সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ হবিগঞ্জ মাধবপুরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামারিরা হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ অভিযান সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পাঁচ তলা থেকে পড়ে রোগীর আত্মহত্যা ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব মনোনয়ন গ্রহণ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে থাই প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিলেটে অপকর্ম রোধে বি এন পি পরিবারের কঠোর হুশিয়ারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

মিথ্যা মামলা, দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলেই বহিস্কার

পাঁচ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর যখন দেশজুড়ে আনন্দ উৎসব চলছিল তখন একটি মহল মেতে ওঠে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে। ওই রাতেই সিলেট বিএনপির নেতারা পিকআপে চড়ে রাস্তায় নামেন তাণ্ডব থামাতে। নাশকতা ও বিশৃঙ্খলারোধে তারা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপি নেতাদের কঠোর হস্তক্ষেপে লুটপাট, হামলা ও ভাঙচুর থামলেও এখন শুরু হয়েছে মামলা বাণিজ্য, দখল ও চাঁদাবাজি। এসব কর্মকান্ডে দুর্বৃত্তরা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নাম ভাঙানোরও অভিযোগ ওঠেছে। সংগঠনকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখতে এবার কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা কোন ধরণের অপকর্মে কোন নেতাকর্মীর প্রমাণ পেলে তাকে দল থেকে বহিস্কারসহ কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় আসামী করার অভিযোগ ওঠেছিল সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাহজাহান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। অভিযোগটি জেলা যুবদল নেতাদের কানে আসার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। একই সাথে তাকে কেন আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হবে না- তা জানতে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মরোধে গত শুক্রবার রাতে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদল জেলা ও মহানগর শাখার শীর্ষ নেতারা জরুরি বৈঠক করেন। সভায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও গণতন্ত্রবিরোধী প্রেতাত্মারা নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার থাকতে হবে।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, হাজারও তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে কোন অবস্থায় প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন কর্মকান্ডে কারো  জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে। কারো ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না। নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলা হয়, কোনো মামলায় যাতে কোনো নিরপরাধ লোক এবং সাংবাদিকরা আসামি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ব্যক্তিগত জিঘাংসা মিটাতে কাউকে আসামি করার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কিছু মামলা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু কুচক্রী ও আওয়ামী প্রেতাত্মা কিছু মামলা দায়ের করেছে যেখানে সাংবাদিক, নিরীহ মানুষ এমনকি আমাদের দলের নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আসামি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।

এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল আহাদ খান জামাল বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী পরিবারের কোন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী কোন ধরণের অপকর্মের সাথে জড়িত নয়। কিছু অনুপ্রবেশকারী ও বিপৎগামী পরিবর্তিত পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করতে পারে। তবে প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে অপকর্ম রোধে বি এন পি পরিবারের কঠোর হুশিয়ারী

আপডেট সময় : ০৬:১০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার :

মিথ্যা মামলা, দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলেই বহিস্কার

পাঁচ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর যখন দেশজুড়ে আনন্দ উৎসব চলছিল তখন একটি মহল মেতে ওঠে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে। ওই রাতেই সিলেট বিএনপির নেতারা পিকআপে চড়ে রাস্তায় নামেন তাণ্ডব থামাতে। নাশকতা ও বিশৃঙ্খলারোধে তারা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপি নেতাদের কঠোর হস্তক্ষেপে লুটপাট, হামলা ও ভাঙচুর থামলেও এখন শুরু হয়েছে মামলা বাণিজ্য, দখল ও চাঁদাবাজি। এসব কর্মকান্ডে দুর্বৃত্তরা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নাম ভাঙানোরও অভিযোগ ওঠেছে। সংগঠনকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখতে এবার কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা কোন ধরণের অপকর্মে কোন নেতাকর্মীর প্রমাণ পেলে তাকে দল থেকে বহিস্কারসহ কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় আসামী করার অভিযোগ ওঠেছিল সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাহজাহান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। অভিযোগটি জেলা যুবদল নেতাদের কানে আসার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। একই সাথে তাকে কেন আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হবে না- তা জানতে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মরোধে গত শুক্রবার রাতে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদল জেলা ও মহানগর শাখার শীর্ষ নেতারা জরুরি বৈঠক করেন। সভায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও গণতন্ত্রবিরোধী প্রেতাত্মারা নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার থাকতে হবে।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, হাজারও তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে কোন অবস্থায় প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন কর্মকান্ডে কারো  জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে। কারো ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না। নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলা হয়, কোনো মামলায় যাতে কোনো নিরপরাধ লোক এবং সাংবাদিকরা আসামি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ব্যক্তিগত জিঘাংসা মিটাতে কাউকে আসামি করার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কিছু মামলা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু কুচক্রী ও আওয়ামী প্রেতাত্মা কিছু মামলা দায়ের করেছে যেখানে সাংবাদিক, নিরীহ মানুষ এমনকি আমাদের দলের নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আসামি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।

এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল আহাদ খান জামাল বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী পরিবারের কোন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী কোন ধরণের অপকর্মের সাথে জড়িত নয়। কিছু অনুপ্রবেশকারী ও বিপৎগামী পরিবর্তিত পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করতে পারে। তবে প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।