ্দিন রাব্বানী। বিশেষ ওয়ায়েজ হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক্যাল জামে মসজিদের খতিব ও অধ্যাপক মাওলানা বোরহান উদ্দিন, বারো আউলিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হালিম হেলালী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলার আমির মাওলানা নুরুল কবির, সোবহানীয়া জামেয়া-ই-নাছেরীয়া ট্রাস্টের পরিচালক পীরজাদা আবু তাহসিন নাছেরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রতিশোধের কথা জানালেন সাঈদীর ছেলে

আপডেট সময় : ০২:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মেজো ছেলে শামীম বিন সাঈদী বলেছেন, ‘কোরআনের পাখিকে জেলখানা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলো হার্ট অ্যাটাকের কথা বলে। হার্ট অ্যাটাকের রোগী হুইলচেয়ারে চলে নাকি স্ট্রেচারে শুয়ে থাকে? সেদিন তিনি এত সুন্দর মিষ্টি মধুর হাসি দিলেন— এর আগে কি কখনো এত সুন্দর হাসি দেখেছেন তার? আমি দেখিনি। আপনারা দেখেছেন কি না জানি না ‘

চট্টগ্রামের মীরসরাই সোবাহানিয়া দরবার শরিফের ১১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক আজিমুশশান ওয়াজ মাহফিলে বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শামীম বিন সাঈদী বলেন, ‘তিনি (দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) যাওয়ার আগে সারা পৃথিবীর মানুষকে এত সুন্দরভাবে সালাম দিয়ে বিদায় নিয়ে গেলেন।

কারো কপালে এ রকম সৌভাগ্য হয় না। কেউ একজন জিজ্ঞেস করেছেন- আপনার কি কষ্ট হচ্ছে? কেমন আছেন? তিনি সাথে সাথে বললেন— আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন। আপনারা দেখছেন না ভিডিওতে? ওই যে হাসি দেখছেন, এটা কি শুধু হাসি! এটা শুধু হাসি না; ওই হাসির মাঝে প্রতিবাদ আছে। ১৩ বছর নয়, ২৬ বছর নয়, ৩০ বছর বন্দি করে রাখলেও আল্লামা সাঈদীর মাথা নত হতে জানে না।

তার চলে যাওয়া অস্বাভাবিক ছিল। কারণ তাকে হাসপাতালে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। কোরআনের রাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই প্রতিশোধ নেব ইনশাল্লাহ।’

তিনি আরো বলেন, ‘৫ মে আলেম-ওলামাদের শাপলা চত্বরে নিয়ে লাইট অফ করে দিয়ে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আলেম-ওলামাদের রক্ত বৃথা যাবে না। এই বাংলার মাটিতে ইসলামের পতাকা, কালেমার পতাকা উড্ডীন হবেই হবে। ইনশাল্লাহ। সেদিন দূরে নয়, যে স্বপ্ন দেখেছেন আল্লামা সাঈদী, সেই স্বপ্ন ইনশাল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। আল্লাহ আমাদেরকে দেখাবেন। তিনি দেখতে পারেন নাই। কিন্তু আল্লাহ আপনাদের দেখাবেন।’

সোবহানীয়া জামেয়া-ই-নাছেরিয়া ট্রাস্ট ময়দানে অনুষ্ঠিত মাহফিল বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসিরীনের সহসভাপতি ও সোবহানীয়া কমপ্লেক্সে, মীরসরাইয়ের পীর সাহেব (শাহ আল্লামা) আবদুল মোমেন নাছেরীর সভাপতিত্বে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এইচ এজেন্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল আলীম, ধর্মীয় আলোচক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো.  রোকন উদ-দ্দৌলা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বায়তুল মোয়াজ্জম জামে মসজিদের খতিব প্রফেসর ড. মো. সফিউদ্দিন মাদানী।

এ সময় প্রধান মুফাসসির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলাহুল উম্মাহ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা আবু হানীফ নেছারী। প্রধান ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নায়েবে আমির, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির শাইখুল হাদীস আল্লামা মহিউদ্দিন রাব্বানী। বিশেষ ওয়ায়েজ হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক্যাল জামে মসজিদের খতিব ও অধ্যাপক মাওলানা বোরহান উদ্দিন, বারো আউলিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হালিম হেলালী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলার আমির মাওলানা নুরুল কবির, সোবহানীয়া জামেয়া-ই-নাছেরীয়া ট্রাস্টের পরিচালক পীরজাদা আবু তাহসিন নাছেরী।