সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট ভারতীয় পণ্য ও গ্রেফতার দুই সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৮৪ সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হামে ১ শিশুর মৃত্যু হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙন, ফসলি জমি প্লাবিত সিলেটে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩

দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গণমাধ্যমে আসা অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার, পাসপোর্ট জব্ধ, দ্রুত দুর্নীতির মামলা দায়ের, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব দাখিলের বিধান দ্রুত কার্যকর ও তাদের দুর্নীতি রোধে ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু এবং ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপিকে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার ও তাকে গানম্যান দেয়ার দাবীতে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ব ঘোষিত (৮ জুলাই) সোমবার বিকালে  সিলেট নগরীর সিটি পয়েন্টে সমাবেশ ও নাগরিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ বক্তারা অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্ত ও আলোচিত সাবেক সেনা প্রধান আজিজ, সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর, জাপা কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমীন হাওলাদার, ডিএমপি প্রধান আসাদ্দুজামান মিয়া, এনবিআর সদস্য মতিউর, ফায়সাল এর মত মানুষরূপী জানোয়াররা এখনো গ্রেফতার হয়নি কেন? দেশবাসী তা জানতে চায়।

বক্তারা পাকিস্তানীদের ফেলে যাওয়া বৃহত্তম পাটকল আদমজী, কাগজকল, টেক্সটাইল মিল, ওয়েল মিল ও চিনিকল সহ অনেক কলকারখানা বাংলাদেশে ছিল। এই সমস্ত কলকারখানায় বছরে ২০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয় বলে অজুহাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হলো। যার ফলশ্রুতিতে দেশ আজ হকার ও ব্যাটারী রিক্সা চালকদের দেশে পরিণত হয়েছে।

শেষ খবর অনুযায়ী জনতা ব্যাংকের খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের ২০ হাজার, সোনালী ব্যাংকে ১৪ হাজার। মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৮৪ হাজার কোটি টাক। আদমজী সহ বিভিন্ন কলকারাখানা সচল রাখতে কয়েক শত কোটি টাকা ঋণ দেয়া হলো না। অথচ রাষ্ট্রায়ত্ব জনতা ব্যাংক দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপী প্রতিষ্ঠানকে ২২ হাজার কোটি টাকা! দেশের শীর্ষ চার ধনী বিশেষ বিবেচনায় ২১ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ইসলামী ও জনতা ব্যাংক। তারা সব সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেও ঋণ পরিশোধ করেননি।

পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় বলা হয়েছিল দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়নের জোয়ার আসবে। হাজারটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অথচ পদ্মা সেতু হওয়ার আগে থেকেই দক্ষিণের পাটগুলো ঘিরে লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। সেতু হওয়ার আগেই সব হাওয়া হয়ে গেল। দু’বছর হলো পদ্মা সেতু হয়েছে, কই নতুন চাকুরী সৃষ্টি হল না কেন, দেশবাসী জবাব চায়।

বিদ্যুৎ খাতেও মহাদুর্নীতি চলছে। কয়েকটি ধনীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে এই খাত। সারাদেশে বিচারাধীন ৭১০৮টি মামলা চলছে ধীর গতিতে। দুর্নীতিবাজরা আজ বেপোরয়া। মামলা পরিচালনায় নেই পর্যাপ্ত আইনজীবী। মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি দেশের ৬ জেলা ৬৫ বিঘা জমি, ৮টি ফ্লাট, ২টি রিসোর্ট, শেয়ারবাজারে ৩৬ কোটি টাকার মুনাফা।

ডিএমপি প্রধান আসাদুজ্জামান মিয়ার যত সম্পদ। জেনারেল আজিজের এনআইডি কার্ড জালিয়াতি সহ দুর্নীতির তেলেসমাতি, এনবিআর এর আরেক সদস্য ফয়সালের শশুর-শ^াশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক জমা ১৯ কোটি টাকা, স্বজনদের ব্যাংক হিসাবে ৫০ কোটি টাকা রয়েছে। এসবই হয়েছে দু’বছর অন্তর অন্তর সরকারের নিকট সম্পাদের হিসাব দাখিলের বিধান কার্যকর না থাকায়। ৮ জুন-২০২৪ সমকালে প্রকাশিত “বকশিস ছাড়া নড়ে না নথি”। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড ট্রেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর ১৭ খাতে ১৮২ কোটি টাকার অনিয়ম। এমন কোন দিন নেই, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে শত শত কোটি টাকা অনিয়ম ও গচ্চার খবর নেই। হায়নারা ঘিরে ফেলেছে।

