সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ হবিগঞ্জ মাধবপুরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামারিরা হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ অভিযান সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পাঁচ তলা থেকে পড়ে রোগীর আত্মহত্যা ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব মনোনয়ন গ্রহণ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে থাই প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ

শেখ হাসিনার ‘সাবেক পি য় নে র’ বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনের কর্মচারী (পিয়ন) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে অনুসন্ধান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে সিআইডি।

জাহাঙ্গীর আলম নাম হলেও তিনি অনেকের কাছে পানি জাহাঙ্গীর নামেও পরিচিত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বিরোধী দলের নেত্রী ছিলেন, তখন তিনি শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনের ব্যক্তিগত স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তার মূল কাজ ছিল সুধা সদনে আসা লোকজনের কাছে খাবার পানি সরবরাহ করা।

এ কারণে তখন তার নাম হয়ে যায় পানি জাহাঙ্গীর। কিন্তু পরবর্তীতে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী পরিচয় ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের পদ, চাকরি নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য করেন জাহাঙ্গীর আলম। এই পরিচয়ে তিনি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদ পেয়েছেন। কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন।

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ৪০০ কোটি টাকার মালিকসহ গাড়ি-বাড়ির মালিক হয়েছেন। এ ছাড়া গত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-১ আসন (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন।জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে সাত কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদ থাকার কথাও জানা যায়। যার মধ্যে ধানমন্ডিতে দুই হাজার ৩৬০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, একটি গাড়ি, বিভিন্ন ব্যবসায় মূলধন ৭৩ লাখ টাকা এবং ব্যাংকে এক কোটি ১৭ লাখ টাকার তথ্য পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহাঙ্গীর আলমের নিজের নামে এলাকায় চার কোটি টাকার কৃষি ও অকৃষি জমি, মোহাম্মদপুর ও নিউমার্কেটে দুটি দোকান, মিরপুরে সাততলা ভবন ও দুটি ফ্ল্যাট, গ্রামের বাড়িতে একতলা ভবন ও চাটখিলে পৈতৃক ভিটায় চারতলা বাড়ি রয়েছে।এছাড়াও তার পরিবারের একটি আটতলা বাড়ি রয়েছে নোয়াখালী শহর মাইজদীর হরিনারায়নপুর এলাকায়, যার ১৯টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৮টি ভাড়ায় দেওয়া আছে।জাহাঙ্গীর আলম একে রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানির মালিক ও হুন্ডির মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন বলে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেখ হাসিনার ‘সাবেক পি য় নে র’ বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০২:০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনের কর্মচারী (পিয়ন) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে অনুসন্ধান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে সিআইডি।

জাহাঙ্গীর আলম নাম হলেও তিনি অনেকের কাছে পানি জাহাঙ্গীর নামেও পরিচিত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বিরোধী দলের নেত্রী ছিলেন, তখন তিনি শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনের ব্যক্তিগত স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তার মূল কাজ ছিল সুধা সদনে আসা লোকজনের কাছে খাবার পানি সরবরাহ করা।

এ কারণে তখন তার নাম হয়ে যায় পানি জাহাঙ্গীর। কিন্তু পরবর্তীতে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী পরিচয় ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের পদ, চাকরি নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য করেন জাহাঙ্গীর আলম। এই পরিচয়ে তিনি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদ পেয়েছেন। কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন।

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ৪০০ কোটি টাকার মালিকসহ গাড়ি-বাড়ির মালিক হয়েছেন। এ ছাড়া গত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-১ আসন (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন।জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে সাত কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদ থাকার কথাও জানা যায়। যার মধ্যে ধানমন্ডিতে দুই হাজার ৩৬০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, একটি গাড়ি, বিভিন্ন ব্যবসায় মূলধন ৭৩ লাখ টাকা এবং ব্যাংকে এক কোটি ১৭ লাখ টাকার তথ্য পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহাঙ্গীর আলমের নিজের নামে এলাকায় চার কোটি টাকার কৃষি ও অকৃষি জমি, মোহাম্মদপুর ও নিউমার্কেটে দুটি দোকান, মিরপুরে সাততলা ভবন ও দুটি ফ্ল্যাট, গ্রামের বাড়িতে একতলা ভবন ও চাটখিলে পৈতৃক ভিটায় চারতলা বাড়ি রয়েছে।এছাড়াও তার পরিবারের একটি আটতলা বাড়ি রয়েছে নোয়াখালী শহর মাইজদীর হরিনারায়নপুর এলাকায়, যার ১৯টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৮টি ভাড়ায় দেওয়া আছে।জাহাঙ্গীর আলম একে রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানির মালিক ও হুন্ডির মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন বলে জানা যায়।