সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩ সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ সিলেট জেলা ডিবি ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত এসএমপি ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে অবৈধ ভারতীয় কম্বল উদ্ধার সিলেটে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০২৬ উদযাপিত

ছাত্র-জনতার আন্দোলন কোম্পানীগঞ্জে আহত ১৫,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :

ছাত্র-জনতার আ ন্দো ল ন : কোম্পানীগঞ্জে আহত ১৫, ঢাকায় চিকিৎসাধীন শিহাব

 সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত হয়েছেন ১৫ জন ছত্র-জনতা। তারা ৩ ও ৪ আগষ্ট মিছিলে অংশ নিয়ে আহত হয়। এদের মধ্যে এখানো ঢাকায় উন্নত চিকিৎসাধীন রয়েছে শিহাব আহমদ। তিনি ৪ আগষ্ট পরিষদ রোডে ছাত্রজনতার মিছিলে ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়। এদিকে পর পর দুইদিন গুলিতে আহত হয় ভোলাগঞ্জের রোহান আহমদ। সে আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে ছিল। এমন কি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায়ও মিছিলের আগে ছিল সে। গুলিবিদ্ধ ও আঘাত প্রাপ্ত ১৫জন ছাড়াও টিয়ারগ্যাসে অন্তত ৫০জন আহত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ও আঘাতপ্রাপ্ত হোন ভোলাগঞ্জের রোহান আহমদ একরাম আহমদ ও জামিল আহমদ ছামি ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রামের সায়মন আহমদ রুস্তমপুরের আলীরাজ টুকেরগাঁও এর শিহাব আহমদ এবং সুজন মিয়া টুকের বাজারের শাহিন আহমদ পাড়ুয়ার হারুন আহমদ পাড়ুয়া নোয়াগাঁও এর মিন্নত আলী শাহ আরেফিন বাজারের সুলেমান আহমেদ ও রুবেল আহমেদ লাছুখালের শাকিল মিয়া দক্ষিণ বুড়দেও এর রনি আহমদ এবং কাঁঠালবাড়ীর নাজমুল আহমেদ।

আন্দোলনের শুরু থেকে মাঠে সক্রিয় ছিলেন রুহান আহমদ। ছাত্রলীগের হামলায় সে পরপর ২দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। ৩ ও ৪ আগষ্ট মিছিলের অগ্রভাগে থাকায় তার শরীরে গুলি লাগে। রুহান জানান ৩ আগষ্ট আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ গেইট অতিক্রম করছিলাম। এমন সময় পরিষদ গেইটের সামন থেকে আমাদের মিছিলে হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এসময় তাদের সাথে আমাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। আমাদের মিছিল পরিষদ গেইটে ঢুকলে পুলিশের হাত থেকে বন্দুক নিয়ে গুলি চালায় ছাত্রলীগ। এতে আমার বুকে ছররা গুলি লাগে। এদিন ফার্মেসিতে দেখিয়ে কিছু ঔষধ খেয়েছিলাম। রাতে ছাত্রলীগ আমাকে বার বার হুমকি দিচ্ছিল মিছিলে না যাওয়ার জন্য। পরদিন ৪ আগষ্ট আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবারও ভোলাগঞ্জ থেকে মিছিল নিয়ে টুকের বাজার হয়ে উপজেলা পরিষদের দিকে যাই। পরিষদ গেইটে যাওয়ার আগেই পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে অনেকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে আবারও সবাই জড়ো হয়ে উপজেলা পরিষদ গেইট অতিক্রম করার সময় ছাত্রলীগের ছোড়া ৭টি রাবার বুলেট আমার পিঠে ও মাথায় লাগে। এদিন ছাত্রলীগ আমাকে টার্গেট করে মেরে ফেলার জন্য গুলি করেছিল। তাৎক্ষণিক আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আমাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় ২০দিন পর আমি সুস্থ হই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ছাত্র-জনতার আন্দোলন কোম্পানীগঞ্জে আহত ১৫,

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :

ছাত্র-জনতার আ ন্দো ল ন : কোম্পানীগঞ্জে আহত ১৫, ঢাকায় চিকিৎসাধীন শিহাব

 সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত হয়েছেন ১৫ জন ছত্র-জনতা। তারা ৩ ও ৪ আগষ্ট মিছিলে অংশ নিয়ে আহত হয়। এদের মধ্যে এখানো ঢাকায় উন্নত চিকিৎসাধীন রয়েছে শিহাব আহমদ। তিনি ৪ আগষ্ট পরিষদ রোডে ছাত্রজনতার মিছিলে ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়। এদিকে পর পর দুইদিন গুলিতে আহত হয় ভোলাগঞ্জের রোহান আহমদ। সে আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে ছিল। এমন কি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায়ও মিছিলের আগে ছিল সে। গুলিবিদ্ধ ও আঘাত প্রাপ্ত ১৫জন ছাড়াও টিয়ারগ্যাসে অন্তত ৫০জন আহত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ও আঘাতপ্রাপ্ত হোন ভোলাগঞ্জের রোহান আহমদ একরাম আহমদ ও জামিল আহমদ ছামি ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রামের সায়মন আহমদ রুস্তমপুরের আলীরাজ টুকেরগাঁও এর শিহাব আহমদ এবং সুজন মিয়া টুকের বাজারের শাহিন আহমদ পাড়ুয়ার হারুন আহমদ পাড়ুয়া নোয়াগাঁও এর মিন্নত আলী শাহ আরেফিন বাজারের সুলেমান আহমেদ ও রুবেল আহমেদ লাছুখালের শাকিল মিয়া দক্ষিণ বুড়দেও এর রনি আহমদ এবং কাঁঠালবাড়ীর নাজমুল আহমেদ।

আন্দোলনের শুরু থেকে মাঠে সক্রিয় ছিলেন রুহান আহমদ। ছাত্রলীগের হামলায় সে পরপর ২দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। ৩ ও ৪ আগষ্ট মিছিলের অগ্রভাগে থাকায় তার শরীরে গুলি লাগে। রুহান জানান ৩ আগষ্ট আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ গেইট অতিক্রম করছিলাম। এমন সময় পরিষদ গেইটের সামন থেকে আমাদের মিছিলে হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এসময় তাদের সাথে আমাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। আমাদের মিছিল পরিষদ গেইটে ঢুকলে পুলিশের হাত থেকে বন্দুক নিয়ে গুলি চালায় ছাত্রলীগ। এতে আমার বুকে ছররা গুলি লাগে। এদিন ফার্মেসিতে দেখিয়ে কিছু ঔষধ খেয়েছিলাম। রাতে ছাত্রলীগ আমাকে বার বার হুমকি দিচ্ছিল মিছিলে না যাওয়ার জন্য। পরদিন ৪ আগষ্ট আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবারও ভোলাগঞ্জ থেকে মিছিল নিয়ে টুকের বাজার হয়ে উপজেলা পরিষদের দিকে যাই। পরিষদ গেইটে যাওয়ার আগেই পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে অনেকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে আবারও সবাই জড়ো হয়ে উপজেলা পরিষদ গেইট অতিক্রম করার সময় ছাত্রলীগের ছোড়া ৭টি রাবার বুলেট আমার পিঠে ও মাথায় লাগে। এদিন ছাত্রলীগ আমাকে টার্গেট করে মেরে ফেলার জন্য গুলি করেছিল। তাৎক্ষণিক আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আমাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় ২০দিন পর আমি সুস্থ হই।