ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় গিয়ে মানুষের দুর্ভোগ দেখলেন সিসিক প্রশাসক হবিগঞ্জ জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ- মাধবপুরে বৃদ্ধ নিহত, আহত অন্তত ৩০ সিলেটে সুরঞ্জিত সেনের বিস্ফোরক মামলায় হাজিরা দিলেন আরিফ, গউছ, বাবর সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে গণবিজ্ঞপ্তি, অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের ৮টি মহানগরীর মধ্যে নিরাপত্তা ও কম অপরাধপ্রবণ নগরীর তালিকায় সেরা সিলেট সিলেটের জাফলং পাথরখেকোদের গ্রাসে বিলীন হচ্ছে জাফলং রাজবাড়ী সিলেট সীমান্ত থেকে নারী ও শিশুসহ ৯ জন আটক সুনামগঞ্জ,হবিগঞ্জ বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ- কালনী নদীর ভাঙ্গনে নি:স্ব শতাধিক পরিবার, আতঙ্কে অসংখ্য মানুষ সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চলছে ম্যানুয়ালি, বৈদ্যুতিক গোলোযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ড জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে ওলামা দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

এমবিবিএস-বিডিএস ছাড়া ডাক্তার পদবি ব্যবহারের অধিকার কারও নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্য কর্মীর সাদা অ্যাপ্রোন পরা ও নামের আগে ডাক্তার পদবি লেখার অধিকার নেই বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, গত ২০ আগস্ট বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে ম্যাটস, ডিএমএফ ও টুএমপি পাশ করা এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ডিপ্লোমা মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বুধবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাধারণ চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী সমাজের ব্যানারে আয়োজিত ‘লংমার্চ টু বিএমডিসি’ শীর্ষক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা এ কথা বলেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসকরা বলেন, নিজেদের অস্তিত্ব ও অধিকারের লড়াই হিসাবে আমাদের এই কর্মসূচি। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, চিকিৎসক ছাড়া অন্য স্বাস্থ্য কর্মীদের সাদা অ্যাপ্রোন পরা ও নামের আগে ডাক্তার পদবি লেখার কোনো অধিকার নেই।

তারা বলেন, ‘চিকিৎসক শুধু পরিচয় দেওয়ার বিষয় না, এটা যোগ্যতার বিষয়। যাদের এ যোগ্যতা নেই তারা চিকিৎসক হিসাবে পরিচয় দিতেই পারে না। টেকনোলজিস্টরা সহায়ক। তারা কোনোভাবেই চিকিৎসক নন।’

চিকিৎসকরা আরও বলেন, ‘অনেক মেডিকেল কলেজ চিকিৎসকদের বেতন ভাতা দিচ্ছে না। এসব মেডিকেলকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়াও ডিপ্লোমাদের জন্য আলাদা কাউন্সিল করতে হবে।’ 

লংমার্চ টু বিএমডিসি কর্মসূচিতে বিএমডিসি কর্তৃক মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ডিপ্লোমা মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার হিসাবে বিবেচনা করার প্রতিবাদে বেশ কয়েকটি দাবিও তুলে ধরেন চিকিৎসকরা। দাবিগুলো হলো- এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা যাবে না। স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার লক্ষ্যে ডাক্তার ব্যতীত স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ করতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ডাক্তার দ্বারা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ফার্মেসি ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে (মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, সহকারী রেজিস্ট্রার, রেজিস্ট্রার)। অভিজ্ঞতার আলোকে পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। বিএমডিসি ব্যতীত ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার কারও নেই।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী সমাজের ব্যানারে চিকিৎসকরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তারা বিএমডিসি কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানান। 

কর্মসূচি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা. মো. শাহেদ রফি পাভেল বলেন, আমরা শুরুতে বিএমডিসিতে জড়ো হওয়ার কর্মসূচি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে ডিপ্লোমাধারীরাও পালটা কর্মসূচি দেয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি এই কর্মসূচিকে ঘিরে অনেকেই ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এমবিবিএস-বিডিএস ছাড়া ডাক্তার পদবি ব্যবহারের অধিকার কারও নেই

আপডেট সময় : ০১:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্য কর্মীর সাদা অ্যাপ্রোন পরা ও নামের আগে ডাক্তার পদবি লেখার অধিকার নেই বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, গত ২০ আগস্ট বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে ম্যাটস, ডিএমএফ ও টুএমপি পাশ করা এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ডিপ্লোমা মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বুধবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাধারণ চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী সমাজের ব্যানারে আয়োজিত ‘লংমার্চ টু বিএমডিসি’ শীর্ষক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা এ কথা বলেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসকরা বলেন, নিজেদের অস্তিত্ব ও অধিকারের লড়াই হিসাবে আমাদের এই কর্মসূচি। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, চিকিৎসক ছাড়া অন্য স্বাস্থ্য কর্মীদের সাদা অ্যাপ্রোন পরা ও নামের আগে ডাক্তার পদবি লেখার কোনো অধিকার নেই।

তারা বলেন, ‘চিকিৎসক শুধু পরিচয় দেওয়ার বিষয় না, এটা যোগ্যতার বিষয়। যাদের এ যোগ্যতা নেই তারা চিকিৎসক হিসাবে পরিচয় দিতেই পারে না। টেকনোলজিস্টরা সহায়ক। তারা কোনোভাবেই চিকিৎসক নন।’

চিকিৎসকরা আরও বলেন, ‘অনেক মেডিকেল কলেজ চিকিৎসকদের বেতন ভাতা দিচ্ছে না। এসব মেডিকেলকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়াও ডিপ্লোমাদের জন্য আলাদা কাউন্সিল করতে হবে।’ 

লংমার্চ টু বিএমডিসি কর্মসূচিতে বিএমডিসি কর্তৃক মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ডিপ্লোমা মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার হিসাবে বিবেচনা করার প্রতিবাদে বেশ কয়েকটি দাবিও তুলে ধরেন চিকিৎসকরা। দাবিগুলো হলো- এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা যাবে না। স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার লক্ষ্যে ডাক্তার ব্যতীত স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ করতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ডাক্তার দ্বারা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ফার্মেসি ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না। বেসরকারি চিকিৎসকদের বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে (মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, সহকারী রেজিস্ট্রার, রেজিস্ট্রার)। অভিজ্ঞতার আলোকে পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। বিএমডিসি ব্যতীত ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার কারও নেই।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী সমাজের ব্যানারে চিকিৎসকরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তারা বিএমডিসি কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানান। 

কর্মসূচি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা. মো. শাহেদ রফি পাভেল বলেন, আমরা শুরুতে বিএমডিসিতে জড়ো হওয়ার কর্মসূচি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে ডিপ্লোমাধারীরাও পালটা কর্মসূচি দেয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি এই কর্মসূচিকে ঘিরে অনেকেই ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন।