সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

কানপুরে বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তা দিতে যা করছে ভারতীয় পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক :

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মাঠে গড়ানোর কথা কানপুরে। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচকে ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা রয়েছে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা কানপুর টেস্টে ঝামেলা পাকানোর হুমকি দিয়ে রেখেছে। তাই এই টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর উত্তর প্রদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ ঘিরে কানপুর শহর এখন উত্তপ্ত। ইতিমধ্যে গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে হিন্দু মহাসভা। এদিকে বুকিং থাকার পরও বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের রুম না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কানপুরের হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে। পরে বাংলাদেশ থেকে ম্যাচ দেখতে যাওয়া দর্শক এবং সাংবাদিকদের অনেককেই কানপুরের মুসলিম মালিকানাধীন হোটেলে ঠাঁই নিতে হয়েছে।

গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের নেটে বাংলাদেশ দল কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় অনুশীলন করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মাঠ এবং হোটেল ছাড়া অন্য কোথাও না যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উত্তর প্রদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিসিপি রাজেশ শ্রীবাস্তব নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিয়ে বলেন, ‘তিন ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। একটি হচ্ছে আইসোলেশন কর্ডন–যেটি মাঠ, পিচ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা দিচ্ছে। বাকি দুটি মাধ্যমে প্যাভিলিয়ন এ স্টেডিয়ামের রাস্তাসহ আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কর্ডনই তিন-চারটি ভাগে বিভক্ত। কাজ করছে ১ হাজার পুলিশ, ক্যামেরা রয়েছে ১০০–এর মতো।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেকে নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নিয়ে আমরা বিসিসিআইয়ের (ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) ওপরই আস্থা রাখছি। আমরা চিন্তিত নই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কানপুরে বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তা দিতে যা করছে ভারতীয় পুলিশ

আপডেট সময় : ০১:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্পোর্টস ডেস্ক :

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মাঠে গড়ানোর কথা কানপুরে। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচকে ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা রয়েছে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা কানপুর টেস্টে ঝামেলা পাকানোর হুমকি দিয়ে রেখেছে। তাই এই টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর উত্তর প্রদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ ঘিরে কানপুর শহর এখন উত্তপ্ত। ইতিমধ্যে গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে হিন্দু মহাসভা। এদিকে বুকিং থাকার পরও বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের রুম না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কানপুরের হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে। পরে বাংলাদেশ থেকে ম্যাচ দেখতে যাওয়া দর্শক এবং সাংবাদিকদের অনেককেই কানপুরের মুসলিম মালিকানাধীন হোটেলে ঠাঁই নিতে হয়েছে।

গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের নেটে বাংলাদেশ দল কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় অনুশীলন করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মাঠ এবং হোটেল ছাড়া অন্য কোথাও না যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উত্তর প্রদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিসিপি রাজেশ শ্রীবাস্তব নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিয়ে বলেন, ‘তিন ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। একটি হচ্ছে আইসোলেশন কর্ডন–যেটি মাঠ, পিচ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা দিচ্ছে। বাকি দুটি মাধ্যমে প্যাভিলিয়ন এ স্টেডিয়ামের রাস্তাসহ আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কর্ডনই তিন-চারটি ভাগে বিভক্ত। কাজ করছে ১ হাজার পুলিশ, ক্যামেরা রয়েছে ১০০–এর মতো।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেকে নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নিয়ে আমরা বিসিসিআইয়ের (ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) ওপরই আস্থা রাখছি। আমরা চিন্তিত নই।’