বক্তরা অভিলম্বে সংবিধানে থাকা ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু, অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনকারীরা বিদেশ চলে গেলে. বিচারের সময় আইনজীবী নিয়োগ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে না, এটি করতে বিশিষ্টজনদের মতে বিচার দ্রুত শেষ হবে।

দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী নাসির উদ্দিন এডভোকেট এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, উপদেষ্টা নেছারুল হক চৌধুরী বুস্তান স্যার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ অরুণ কুমার দেব, প্রচার সম্পাদক মির আব্দুল করিম পাখি মিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিরুল হোসেন চৌধুরী আমনু, আবদুল মতওয়ালী ফলিক, সরোজ ভট্টাচার্য্য, শাহিদুর রহমান জুনু, ৩১নং ওয়ার্ডের মুক্তিচকের সমাজসেবী ইউনুস আহমদ, আফছারুজ্জামন আফছর, রফিকুল ইসলাম শিতাব, সাংবাদিক শহিদ আহমদ খান শিব্বির, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ ইমাম হোসেন, সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম জিতু, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইকবাল মুন্না, আলীমান আখন্দ ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নুর আহমদ জুনেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম লিটন, অর্থ সম্পাদক বিজয় চন্দ্রনাথ বিপ্লব, মাওলানা আব্দুল মতিন, আব্দুস সালাম, ৩৩নং ওয়ার্ডের সমাজসেবী মাওলানা রমিজ উদ্দিন, সিটির ঠিকাদার তাজ উদ্দিন, সমাজসেবী শামসুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে নাসির উদ্দিন এডভোকেট বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার, পাসপোর্ট জব্ধ, দ্রুত দুর্নীতির মামলা দায়ের, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পত্তির দাখিলের বিধান দ্রুত কার্যকর ও তাদের দুর্নীতি রোধে ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু এবং ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপিকে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার দ্রুত না করলে পুণ্যভূমি  সিলেট থেকে হরতালের মত কঠো কর্মসূচি দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গণমাধ্যমে আসা অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার, পাসপোর্ট জব্ধ, দ্রুত দুর্নীতির মামলা দায়ের, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব দাখিলের বিধান দ্রুত কার্যকর ও তাদের দুর্নীতি রোধে ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু এবং ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপিকে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার ও তাকে গানম্যান দেয়ার দাবীতে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ব ঘোষিত (৮ জুলাই) সোমবার বিকালে  সিলেট নগরীর সিটি পয়েন্টে সমাবেশ ও নাগরিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ বক্তারা অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্ত ও আলোচিত সাবেক সেনা প্রধান আজিজ, সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর, জাপা কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমীন হাওলাদার, ডিএমপি প্রধান আসাদ্দুজামান মিয়া, এনবিআর সদস্য মতিউর, ফায়সাল এর মত মানুষরূপী জানোয়াররা এখনো গ্রেফতার হয়নি কেন? দেশবাসী তা জানতে চায়।

বক্তারা পাকিস্তানীদের ফেলে যাওয়া বৃহত্তম পাটকল আদমজী, কাগজকল, টেক্সটাইল মিল, ওয়েল মিল ও চিনিকল সহ অনেক কলকারখানা বাংলাদেশে ছিল। এই সমস্ত কলকারখানায় বছরে ২০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয় বলে অজুহাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হলো। যার ফলশ্রুতিতে দেশ আজ হকার ও ব্যাটারী রিক্সা চালকদের দেশে পরিণত হয়েছে।

শেষ খবর অনুযায়ী জনতা ব্যাংকের খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের ২০ হাজার, সোনালী ব্যাংকে ১৪ হাজার। মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৮৪ হাজার কোটি টাক। আদমজী সহ বিভিন্ন কলকারাখানা সচল রাখতে কয়েক শত কোটি টাকা ঋণ দেয়া হলো না। অথচ রাষ্ট্রায়ত্ব জনতা ব্যাংক দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপী প্রতিষ্ঠানকে ২২ হাজার কোটি টাকা! দেশের শীর্ষ চার ধনী বিশেষ বিবেচনায় ২১ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ইসলামী ও জনতা ব্যাংক। তারা সব সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেও ঋণ পরিশোধ করেননি।

পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় বলা হয়েছিল দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়নের জোয়ার আসবে। হাজারটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অথচ পদ্মা সেতু হওয়ার আগে থেকেই দক্ষিণের পাটগুলো ঘিরে লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। সেতু হওয়ার আগেই সব হাওয়া হয়ে গেল। দু’বছর হলো পদ্মা সেতু হয়েছে, কই নতুন চাকুরী সৃষ্টি হল না কেন, দেশবাসী জবাব চায়।

বিদ্যুৎ খাতেও মহাদুর্নীতি চলছে। কয়েকটি ধনীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে এই খাত। সারাদেশে বিচারাধীন ৭১০৮টি মামলা চলছে ধীর গতিতে। দুর্নীতিবাজরা আজ বেপোরয়া। মামলা পরিচালনায় নেই পর্যাপ্ত আইনজীবী। মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি দেশের ৬ জেলা ৬৫ বিঘা জমি, ৮টি ফ্লাট, ২টি রিসোর্ট, শেয়ারবাজারে ৩৬ কোটি টাকার মুনাফা।

ডিএমপি প্রধান আসাদুজ্জামান মিয়ার যত সম্পদ। জেনারেল আজিজের এনআইডি কার্ড জালিয়াতি সহ দুর্নীতির তেলেসমাতি, এনবিআর এর আরেক সদস্য ফয়সালের শশুর-শ^াশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক জমা ১৯ কোটি টাকা, স্বজনদের ব্যাংক হিসাবে ৫০ কোটি টাকা রয়েছে। এসবই হয়েছে দু’বছর অন্তর অন্তর সরকারের নিকট সম্পাদের হিসাব দাখিলের বিধান কার্যকর না থাকায়। ৮ জুন-২০২৪ সমকালে প্রকাশিত “বকশিস ছাড়া নড়ে না নথি”। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড ট্রেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর ১৭ খাতে ১৮২ কোটি টাকার অনিয়ম। এমন কোন দিন নেই, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে শত শত কোটি টাকা অনিয়ম ও গচ্চার খবর নেই। হায়নারা ঘিরে ফেলেছে।

বক্তরা অভিলম্বে সংবিধানে থাকা ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু, অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনকারীরা বিদেশ চলে গেলে. বিচারের সময় আইনজীবী নিয়োগ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে না, এটি করতে বিশিষ্টজনদের মতে বিচার দ্রুত শেষ হবে।

দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী নাসির উদ্দিন এডভোকেট এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, উপদেষ্টা নেছারুল হক চৌধুরী বুস্তান স্যার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ অরুণ কুমার দেব, প্রচার সম্পাদক মির আব্দুল করিম পাখি মিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিরুল হোসেন চৌধুরী আমনু, আবদুল মতওয়ালী ফলিক, সরোজ ভট্টাচার্য্য, শাহিদুর রহমান জুনু, ৩১নং ওয়ার্ডের মুক্তিচকের সমাজসেবী ইউনুস আহমদ, আফছারুজ্জামন আফছর, রফিকুল ইসলাম শিতাব, সাংবাদিক শহিদ আহমদ খান শিব্বির, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ ইমাম হোসেন, সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম জিতু, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইকবাল মুন্না, আলীমান আখন্দ ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নুর আহমদ জুনেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম লিটন, অর্থ সম্পাদক বিজয় চন্দ্রনাথ বিপ্লব, মাওলানা আব্দুল মতিন, আব্দুস সালাম, ৩৩নং ওয়ার্ডের সমাজসেবী মাওলানা রমিজ উদ্দিন, সিটির ঠিকাদার তাজ উদ্দিন, সমাজসেবী শামসুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে নাসির উদ্দিন এডভোকেট বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত অস্বাভাবিক সম্পদের দায়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার, পাসপোর্ট জব্ধ, দ্রুত দুর্নীতির মামলা দায়ের, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পত্তির দাখিলের বিধান দ্রুত কার্যকর ও তাদের দুর্নীতি রোধে ন্যায়পাল কার্যক্রম চালু এবং ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপিকে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার দ্রুত না করলে পুণ্যভূমি  সিলেট থেকে হরতালের মত কঠো কর্মসূচি দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।