সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

সোনালী ব্যাংকের সাবেক ৭ কর্মকর্তাসহ ১০ জনের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ :  অনলাইন সংস্করণ

চার কোটি পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাত মামলায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক সাত কর্মকর্তাসহ ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ১৭ বছর করে এবং চারজনের স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন তাদের সবাইকে মোট চার কোটি ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

রায়ে ১৭ বছর করে দণ্ডিতরা হলেন— সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, সাবেক মহাব্যবস্থাপক ননী গোপাল নাথ, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক সাইফুল হাসান, প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম রাজা, অন্যতম পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন ও মণ্ডল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন।

রায়ে সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মইনুল হক, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর মহিদুর রহমান, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিএম) সফিজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক কামরুল হোসেন খানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আসামি মইনুল, মীর মহিদুর, সফিজ উদ্দিন ও কামরুলের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। অন্যরা অনুপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার বাদীসহ রাষ্ট্রপক্ষের ৪২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
বিচারক তার রায়ে বলেন, পলাতকদের শাস্তি গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে কার্যকর হবে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন হোটেল শেরাটন শাখার ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি রমনা থানায় হুমায়ুন কবির সহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মুজিবুর রহমান।

২০১৪ সালের ২২ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আট আসামিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৫ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে দুর্নীতির অপর তিনটি মামলায় তাদের প্রত্যেককে ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সোনালী ব্যাংকের সাবেক ৭ কর্মকর্তাসহ ১০ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ :  অনলাইন সংস্করণ

চার কোটি পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাত মামলায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক সাত কর্মকর্তাসহ ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ১৭ বছর করে এবং চারজনের স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন তাদের সবাইকে মোট চার কোটি ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

রায়ে ১৭ বছর করে দণ্ডিতরা হলেন— সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, সাবেক মহাব্যবস্থাপক ননী গোপাল নাথ, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক সাইফুল হাসান, প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম রাজা, অন্যতম পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন ও মণ্ডল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন।

রায়ে সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মইনুল হক, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর মহিদুর রহমান, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিএম) সফিজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক কামরুল হোসেন খানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আসামি মইনুল, মীর মহিদুর, সফিজ উদ্দিন ও কামরুলের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। অন্যরা অনুপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার বাদীসহ রাষ্ট্রপক্ষের ৪২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
বিচারক তার রায়ে বলেন, পলাতকদের শাস্তি গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে কার্যকর হবে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন হোটেল শেরাটন শাখার ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি রমনা থানায় হুমায়ুন কবির সহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মুজিবুর রহমান।

২০১৪ সালের ২২ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আট আসামিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৫ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে দুর্নীতির অপর তিনটি মামলায় তাদের প্রত্যেককে ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।