ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’

কোটাবিরোধী আন্দোলন রাবি শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ, যোগ হয়েছে রুয়েট-রামেক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে তৃতীয় দিনের মতো রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ-সমাবেশ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিভিন্ন হল থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমবেত হতে দেখা যায় তাদের। পরে চার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একত্রে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রেললাইনে এসে অবরোধ করেন তারা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাথী আক্তার বলেন, ‌‘কোটা সংস্কারের একদফা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আমরা তৃতীয় দিনের মতো রেললাইন অবরোধ করেছি। সরকার আমাদের নিয়ে তামাশা করছে। ৪ জুলাই যে রায় হওয়ার কথা ছিল, সেই রায় ৭ আগস্টে নিয়ে গেছে। সরকার চাচ্ছে আমাদের আন্দোলন ধামাচাপা দিতে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠ ছাড়বো না।’

প্রতিবন্ধী ছাড়া সব কোটারই যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলাকালে আমার ভাইদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে। এরই প্রতিবাদে আজ আমরা ঢাকা-রাজশাহী রেললাইন অবরোধ করেছি। আমাদের আন্দোলন চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোটাবিরোধী আন্দোলন রাবি শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ, যোগ হয়েছে রুয়েট-রামেক

আপডেট সময় : ১২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে তৃতীয় দিনের মতো রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ-সমাবেশ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিভিন্ন হল থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমবেত হতে দেখা যায় তাদের। পরে চার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একত্রে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রেললাইনে এসে অবরোধ করেন তারা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাথী আক্তার বলেন, ‌‘কোটা সংস্কারের একদফা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আমরা তৃতীয় দিনের মতো রেললাইন অবরোধ করেছি। সরকার আমাদের নিয়ে তামাশা করছে। ৪ জুলাই যে রায় হওয়ার কথা ছিল, সেই রায় ৭ আগস্টে নিয়ে গেছে। সরকার চাচ্ছে আমাদের আন্দোলন ধামাচাপা দিতে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠ ছাড়বো না।’

প্রতিবন্ধী ছাড়া সব কোটারই যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলাকালে আমার ভাইদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে। এরই প্রতিবাদে আজ আমরা ঢাকা-রাজশাহী রেললাইন অবরোধ করেছি। আমাদের আন্দোলন চলবে।