সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক

জামায়াতে ইসলামী আমাদের সঙ্গে একমত: হাসনাত আব্দুল্লাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৮১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

রাষ্ট্রপতি মু. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ নিয়ে অনেকটা বিভক্তি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি দল। 

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন আমরা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী বলেছে, রাষ্ট্রপতি তার পদে থাকার নৈতিক যোগ্যতা হারিয়েছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে রাষ্ট্রপতির অপসারণ, দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিষয়ে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা করেছি। বিএনপি বলেছে, তারা দলীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পর তাদের অবস্থান জানাবে।

এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ আজ রোববার (২৭ অক্টোবর) ছাত্রনেতারা ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এসব বিষয়ে বৈঠক করবেন বলে ঘোষণা দেন।

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। তবে আমরা এর জন্য কোনো সময়সীমা দেইনি। এছাড়া মানুষের প্রত্যাশা পূরণে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।

বৈঠকে প্রতিনিধিদলে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা ও প্রধান সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্থা শারমিন ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। 

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

পোস্টে দুদু ও সালাহউদ্দিনের বক্তব্য কোট করা ছবি প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপির দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে ৭২-এর সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। নিচের কোন বক্তব্যকে আমরা বিএনপির বক্তব্য হিসেবে ধরব?

পোস্টে উল্লেখ করা বক্তব্যে দুদু বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে বিদায় না করলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না’।  অন্যদিকে সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না বিএনপি’।  রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্যেই মূলত প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

এর আগে এক পোস্টে এই ছাত্র নেতা লেখেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী কোনও রাজনৈতিক ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। এই সংবিধানকে বাতিল করতে হবে। 

তিনি বলেন, ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণকে ছোট করা হয়েছে এবং অস্বীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সুনির্দিষ্ট একটি দলের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে।

আমরা মনে করি, গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়। এটিকে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত করতে হলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে জনগণের সংবিধানে রূপান্তরিত করতে হবে। সেজন্য ৭২-এর একদলীয় সংবিধানকে বাতিল করে একটি জনগণপন্থী সংবিধান রচনা করতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপোষহীন থাকব।

গতকালের পাঁচ দফার প্রথম দফা হলো ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন করে জনগণপন্থী সংবিধান লিখতে হবে। এ দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ৭২-এর সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বয়ান হলো গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী বয়ান। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী যেকোনো বয়ান আবার ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। সুতরাং ২৪- এর গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটে বিশ্বাসী ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তি ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পারে না।

আমাদের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিপ্লবে পরিণত করতে হলে পাঁচ দফা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই পাঁচ দফা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী ফ্যসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তির লড়াই অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াতে ইসলামী আমাদের সঙ্গে একমত: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় : ০১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

রাষ্ট্রপতি মু. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ নিয়ে অনেকটা বিভক্তি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি দল। 

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন আমরা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী বলেছে, রাষ্ট্রপতি তার পদে থাকার নৈতিক যোগ্যতা হারিয়েছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে রাষ্ট্রপতির অপসারণ, দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিষয়ে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা করেছি। বিএনপি বলেছে, তারা দলীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পর তাদের অবস্থান জানাবে।

এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ আজ রোববার (২৭ অক্টোবর) ছাত্রনেতারা ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এসব বিষয়ে বৈঠক করবেন বলে ঘোষণা দেন।

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। তবে আমরা এর জন্য কোনো সময়সীমা দেইনি। এছাড়া মানুষের প্রত্যাশা পূরণে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।

বৈঠকে প্রতিনিধিদলে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা ও প্রধান সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্থা শারমিন ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। 

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

পোস্টে দুদু ও সালাহউদ্দিনের বক্তব্য কোট করা ছবি প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপির দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে ৭২-এর সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। নিচের কোন বক্তব্যকে আমরা বিএনপির বক্তব্য হিসেবে ধরব?

পোস্টে উল্লেখ করা বক্তব্যে দুদু বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে বিদায় না করলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না’।  অন্যদিকে সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না বিএনপি’।  রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্যেই মূলত প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

এর আগে এক পোস্টে এই ছাত্র নেতা লেখেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী কোনও রাজনৈতিক ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। এই সংবিধানকে বাতিল করতে হবে। 

তিনি বলেন, ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণকে ছোট করা হয়েছে এবং অস্বীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সুনির্দিষ্ট একটি দলের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে।

আমরা মনে করি, গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়। এটিকে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত করতে হলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে জনগণের সংবিধানে রূপান্তরিত করতে হবে। সেজন্য ৭২-এর একদলীয় সংবিধানকে বাতিল করে একটি জনগণপন্থী সংবিধান রচনা করতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপোষহীন থাকব।

গতকালের পাঁচ দফার প্রথম দফা হলো ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন করে জনগণপন্থী সংবিধান লিখতে হবে। এ দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ৭২-এর সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বয়ান হলো গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী বয়ান। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী যেকোনো বয়ান আবার ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। সুতরাং ২৪- এর গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটে বিশ্বাসী ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তি ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পারে না।

আমাদের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিপ্লবে পরিণত করতে হলে পাঁচ দফা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই পাঁচ দফা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী ফ্যসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তির লড়াই অব্যাহত থাকবে।